ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রতি ডেপুটি স্পিকারের আহ্বান আবু ইয়াকুব ইউসুফ আল-কুমি: ইবন আরাবির বর্ণনায় এক সুফি সাধক সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার

সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে চালু হবে স্কুল মিল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। রোববার সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আবাসিক প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এ কথা জানান। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পুষ্টি নিশ্চিত করা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুল মিল কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য এবং আর্থসামাজিক অবস্থার ভিন্নতা বিবেচনা করে প্রয়োজনভিত্তিক আলাদা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্কুল মিল কর্মসূচির অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে এর মিল নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না করা গরম খাবার চালুর সম্ভাবনা এবং কর্মসূচির কার্যকর পর্যবেক্ষণ ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, স্কুল মিল কেবল শিক্ষার্থীদের পুষ্টির উৎস নয়, বরং এটি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে, ঝরে পড়া রোধ করতে এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রাখে। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুল গার্ডেন, পুষ্টি শিক্ষা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে স্কুল মিল কর্মসূচির সমন্বয়ের ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

এছাড়া, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যমান সমন্বিত প্রাথমিক শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা তৈরিতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়াতে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেছে। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডব্লিউএফপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে চালু হবে স্কুল মিল

আপডেট সময় : ০৪:২১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। রোববার সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আবাসিক প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এ কথা জানান। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পুষ্টি নিশ্চিত করা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুল মিল কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য এবং আর্থসামাজিক অবস্থার ভিন্নতা বিবেচনা করে প্রয়োজনভিত্তিক আলাদা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্কুল মিল কর্মসূচির অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে এর মিল নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না করা গরম খাবার চালুর সম্ভাবনা এবং কর্মসূচির কার্যকর পর্যবেক্ষণ ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, স্কুল মিল কেবল শিক্ষার্থীদের পুষ্টির উৎস নয়, বরং এটি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে, ঝরে পড়া রোধ করতে এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রাখে। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুল গার্ডেন, পুষ্টি শিক্ষা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে স্কুল মিল কর্মসূচির সমন্বয়ের ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

এছাড়া, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যমান সমন্বিত প্রাথমিক শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা তৈরিতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়াতে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেছে। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডব্লিউএফপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh