ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির গোপন কারখানা শনাক্ত, আটক ৪

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর পার্শ্ববর্তী এলাকা কেরানীগঞ্জে একটি অভিনব ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০)। সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে মাদক আনার পরিবর্তে সরাসরি ঘরে বসেই রাসায়নিক পাউডার ও যন্ত্রপাতির মাধ্যমে ইয়াবা তৈরি করছিল একটি চক্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি চৌকস দল গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্যচর দক্ষিণ বালুরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই আস্তানার সন্ধান পায়।

অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ৫ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের প্রায় ১ হাজার ৯৬৮ পিস তৈরি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে। পাশাপাশি ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন রাসায়নিক পাউডার, ইয়াবার আকৃতি দেওয়ার ডায়াস, একটি ম্যানুয়াল প্রেস মেশিন, একটি সূক্ষ্ম ডিজিটাল ওজন পরিমাপক যন্ত্র এবং ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন— বংশাল চাঙ্গেরপুল এলাকার মো. আলমগীর ওরফে আন্ডে (৪০), মোহাম্মদপুর বাবর রোড এলাকার মো. আলী আরমান (৩৬), সাভারের মো. কাশেমের ছেলে মো. শাহজাহান (৪০) এবং আদাবর রিংরোড এলাকার মৃত শফিকের মেয়ে সোনিয়া (৩০)। শুক্রবার কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১০-এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

র‌্যাব জানায়, আটককৃতদের মূল পরিকল্পনা ছিল সীমান্ত দিয়ে আসা মাদকের ওপর নির্ভর না করে নিজেরাই রাসায়নিক সংমিশ্রণে নকল ইয়াবা উৎপাদন করা। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে কেমিক্যাল ও পাউডার সংগ্রহ করে দুর্গম এই আস্তানায় ইয়াবা তৈরি করে ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে সরবরাহ করে আসছিল। চক্রটির অন্যতম হোতা আলমগীর ওরফে ‘আন্ডে’ একজন চিহ্নিত অপরাধী, যার বিরুদ্ধে রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় অন্তত তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।

আটককৃত চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাদের কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সাথে এই চক্রের পেছনে অন্য কোনো গডফাদার বা কেমিক্যাল সরবরাহকারী জড়িত রয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির গোপন কারখানা শনাক্ত, আটক ৪

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর পার্শ্ববর্তী এলাকা কেরানীগঞ্জে একটি অভিনব ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০)। সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে মাদক আনার পরিবর্তে সরাসরি ঘরে বসেই রাসায়নিক পাউডার ও যন্ত্রপাতির মাধ্যমে ইয়াবা তৈরি করছিল একটি চক্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি চৌকস দল গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্যচর দক্ষিণ বালুরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই আস্তানার সন্ধান পায়।

অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ৫ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের প্রায় ১ হাজার ৯৬৮ পিস তৈরি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে। পাশাপাশি ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন রাসায়নিক পাউডার, ইয়াবার আকৃতি দেওয়ার ডায়াস, একটি ম্যানুয়াল প্রেস মেশিন, একটি সূক্ষ্ম ডিজিটাল ওজন পরিমাপক যন্ত্র এবং ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন— বংশাল চাঙ্গেরপুল এলাকার মো. আলমগীর ওরফে আন্ডে (৪০), মোহাম্মদপুর বাবর রোড এলাকার মো. আলী আরমান (৩৬), সাভারের মো. কাশেমের ছেলে মো. শাহজাহান (৪০) এবং আদাবর রিংরোড এলাকার মৃত শফিকের মেয়ে সোনিয়া (৩০)। শুক্রবার কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১০-এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

র‌্যাব জানায়, আটককৃতদের মূল পরিকল্পনা ছিল সীমান্ত দিয়ে আসা মাদকের ওপর নির্ভর না করে নিজেরাই রাসায়নিক সংমিশ্রণে নকল ইয়াবা উৎপাদন করা। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে কেমিক্যাল ও পাউডার সংগ্রহ করে দুর্গম এই আস্তানায় ইয়াবা তৈরি করে ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে সরবরাহ করে আসছিল। চক্রটির অন্যতম হোতা আলমগীর ওরফে ‘আন্ডে’ একজন চিহ্নিত অপরাধী, যার বিরুদ্ধে রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় অন্তত তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।

আটককৃত চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাদের কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সাথে এই চক্রের পেছনে অন্য কোনো গডফাদার বা কেমিক্যাল সরবরাহকারী জড়িত রয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh