ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান

- আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। গত ৩০ জুলাই, বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের (জিপি-পিপি শাখা) সলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়।
ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৩১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৪-০৫ সালে তিনি ইংরেজি বিভাগের ছাত্র সংসদ ‘দ্য ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশন’-এর নির্বাচিত সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০৬ সালে তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল (বর্তমানে শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক হল) শাখা ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশী ছিলেন তিনি।
পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী প্যানেল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট ক্যাটাগরিতে সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৭ সালের সিনেট নির্বাচনে প্রতিকূল পরিবেশে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে জয়লাভ করে তিনি আলোচনায় আসেন এবং বর্তমানে সিনেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
একাডেমিক জীবনে শিহাব উদ্দিন খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি, ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ড থেকে বার কোর্স এবং দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্ন্যান্স স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতকোত্তর এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
পেশাগত জীবনে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি ও ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর পক্ষে বিভিন্ন মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করেছেন। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় শিহাব উদ্দিন খান বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, সংবিধান, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করব। রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করার চেষ্টা থাকবে। সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”





























