ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এআই-এর যুগেও নিজের অবস্থানে অনড় ‘লিপস্টিক কিং’ লি জিয়াকি টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের শুনানি আজ যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে পাকিস্তানের আবরার, পেছনে ফেললেন রশিদকে টানা সাত দিন কমল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম মহানবী (সা.)-এর ইনসাফ: মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ মুকসুদপুরে পৃথক স্থান থেকে নারীসহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

তাপপ্রবাহে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তাপপ্রবাহের ফলে দেশের অর্থনীতিতে ১.৩ থেকে ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে, যা দেশের মোট জিডিপির ০.৩ থেকে ০.৪ শতাংশের সমপরিমাণ। বুধবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে উৎপাদনশীলতা হ্রাসের হার দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। অতিরিক্ত গরমের কারণে প্রতি বছর ঢাকার মোট কর্মঘণ্টার প্রায় ৩ শতাংশ হারিয়ে যাচ্ছে, যা ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন চাকরি হারানোর সমান। বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে ২০৮০ সালের মধ্যে ঢাকায় উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টার এই ক্ষতির পরিমাণ ৭.৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাপজনিত চাপ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে নারী শ্রমিকদের কর্মপরিবেশেও ঝুঁকি তৈরি করছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ায় নারী শ্রমিকরা সহিংসতা ও হয়রানির শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চরম তাপপ্রবাহের ফলে পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ পূর্ণকালীন চাকরির সমপরিমাণ উৎপাদনশীলতা নষ্ট হচ্ছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ অঞ্চলের অর্থনীতি প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জট বলেন, তাপসহনশীল শহর গড়ে তোলা কেবল মানুষের জীবন রক্ষার জন্য নয়, বরং কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা, বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্যও অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য আরও সহনশীল ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

তাপপ্রবাহে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি

আপডেট সময় : ০২:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তাপপ্রবাহের ফলে দেশের অর্থনীতিতে ১.৩ থেকে ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে, যা দেশের মোট জিডিপির ০.৩ থেকে ০.৪ শতাংশের সমপরিমাণ। বুধবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে উৎপাদনশীলতা হ্রাসের হার দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। অতিরিক্ত গরমের কারণে প্রতি বছর ঢাকার মোট কর্মঘণ্টার প্রায় ৩ শতাংশ হারিয়ে যাচ্ছে, যা ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন চাকরি হারানোর সমান। বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে ২০৮০ সালের মধ্যে ঢাকায় উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টার এই ক্ষতির পরিমাণ ৭.৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাপজনিত চাপ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে নারী শ্রমিকদের কর্মপরিবেশেও ঝুঁকি তৈরি করছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ায় নারী শ্রমিকরা সহিংসতা ও হয়রানির শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চরম তাপপ্রবাহের ফলে পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ পূর্ণকালীন চাকরির সমপরিমাণ উৎপাদনশীলতা নষ্ট হচ্ছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ অঞ্চলের অর্থনীতি প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জট বলেন, তাপসহনশীল শহর গড়ে তোলা কেবল মানুষের জীবন রক্ষার জন্য নয়, বরং কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা, বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্যও অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য আরও সহনশীল ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor