আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল: যুক্তরাজ্য থেকে বাড়তি পুলিশ পাঠাচ্ছে না কর্তৃপক্ষ
- আপডেট সময় : ০৮:০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচকে ঘিরে আটলান্টা শহরের পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। তবে এই ম্যাচের জন্য যুক্তরাজ্য থেকে অতিরিক্ত কোনো পুলিশ সদস্য পাঠানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির ফুটবল নিরাপত্তা সমন্বয়কারী কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাজ্যের ফুটবল পুলিশিং প্রধান এবং চেশায়ার পুলিশের প্রধান কনস্টেবল মার্ক রবার্টস উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের আচরণকে ‘উদাহরণযোগ্য’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে প্রশংসা করেছেন। তবে দুই দেশের দীর্ঘদিনের ক্রীড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধের ইতিহাস থাকায় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচটিকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের ফুটবল পুলিশিং ইউনিটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বর্তমানে দায়িত্বরত ব্রিটিশ পুলিশ সদস্য এবং সমর্থক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় যথেষ্ট সন্তোষজনক। সংস্থাটির এক মুখপাত্র বলেন, ‘আগের সব ম্যাচের মতো এবারও আমাদের কর্মকর্তারা আটলান্টার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন। বর্তমান পরিকল্পনা এবং আগের ম্যাচগুলোর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সব পক্ষের মধ্যে ভালো সমন্বয় গড়ে উঠেছে, যার মূল লক্ষ্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ম্যাচ আয়োজন করা।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারা সমর্থক সংগঠনগুলোর সঙ্গে মিলে সমর্থকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে কাজ চালিয়ে যাবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সমর্থকদের আচরণ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’
অন্যদিকে, সোমবার আটলান্টা পুলিশ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সেমিফাইনাল উপলক্ষে শহরে দর্শনার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। খেলার মাঠ, বিনোদনকেন্দ্র এবং জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে, যা ম্যাচ চলাকালেও অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা এবং সবার জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।
এদিকে একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দুই দলের সমর্থকদের মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি কমাতে তাদের নির্দিষ্ট কিছু পানশালায় যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হবে। তবে স্টেডিয়ামের ভেতরে দুই দলের সমর্থকেরা একসঙ্গে অবস্থান করায় সম্ভাব্য উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি এখনও রয়ে গেছে।






















