ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নেই, ক্ষুব্ধ ডাকসু ভিপি জাহাজভাঙা শিল্পকে লাল থেকে কমলা শ্রেণিতে নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত জার্মানির ঐতিহাসিক ‘ঈগলস নেস্টে’ অগ্নিকাণ্ড, আটক এক সন্দেহভাজন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাত রয়েছে: রিজভী কমলনগরে কিল-ঘুষিতে বৃদ্ধের মৃত্যু, অভিযুক্ত মাহফুজ অ্যান কারসন: পুরাণ ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে সাহিত্যের নতুন দিগন্ত মিথ্যাচারের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে চাইছে জামায়াত: রিজভী এভারকেয়ার হাসপাতালে কুক পদে নিয়োগ, আবেদন ১২ নভেম্বর পর্যন্ত আগামী দশকে মানুষের চেয়ে এআই এজেন্টের সংখ্যা বাড়বে: মাইক ওয়ালশ সৌদি আরবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও প্রবাসী শ্রমিকদের মানবাধিকার সংকট

অ্যান কারসন: পুরাণ ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে সাহিত্যের নতুন দিগন্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অ্যান কারসনকে কেবল কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, অনুবাদ কিংবা উপন্যাসের চিরাচরিত পরিচয়ে আটকে রাখা অসম্ভব। এই কানাডীয় কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং ধ্রুপদি সাহিত্যের গবেষক সাহিত্যের প্রতিষ্ঠিত সব কাঠামো ভেঙে এক স্বতন্ত্র ও অনন্য জগৎ নির্মাণ করেছেন। তার লেখনীতে প্রাচীন গ্রিক পুরাণের চরিত্রগুলো আধুনিক মানুষের প্রেম, নিঃসঙ্গতা ও আকাঙ্ক্ষার গল্প হয়ে ফিরে আসে। গবেষণাধর্মী প্রবন্ধের সঙ্গে কবিতার মিশেল কিংবা ইতিহাসের প্রাচীন চরিত্রদের আজকের ভাষায় কথা বলিয়ে তোলা তার রচনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

কারসনের সাহিত্য পাঠককে কেবল গল্পের ভেতরেই নিয়ে যায় না, বরং গল্প বলার প্রচলিত পদ্ধতি নিয়েও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। তার লেখায় প্রাচীন গ্রিসের জ্ঞান ও কল্পনা সমকালীন মানুষের জটিল অনুভূতির সঙ্গে একীভূত হয়ে ওঠে। প্রেমের গল্প বলতে গিয়ে তিনি অনুসন্ধান করেন আকাঙ্ক্ষার প্রকৃতি, পুরাণ নির্মাণ করতে গিয়ে তুলে আনেন মানুষের ভঙ্গুরতা, আর ব্যক্তিগত শোকের বিবরণে খুঁজে ফেরেন স্মৃতি ও সময়ের গভীর সম্পর্ক।

তার সাহিত্যিক স্বাতন্ত্র্যের মূল ভিত্তি হলো প্রাচীন সাহিত্যকে কেবল অতীতের নিদর্শন হিসেবে না দেখা। কারসনের কাছে ধ্রুপদি সাহিত্য একটি জীবন্ত জগৎ, যেখানে বর্তমানের মানুষের দ্বন্দ্ব, প্রশ্ন ও অনুভূতির সঙ্গে নিরন্তর কথোপকথন চলে। এই কথোপকথনের মধ্যে কখনো হাস্যরস থাকে, কখনো তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান, আবার কখনো এমন এক নীরব বেদনা অনুভূত হয়, যা পাঠ শেষ হওয়ার পরও পাঠকের মনে স্থায়ী ছাপ ফেলে যায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

অ্যান কারসন: পুরাণ ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে সাহিত্যের নতুন দিগন্ত

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

অ্যান কারসনকে কেবল কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, অনুবাদ কিংবা উপন্যাসের চিরাচরিত পরিচয়ে আটকে রাখা অসম্ভব। এই কানাডীয় কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং ধ্রুপদি সাহিত্যের গবেষক সাহিত্যের প্রতিষ্ঠিত সব কাঠামো ভেঙে এক স্বতন্ত্র ও অনন্য জগৎ নির্মাণ করেছেন। তার লেখনীতে প্রাচীন গ্রিক পুরাণের চরিত্রগুলো আধুনিক মানুষের প্রেম, নিঃসঙ্গতা ও আকাঙ্ক্ষার গল্প হয়ে ফিরে আসে। গবেষণাধর্মী প্রবন্ধের সঙ্গে কবিতার মিশেল কিংবা ইতিহাসের প্রাচীন চরিত্রদের আজকের ভাষায় কথা বলিয়ে তোলা তার রচনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

কারসনের সাহিত্য পাঠককে কেবল গল্পের ভেতরেই নিয়ে যায় না, বরং গল্প বলার প্রচলিত পদ্ধতি নিয়েও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। তার লেখায় প্রাচীন গ্রিসের জ্ঞান ও কল্পনা সমকালীন মানুষের জটিল অনুভূতির সঙ্গে একীভূত হয়ে ওঠে। প্রেমের গল্প বলতে গিয়ে তিনি অনুসন্ধান করেন আকাঙ্ক্ষার প্রকৃতি, পুরাণ নির্মাণ করতে গিয়ে তুলে আনেন মানুষের ভঙ্গুরতা, আর ব্যক্তিগত শোকের বিবরণে খুঁজে ফেরেন স্মৃতি ও সময়ের গভীর সম্পর্ক।

তার সাহিত্যিক স্বাতন্ত্র্যের মূল ভিত্তি হলো প্রাচীন সাহিত্যকে কেবল অতীতের নিদর্শন হিসেবে না দেখা। কারসনের কাছে ধ্রুপদি সাহিত্য একটি জীবন্ত জগৎ, যেখানে বর্তমানের মানুষের দ্বন্দ্ব, প্রশ্ন ও অনুভূতির সঙ্গে নিরন্তর কথোপকথন চলে। এই কথোপকথনের মধ্যে কখনো হাস্যরস থাকে, কখনো তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান, আবার কখনো এমন এক নীরব বেদনা অনুভূত হয়, যা পাঠ শেষ হওয়ার পরও পাঠকের মনে স্থায়ী ছাপ ফেলে যায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh