ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসরাইলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সময় ওয়াকআউট করল বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সেগুনবাগিচায় সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের দেয়ালে সারিবদ্ধ গাড়ির দখল সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেম কেনায় শত কোটি টাকা দুর্নীতির অনুসন্ধান লালমোহনে নজরুল বর্ষ ২০২৬ উদযাপন, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মুখর অনুষ্ঠান কুমিল্লার প্রত্যন্ত গ্রামেও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, গ্রেপ্তার ৩ শিক্ষা খাতের তথ্য আদান-প্রদানে ইসির সঙ্গে বৈঠক রোববার আইনগত সহায়তা প্রান্তিক মানুষের বিচারপ্রাপ্তি সহজ করবে: আইনমন্ত্রী ইসরাইলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকালে বাকুতে ওয়াকআউট করল বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা রাষ্ট্রের অংশ, তাদের পাশে দাঁড়ানো দায়িত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী আফগানিস্তানে দারিদ্র্যের কশাঘাতে বাল্যবিয়ের শিকার শিশু-কিশোরীরা

অ্যাথলেটকে হেনস্তার প্রতিবাদে হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে তরুণদের কর্মসূচি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনকে মেট্রো স্টেশনে পুলিশের হেনস্তার প্রতিবাদে হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে চড়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন তরুণ। গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে টি-শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে যাওয়ায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনকে ফার্মগেট স্টেশনে ‘অশালীন’ পোশাকের অজুহাতে পুলিশ হেনস্তা করেছিল। সেই ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাতটার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে ‘হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে!’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই কর্মসূচির আহ্বান জানিয়ে একটি ইভেন্ট খোলা হয়েছিল, যেখানে বুধবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৬৭২ জন ‘যাচ্ছি’ এবং ৮ হাজার ২০০ জন ব্যবহারকারী ‘আগ্রহী’ হিসেবে সাড়া দিয়েছিলেন। তবে সকাল সাতটার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে মাত্র তিনজন তরুণকে উপস্থিত হতে দেখা যায়। তাঁরা হলেন বেসরকারি চাকরিজীবী সাগর মজুমদার ও রকিবুল ইসলাম এবং ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান।

প্রতিবাদে অংশ নেওয়া রানার ও বেসরকারি চাকরিজীবী সাগর মজুমদার বলেন, ‘আমরা রানার। দৌড়ানোর সময় শর্টস পরাটা বেশি কমফোর্টেবল। সে জন্য আমরা শর্টস পরি। অ্যাথলেট সাজ্জাদ হোসেন শর্টস পরে মেট্রোতে উঠতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন। আমরা চাই না আর কেউ তাঁর মতো হয়রানির শিকার হোক। সবার প্রতি আমাদের বার্তা হচ্ছে, আসুন আমরা নেগেটিভ মাইন্ডটাকে সরিয়ে ফেলি। শর্টস আসলে বিষয় নয়, নেতিবাচকভাবে দেখলে নেতিবাচক আর ইতিবাচকভাবে দেখলে ইতিবাচক।’

ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘মেট্রোতে হাফপ্যান্ট পরে আসার অধিকারটা থাকা উচিত বলে আমি মনে করি। এটা একটা স্বাভাবিক পোশাক। আমি সাধারণত মেট্রোতে উঠি না, শর্টসও পরি না। সম্ভবত পাঁচ বছর পর আজকে একটা শর্টস খুঁজে বের করে পরে এখানে এসেছি শুধু অধিকারের কথা বলার জন্য।’

সকাল সাতটার পর সাগর মজুমদার ও মাহফুজুর রহমান হাফপ্যান্ট পরে ফার্মগেট স্টেশন থেকে টিকিট কেটে মেট্রোরেলে ওঠেন। তাঁরা বিজয় সরণি স্টেশনের টিকিট নিয়ে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করেন এবং পরে বিজয় সরণিতে নেমে যান। রকিবুল ইসলাম তাঁদের সঙ্গে ওঠেননি। এছাড়া একই সময়ে অন্য ফটক দিয়ে আরও দুজন তরুণ হাফপ্যান্ট পরে মতিঝিলের টিকিট কেটে মেট্রোরেলে উঠেছিলেন বলে জানা গেছে, তবে তাঁদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর সাজ্জাদ হোসেনকে পোশাকের কারণে ৪০ মিনিট টিকিট পাঞ্চ মেশিনের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। অথচ মেট্রোরেলে চলাচলের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ড্রেসকোড নেই। প্রতিবাদকারীদের দাবি, কোনো কিছু নিষিদ্ধ হলে তার স্পষ্ট ও লিখিত নিয়ম থাকা উচিত এবং সমস্যা আসলে শর্টসে নয়, বরং হয়রানিতে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

অ্যাথলেটকে হেনস্তার প্রতিবাদে হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে তরুণদের কর্মসূচি

আপডেট সময় : ১১:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনকে মেট্রো স্টেশনে পুলিশের হেনস্তার প্রতিবাদে হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে চড়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন তরুণ। গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে টি-শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে যাওয়ায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনকে ফার্মগেট স্টেশনে ‘অশালীন’ পোশাকের অজুহাতে পুলিশ হেনস্তা করেছিল। সেই ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাতটার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে ‘হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে!’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই কর্মসূচির আহ্বান জানিয়ে একটি ইভেন্ট খোলা হয়েছিল, যেখানে বুধবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৬৭২ জন ‘যাচ্ছি’ এবং ৮ হাজার ২০০ জন ব্যবহারকারী ‘আগ্রহী’ হিসেবে সাড়া দিয়েছিলেন। তবে সকাল সাতটার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে মাত্র তিনজন তরুণকে উপস্থিত হতে দেখা যায়। তাঁরা হলেন বেসরকারি চাকরিজীবী সাগর মজুমদার ও রকিবুল ইসলাম এবং ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান।

প্রতিবাদে অংশ নেওয়া রানার ও বেসরকারি চাকরিজীবী সাগর মজুমদার বলেন, ‘আমরা রানার। দৌড়ানোর সময় শর্টস পরাটা বেশি কমফোর্টেবল। সে জন্য আমরা শর্টস পরি। অ্যাথলেট সাজ্জাদ হোসেন শর্টস পরে মেট্রোতে উঠতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন। আমরা চাই না আর কেউ তাঁর মতো হয়রানির শিকার হোক। সবার প্রতি আমাদের বার্তা হচ্ছে, আসুন আমরা নেগেটিভ মাইন্ডটাকে সরিয়ে ফেলি। শর্টস আসলে বিষয় নয়, নেতিবাচকভাবে দেখলে নেতিবাচক আর ইতিবাচকভাবে দেখলে ইতিবাচক।’

ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘মেট্রোতে হাফপ্যান্ট পরে আসার অধিকারটা থাকা উচিত বলে আমি মনে করি। এটা একটা স্বাভাবিক পোশাক। আমি সাধারণত মেট্রোতে উঠি না, শর্টসও পরি না। সম্ভবত পাঁচ বছর পর আজকে একটা শর্টস খুঁজে বের করে পরে এখানে এসেছি শুধু অধিকারের কথা বলার জন্য।’

সকাল সাতটার পর সাগর মজুমদার ও মাহফুজুর রহমান হাফপ্যান্ট পরে ফার্মগেট স্টেশন থেকে টিকিট কেটে মেট্রোরেলে ওঠেন। তাঁরা বিজয় সরণি স্টেশনের টিকিট নিয়ে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করেন এবং পরে বিজয় সরণিতে নেমে যান। রকিবুল ইসলাম তাঁদের সঙ্গে ওঠেননি। এছাড়া একই সময়ে অন্য ফটক দিয়ে আরও দুজন তরুণ হাফপ্যান্ট পরে মতিঝিলের টিকিট কেটে মেট্রোরেলে উঠেছিলেন বলে জানা গেছে, তবে তাঁদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর সাজ্জাদ হোসেনকে পোশাকের কারণে ৪০ মিনিট টিকিট পাঞ্চ মেশিনের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। অথচ মেট্রোরেলে চলাচলের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ড্রেসকোড নেই। প্রতিবাদকারীদের দাবি, কোনো কিছু নিষিদ্ধ হলে তার স্পষ্ট ও লিখিত নিয়ম থাকা উচিত এবং সমস্যা আসলে শর্টসে নয়, বরং হয়রানিতে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo