ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে এসেনশিয়াল ড্রাগসের কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২১ ইউনিট ভারতে ককরোচ পার্টির দুই নেতা পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে ট্রাম্পকে ‘স্বামী’ সম্বোধন করে বিব্রত নতুন প্রেস সচিব কেটি জ্যাকারিয়া তারেক রহমান সরকারের মেয়াদের মাঝামাঝি: সম্ভাবনা ও নীতিগত অগ্রাধিকার তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষার আহ্বান প্রেসিডেন্টের ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার বর্ণনায় আসছে পরিবর্তন ইউনূসকে হেনস্তা কেবল শুরু, মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতার টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৪ ইউনিট দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে বিশেষ অবদান, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেলেন মিরসরাইয়ের উম্মে হাবিবা টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় নতুন অধ্যাদেশ, মন্ত্রিসভার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক এবং টেকসই করার লক্ষ্যে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় আইনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। মূলত দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ক্রয় কার্যক্রমে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিধানগুলো আরও বিস্তৃত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং টেকসই সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ণায়কের অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান রাখা হয়েছে। এই মূল্যায়ন পদ্ধতিটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত ‘রেডেট ক্রাইটেরিয়া’ ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পাশাপাশি সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ, পেশাগত অসদাচরণ-সংক্রান্ত বিধান স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সুযোগ রাখার প্রস্তাবও খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে এই খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, দক্ষতা, নৈতিকতা এবং অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ সংশোধন করে ২০২৬ সালের আইনেও সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, দক্ষতা, নৈতিকতা, গুণগতমান, টেকসই ক্রয় এবং অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় নতুন অধ্যাদেশ, মন্ত্রিসভার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন

আপডেট সময় : ০৩:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক এবং টেকসই করার লক্ষ্যে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় আইনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। মূলত দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ক্রয় কার্যক্রমে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিধানগুলো আরও বিস্তৃত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং টেকসই সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ণায়কের অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান রাখা হয়েছে। এই মূল্যায়ন পদ্ধতিটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত ‘রেডেট ক্রাইটেরিয়া’ ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পাশাপাশি সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ, পেশাগত অসদাচরণ-সংক্রান্ত বিধান স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সুযোগ রাখার প্রস্তাবও খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে এই খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, দক্ষতা, নৈতিকতা এবং অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ সংশোধন করে ২০২৬ সালের আইনেও সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, দক্ষতা, নৈতিকতা, গুণগতমান, টেকসই ক্রয় এবং অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh