ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টিআইবি: ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার দিল্লিতে জাতীয় পতাকা মিছিলের আগে অভিজিৎ ও নেহা আটক দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার গোয়ালঘর নিয়ে বিরোধ: বড় ভাইয়ের পিটুনিতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু, গাইবান্ধায় চাঞ্চল্য ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির আগে অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা আটক ক্রিকেটের নতুন ফরম্যাট টেস্ট টুয়েন্টি: এক দিনে ৮০ ওভারের লড়াই শ্রীপুরে পরিত্যক্ত বোতল বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর হাতের আঙুল ঝলসে গেল বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু কর্মসূচি বন্ধে পুলিশি নোটিশ, অভিজিৎ দিপকের সাফ কথা ‘ফাঁসি দিন’

মাদারীপুরে সেকান্দার আলী হত্যায় তিন ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় সেকান্দার আলী হাওলাদার হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১২ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০৭। মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নাহিদুর রহমান নাহিদ এই রায় প্রদান করেন। রায়ে তিন ভাইকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর এক ভাইকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকার গফুর হাওলাদারের তিন ছেলে লিটন হাওলাদার, টিটন হাওলাদার ও বাচ্চু হাওলাদার। একই পরিবারের সদস্য আতিয়ার হাওলাদারকে সাত বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার অন্য ১৪ জন আসামিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না; তারা জামিনে গিয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৫ জুলাই সন্ধ্যায় রাজৈর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সেকান্দার আলী হাওলাদার ও তার ভাতিজা কামরুল হাওলাদার মাগরিবের নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বাসাবাড়ি ব্রিজের নিচে লিটন, বাচ্চু ও টিটনসহ অন্যান্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের কুপিয়ে জখম করেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে সেকান্দার আলীর অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

ঘটনার পরদিন ৬ জুলাই ২০১৪ তারিখে নিহতের ভাই ইলিয়াস হাওলাদার রাজৈর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক সারাজুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত এই রায় ঘোষণা করলেন। রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মামলার বাদী পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মাদারীপুর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. এমারাত হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদারীপুরে সেকান্দার আলী হত্যায় তিন ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় সেকান্দার আলী হাওলাদার হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১২ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০৭। মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নাহিদুর রহমান নাহিদ এই রায় প্রদান করেন। রায়ে তিন ভাইকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর এক ভাইকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকার গফুর হাওলাদারের তিন ছেলে লিটন হাওলাদার, টিটন হাওলাদার ও বাচ্চু হাওলাদার। একই পরিবারের সদস্য আতিয়ার হাওলাদারকে সাত বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার অন্য ১৪ জন আসামিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না; তারা জামিনে গিয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৫ জুলাই সন্ধ্যায় রাজৈর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সেকান্দার আলী হাওলাদার ও তার ভাতিজা কামরুল হাওলাদার মাগরিবের নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বাসাবাড়ি ব্রিজের নিচে লিটন, বাচ্চু ও টিটনসহ অন্যান্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের কুপিয়ে জখম করেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে সেকান্দার আলীর অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

ঘটনার পরদিন ৬ জুলাই ২০১৪ তারিখে নিহতের ভাই ইলিয়াস হাওলাদার রাজৈর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক সারাজুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত এই রায় ঘোষণা করলেন। রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মামলার বাদী পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মাদারীপুর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. এমারাত হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh