ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষার আহ্বান প্রেসিডেন্টের ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার বর্ণনায় আসছে পরিবর্তন ইউনূসকে হেনস্তা কেবল শুরু, মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতার টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৪ ইউনিট দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে বিশেষ অবদান, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেলেন মিরসরাইয়ের উম্মে হাবিবা টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস মহাশূন্যে পৃথিবীর চেয়েও বাসযোগ্য গ্রহ থাকতে পারে, বিজ্ঞানীদের গবেষণা ইরানের বিরুদ্ধে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে, নতুন হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের বিহারের গঙ্গায় নৌকাডুবি: শিশুসহ নিহত ১৩

মক্কা চুক্তি নিয়ে চিন্তিত নয় ইরান: রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি বলেছেন, মক্কা চুক্তিকে তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো চুক্তি হিসেবে দেখেন না এবং এটি নিয়ে দেশটির কোনো উদ্বেগ নেই। বুধবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত রাহিমি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে চলেছে, তাই বাংলাদেশের কোনো সিদ্ধান্ত তাদের চিন্তিত করে না। তিনি মন্তব্য করেন যে, মক্কা চুক্তি মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার দুর্বলতার একটি লক্ষণ। তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের কোনো চ্যালেঞ্জ বা বিরোধিতা নেই এবং তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো ইরানের ভালো বন্ধু। তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়টিও পুনর্ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় তারা কেবল আরব দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছিল, কোনো আরব দেশের ভূখণ্ড বা মাটিতে তারা কখনো হামলা করেনি। বিশেষজ্ঞ মহলের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মক্কা চুক্তি এমন এক সময়ে গঠিত হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ও মিত্রদের নিরাপত্তা দেওয়া নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছে। তিনি বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডানের মতো দেশগুলোর কাছে প্রশ্ন রাখেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কি তাদের কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা দিতে পেরেছে?

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, অতীতে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের দেশগুলোকে সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্র বিক্রির বিনিময়ে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যার আড়ালে তারা ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন ও ইউরেনিয়াম দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জর্ডান, বাহরাইন, কুয়েত ও ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে। তিনি মক্কা চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরাজয়ের একটি সম্পূরক অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

ইরানি রাষ্ট্রদূত জানান, প্রায় ১০ বছর আগে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত মধ্যপ্রাচ্য গঠন এবং ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা তখন আরব দেশগুলো সমর্থন করেনি। মক্কা চুক্তিতে ইরানের যোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা নিজ থেকে কোনো প্রস্তাব দেননি, তবে সদস্যদেশগুলো আহ্বান জানালে তা বিবেচনা করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

মক্কা চুক্তি নিয়ে চিন্তিত নয় ইরান: রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি বলেছেন, মক্কা চুক্তিকে তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো চুক্তি হিসেবে দেখেন না এবং এটি নিয়ে দেশটির কোনো উদ্বেগ নেই। বুধবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত রাহিমি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে চলেছে, তাই বাংলাদেশের কোনো সিদ্ধান্ত তাদের চিন্তিত করে না। তিনি মন্তব্য করেন যে, মক্কা চুক্তি মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার দুর্বলতার একটি লক্ষণ। তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের কোনো চ্যালেঞ্জ বা বিরোধিতা নেই এবং তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো ইরানের ভালো বন্ধু। তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়টিও পুনর্ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় তারা কেবল আরব দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছিল, কোনো আরব দেশের ভূখণ্ড বা মাটিতে তারা কখনো হামলা করেনি। বিশেষজ্ঞ মহলের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মক্কা চুক্তি এমন এক সময়ে গঠিত হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ও মিত্রদের নিরাপত্তা দেওয়া নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছে। তিনি বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডানের মতো দেশগুলোর কাছে প্রশ্ন রাখেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কি তাদের কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা দিতে পেরেছে?

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, অতীতে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের দেশগুলোকে সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্র বিক্রির বিনিময়ে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যার আড়ালে তারা ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন ও ইউরেনিয়াম দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জর্ডান, বাহরাইন, কুয়েত ও ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে। তিনি মক্কা চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরাজয়ের একটি সম্পূরক অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

ইরানি রাষ্ট্রদূত জানান, প্রায় ১০ বছর আগে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত মধ্যপ্রাচ্য গঠন এবং ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা তখন আরব দেশগুলো সমর্থন করেনি। মক্কা চুক্তিতে ইরানের যোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা নিজ থেকে কোনো প্রস্তাব দেননি, তবে সদস্যদেশগুলো আহ্বান জানালে তা বিবেচনা করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo