ঢাকা ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেতাগীতে জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা বিমান বাংলাদেশ: ঢাকা-টরন্টোর অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকা-নিউইয়র্কের সম্ভাবনা রপ্তানি খাতের গতি বাড়াতে ৫০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ছাড় নরসিংদীতে মানব পাচার প্রতিরোধ ও সারভাইভারদের পুনর্বাসনে কর্মশালা দুই মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৩৮২ কোটি ডলার দিল্লির রাজপথে অস্থিরতা ও একচিলতে আশার আলো কিডনি বিক্রি করেও কাটল না অভাব, চুরির মামলায় গ্রেপ্তার যুবক চকরিয়ায় সড়ক দখলমুক্ত করতে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ শুটিংয়ের সেটে বড় বিপদের মুখে অভিনেতা ইমরান হাশমি বগুড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের হাজারো ঘর এখন মাদকসেবীদের আস্তানা

যৌন হয়রানি রোধে ব্যর্থ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: ইউজিসি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কেবল কমিটি গঠন করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই কমিটিগুলোকে তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালনে সক্রিয় হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওস্থ ইউজিসি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, যৌন হয়রানি রোধে দায়িত্ব পালনে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় গাফিলতি করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত কর্মক্ষেত্র, জনপরিসর ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই চুক্তি সম্পাদিত হয়। ইউজিসির সচিব মো. ফখরুল ইসলাম এবং ইউএন উইমেনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি ও বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিশনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এসব কমিটি আশানুরূপ কার্যকর নয়। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যেন কোনোভাবেই একে নিজেদের কাজ নয় বলে এড়িয়ে যেতে না পারেন। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত তদন্ত করে সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের জাতীয় জরিপের তথ্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণীদের মধ্যে ১৬ শতাংশ প্রযুক্তির মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

মামুন আহমেদ আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই কমিটিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ইউজিসির প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের ডেপুটি হেড বেইবা জেরিনা বলেন, গুণগত শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. খায়রুল ইসলাম এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন টাস্ক টিমের আহ্বায়ক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

যৌন হয়রানি রোধে ব্যর্থ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: ইউজিসি

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কেবল কমিটি গঠন করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই কমিটিগুলোকে তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালনে সক্রিয় হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওস্থ ইউজিসি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, যৌন হয়রানি রোধে দায়িত্ব পালনে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় গাফিলতি করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত কর্মক্ষেত্র, জনপরিসর ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই চুক্তি সম্পাদিত হয়। ইউজিসির সচিব মো. ফখরুল ইসলাম এবং ইউএন উইমেনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি ও বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিশনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এসব কমিটি আশানুরূপ কার্যকর নয়। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যেন কোনোভাবেই একে নিজেদের কাজ নয় বলে এড়িয়ে যেতে না পারেন। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত তদন্ত করে সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের জাতীয় জরিপের তথ্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণীদের মধ্যে ১৬ শতাংশ প্রযুক্তির মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

মামুন আহমেদ আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই কমিটিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ইউজিসির প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের ডেপুটি হেড বেইবা জেরিনা বলেন, গুণগত শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. খায়রুল ইসলাম এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন টাস্ক টিমের আহ্বায়ক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo