ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খাঁটি মধু নাকি চিনির সিরাপ? চেনার উপায় কী? মরিনহোর কৌশলে রোমার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াল রিয়াল মাদ্রিদ রমনা কালীমন্দিরে রিজভী: সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে ইস্তাম্বুলে ৮০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৪ দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় রশমি দেশাই, জানালেন কেন দূরে ছিলেন আজকের খেলার সূচি: বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই স্পেসএক্সের রকেট প্রযুক্তিতে আকাশে উড়বে টেসলার ‘রোডস্টার ২’ গণহত্যাকারী দল হিসেবে আ.লীগের বিচার ও কার্যক্রম নিয়ে সংশয় গায়ে হলুদের দিনই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন বর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ দখল করতে চায় হুতিরা

মার্কিন অবরোধের মাঝেই ইরানের ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের তেল রাজস্ব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধ ও নানামুখী নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই চলতি ইরানি বছরের প্রথম চার মাসে প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তেল রাজস্ব অর্জন করেছে ইরান। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ইতোমধ্যে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির তেল মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২১ মার্চ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত অর্জিত এই রাজস্ব চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের যাবতীয় বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট। মার্কিন নৌ অবরোধের বাইরে আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেল বিক্রির যে সুযোগ রয়েছে, তা দিয়েই ২০২৬ সালের ২১ মার্চ থেকে ২০২৭ সালের ২০ মার্চ পর্যন্ত ঘোষিত রাষ্ট্রীয় বাজেটের রাজস্ব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বছরের প্রথম চার মাসে সংগৃহীত এই তেল রাজস্ব ওই সময়ের জন্য বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৯ শতাংশ স্পর্শ করেছে। এমন এক সময়ে এই রাজস্ব অর্জনের খবর সামনে এলো যখন ইরান অভিমুখে মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে দেশটির তেল রপ্তানি ও সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কৌশলগত জলপথটি বন্ধ করে রেখেছে ইরান। অন্যদিকে, সেখানে অবাধ ও বাধাহীন নৌ চলাচল নিশ্চিত করার স্বার্থে এটি পুনরায় খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে ওয়াশিংটন।

উল্লেখ্য, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া। তবে ইরানি কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করবে—যার মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ প্রত্যাহার এবং ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করে রাখা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা—ততক্ষণ তেহরান এই জলপথটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করবে না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন অবরোধের মাঝেই ইরানের ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের তেল রাজস্ব

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধ ও নানামুখী নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই চলতি ইরানি বছরের প্রথম চার মাসে প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তেল রাজস্ব অর্জন করেছে ইরান। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ইতোমধ্যে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির তেল মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২১ মার্চ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত অর্জিত এই রাজস্ব চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের যাবতীয় বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট। মার্কিন নৌ অবরোধের বাইরে আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেল বিক্রির যে সুযোগ রয়েছে, তা দিয়েই ২০২৬ সালের ২১ মার্চ থেকে ২০২৭ সালের ২০ মার্চ পর্যন্ত ঘোষিত রাষ্ট্রীয় বাজেটের রাজস্ব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বছরের প্রথম চার মাসে সংগৃহীত এই তেল রাজস্ব ওই সময়ের জন্য বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৯ শতাংশ স্পর্শ করেছে। এমন এক সময়ে এই রাজস্ব অর্জনের খবর সামনে এলো যখন ইরান অভিমুখে মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে দেশটির তেল রপ্তানি ও সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কৌশলগত জলপথটি বন্ধ করে রেখেছে ইরান। অন্যদিকে, সেখানে অবাধ ও বাধাহীন নৌ চলাচল নিশ্চিত করার স্বার্থে এটি পুনরায় খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে ওয়াশিংটন।

উল্লেখ্য, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া। তবে ইরানি কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করবে—যার মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ প্রত্যাহার এবং ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করে রাখা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা—ততক্ষণ তেহরান এই জলপথটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করবে না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh