প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম আপাতত স্থগিত ঘোষণা
- আপডেট সময় : ০৩:৪০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত ১৪ হাজার নতুন শিক্ষকের পদায়ন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, নতুন ১৪ হাজারের বেশি শিক্ষকের নিয়োগ চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত বদলি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পুনরায় বদলি কার্যক্রম চালু করা হবে। তিনি আরও বলেন, বদলি প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে আগামীতে আর্থিক চাহিদাকে (ফাইনান্সিয়াল নিড বেসড) গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত করার ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝরে পড়া শিশু-কিশোরদের শিক্ষার আওতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৮.৯৮ শতাংশ। এই হার বাড়াতে সরকার জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতায় সমৃদ্ধ নাগরিক গড়ার দর্শন নিয়ে কাজ করছে।
বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার সদর উপজেলায় কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। প্রথম ধাপে প্রতি জেলায় ৮০ জন করে মোট ৫,১২০ জন ১৫-২৪ বছর বয়সী ঝরে পড়া কিশোর-কিশোরীকে ৪৬০ ঘণ্টার এই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণ বিএনকিউএফ কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর লক্ষ্য হলো শিক্ষা থেকে কর্মে উত্তরণের সুযোগ সৃষ্টি করা।
বিশেষ এই কার্যক্রমে নিবন্ধিত ৪,৩১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪,১৯৮ জন সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯২.৪৭ শতাংশ শিক্ষার্থী কর্মসংস্থান, শিক্ষানবিশ বা উদ্যোক্তা হিসেবে কাজের সুযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে ৬০৩ জন সরাসরি কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছে, ৮৭৯ জন শোভন কাজে শিক্ষানবিশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে, ১,৩০৪ জন উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মে যুক্ত হয়েছে এবং ৪৮৯ জন উদ্যোক্তা হওয়ার লক্ষ্যে মেন্টরের অধীনে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করছে।





























