মহেশখালীর দুর্গাম পাহাড়ে অস্ত্র ও মদ তৈরির কারখানার সন্ধান
- আপডেট সময় : ০৪:১৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

মফিজুর রহমান মহেশখালী প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারের মহেশখালীর দুর্গাম পাহাড়ে গড়ে উঠা অস্ত্র ও মদ তৈরির কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। এসময় অস্ত্র তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জাম ও ৮০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া এলাকার বারইখইল্লা ঘোনা (ভারিতইল্ল্যা) নামের দুর্গাম পাহাড়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালী থানার (ওসি) প্রণব চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ একটি টিম অভিযান পরিচালনা করেন। এ অভিযানে উদ্ধার করা হয়, অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহৃত লেদ মেশিন, দেশীয় তৈরীর অস্ত্রের স্প্রিং, কার্তুজের প্লট, অস্ত্র তৈরীর লোহার পাইপ, লোহা কাটার বিভিন্ন যন্ত্র, অস্ত্রের কাঠের বাট, বিভিন্ন ধরনের কার্তুজ, কার্তুদের খোসা। তাছাড়া উদ্ধার করা হয় তরল মদও।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ কারখানার একটু দুরে একই ব্যক্তির মালিকানাধীন একটি দেশীয় মদ তৈরির কারখানার সন্ধান পায় পুলিশ। এই মদের কারখানাতে ৮০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করে।
উল্লেখ্য যে, তাঁরা পেশাদার অস্ত্র তৈরি ও মাদক ব্যবসায়ী। পাহাড়ের গহিন অরণ্যে কারখানায় অস্ত্র ও চোলাই মদ তৈরি করে দীর্ঘ দিন ধরে মহেশখালী, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। বিশেষ করে তাঁরা পাহাড়ের ভেতরে অস্ত্র নিয়ে ওই কারখানা পাহারা দিত। শেষ পর্যন্ত ওই কারখানার সন্ধান পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে কারখানাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ দুই কারখানার সাথে স্থানীয় রবিউল হোসেন প্রঃ রবি (৩৫), মনির (৩০) ও মানিক (৩৫) নামের ৩ ব্যক্তি জড়িত। বহুদিন ধরে এখানে বন্দুক এবং চোলাই মদ তৈরি ও বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে আসছিলো।
এদিকে পুলিশ খবর পেয়ে সরেজমিনে উপস্থিত হলে, কারখানার সাথে জড়িত কারিগররা পালিয়ে যায়। অস্ত্রের কারখানায় পৌঁছানোর পর দেখা যায়- সেখানে বিপুল সংখ্যক অস্ত্র তৈরীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং উপাদান আছে। পুলিশ এ সকল যন্ত্রপতি জব্দ করে কারখানাটি গুড়িয়ে দেয়।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব চৌধুরী বলেন, এ কারখানার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং উল্লেখিত ব্যক্তিদের নামে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।























