ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত কুশিয়ারা এলাকায় নেশাগ্রস্ত ছেলের আগুন, ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীর চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল শিশু সন্তান সকালে থেকে রাজধানী ঢাকাতে মুষলধারে বৃষ্টি নিউ মার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন গুলিতে নিহত সাতকানিয়াতে সন্ত্রাসী হামলায় জামায়াত কর্মী নিহত নরসিংদীতে নেশাখোর স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন ইউনিয়ন পরিষদে ৮০টির বেশি সেবা কাগজে-কলমে, বাস্তবে মিলছে মাত্র কয়েকটি বঞ্চনায় সাধারণ মানুষ তিনদিন ব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন নাগেশ্বরীতে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ৩

আন্তঃউপজেলার শীর্ষ ডাকাত শাহীন ও তার অন্যতম সহযোগী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার।

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ ৩০৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তঃউপজেলার শীর্ষ ডাকাত শাহীন ও তার অন্যতম সহযোগী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার।

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

গত ১৮ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আন্তঃউপজেলার কুখ্যাত শাহীন ডাকাত ও তার একজন সহযোগীকে বান্দরবান জেলার সদর থানাধীন মেঘলা এলাকা হতে র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক রাত ০৯.০০ ঘটিকায় শাহীনুর রহমান @ শাহীন ডাকাত (৩৫) এবং তার অন্যতম সহযোগী মোঃ তারেক জিয়া (২১)’কে গ্রেফতার করে।

ইতিপূর্বেও শাহীন ডাকাত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিল। তাকে গ্রেফতারের দাবিতে এলাকার সচেতন মহল সম্প্রতি একটি মানববন্ধন করেছিল। তার অপকর্মের ভয়ে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির ০৬ ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ জিম্মি হয়েছিল। তার অপকর্মের বিষয়গুলি বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিকবার প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি দায়েরকৃত একটি নিয়মিত মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতারের নিমিত্তে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করি। গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। অতঃপর গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী শাহীনুর রহমান আন্তঃউপজেলার একজন শীর্ষ ডাকাত। ডাকাতি, মাদক, গরু চোরাকারবারীদের সহযোগীতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত এই শাহীন ডাকাত। সে প্রায়শই রাতের বেলায় রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দলবলসহ সশস্ত্র মহড়া দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতো। গত ১২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে গর্জনিয়ার একজন ইউপি সদস্য (মনিরুল আলম) তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় শাহিন ডাকাত গ্যাং তাকে মারাত্নকভাবে পিটিয়ে দুই পা ভেঙ্গে দেয়। গত কয়েকদিন ধরে এই চক্রটির ডাকাতি ও অপহরণের ভয়ে স্থানীয়রা এলাকায় রাত জেগে পাহারা দিত।

গ্রেফতারকৃত শাহীন ডাকাত এর বিরুদ্ধে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ০৫ টি ডাকাতি, ০৩ টি অস্ত্র, ০১ টি মাদক, ০৪ টি হত্যা চেষ্টার মামলা রয়েছে এবং সে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী।

গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।আন্তঃউপজেলার শীর্ষ ডাকাত শাহীন ও তার অন্যতম সহযোগী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার।

গত ১৮ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আন্তঃউপজেলার কুখ্যাত শাহীন ডাকাত ও তার একজন সহযোগীকে বান্দরবান জেলার সদর থানাধীন মেঘলা এলাকা হতে র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক রাত ০৯.০০ ঘটিকায় শাহীনুর রহমান @ শাহীন ডাকাত (৩৫) এবং তার অন্যতম সহযোগী মোঃ তারেক জিয়া (২১)’কে গ্রেফতার করে।

ইতিপূর্বেও শাহীন ডাকাত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিল। তাকে গ্রেফতারের দাবিতে এলাকার সচেতন মহল সম্প্রতি একটি মানববন্ধন করেছিল। তার অপকর্মের ভয়ে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির ০৬ ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ জিম্মি হয়েছিল। তার অপকর্মের বিষয়গুলি বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিকবার প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি দায়েরকৃত একটি নিয়মিত মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতারের নিমিত্তে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করি। গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। অতঃপর গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী শাহীনুর রহমান আন্তঃউপজেলার একজন শীর্ষ ডাকাত। ডাকাতি, মাদক, গরু চোরাকারবারীদের সহযোগীতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত এই শাহীন ডাকাত। সে প্রায়শই রাতের বেলায় রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দলবলসহ সশস্ত্র মহড়া দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতো। গত ১২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে গর্জনিয়ার একজন ইউপি সদস্য (মনিরুল আলম) তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় শাহিন ডাকাত গ্যাং তাকে মারাত্নকভাবে পিটিয়ে দুই পা ভেঙ্গে দেয়। গত কয়েকদিন ধরে এই চক্রটির ডাকাতি ও অপহরণের ভয়ে স্থানীয়রা এলাকায় রাত জেগে পাহারা দিত।

গ্রেফতারকৃত শাহীন ডাকাত এর বিরুদ্ধে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ০৫ টি ডাকাতি, ০৩ টি অস্ত্র, ০১ টি মাদক, ০৪ টি হত্যা চেষ্টার মামলা রয়েছে এবং সে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী।

গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

আন্তঃউপজেলার শীর্ষ ডাকাত শাহীন ও তার অন্যতম সহযোগী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার।

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩
print news

গত ১৮ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আন্তঃউপজেলার কুখ্যাত শাহীন ডাকাত ও তার একজন সহযোগীকে বান্দরবান জেলার সদর থানাধীন মেঘলা এলাকা হতে র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক রাত ০৯.০০ ঘটিকায় শাহীনুর রহমান @ শাহীন ডাকাত (৩৫) এবং তার অন্যতম সহযোগী মোঃ তারেক জিয়া (২১)’কে গ্রেফতার করে।

ইতিপূর্বেও শাহীন ডাকাত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিল। তাকে গ্রেফতারের দাবিতে এলাকার সচেতন মহল সম্প্রতি একটি মানববন্ধন করেছিল। তার অপকর্মের ভয়ে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির ০৬ ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ জিম্মি হয়েছিল। তার অপকর্মের বিষয়গুলি বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিকবার প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি দায়েরকৃত একটি নিয়মিত মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতারের নিমিত্তে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করি। গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। অতঃপর গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী শাহীনুর রহমান আন্তঃউপজেলার একজন শীর্ষ ডাকাত। ডাকাতি, মাদক, গরু চোরাকারবারীদের সহযোগীতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত এই শাহীন ডাকাত। সে প্রায়শই রাতের বেলায় রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দলবলসহ সশস্ত্র মহড়া দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতো। গত ১২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে গর্জনিয়ার একজন ইউপি সদস্য (মনিরুল আলম) তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় শাহিন ডাকাত গ্যাং তাকে মারাত্নকভাবে পিটিয়ে দুই পা ভেঙ্গে দেয়। গত কয়েকদিন ধরে এই চক্রটির ডাকাতি ও অপহরণের ভয়ে স্থানীয়রা এলাকায় রাত জেগে পাহারা দিত।

গ্রেফতারকৃত শাহীন ডাকাত এর বিরুদ্ধে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ০৫ টি ডাকাতি, ০৩ টি অস্ত্র, ০১ টি মাদক, ০৪ টি হত্যা চেষ্টার মামলা রয়েছে এবং সে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী।

গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।আন্তঃউপজেলার শীর্ষ ডাকাত শাহীন ও তার অন্যতম সহযোগী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার।

গত ১৮ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আন্তঃউপজেলার কুখ্যাত শাহীন ডাকাত ও তার একজন সহযোগীকে বান্দরবান জেলার সদর থানাধীন মেঘলা এলাকা হতে র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক রাত ০৯.০০ ঘটিকায় শাহীনুর রহমান @ শাহীন ডাকাত (৩৫) এবং তার অন্যতম সহযোগী মোঃ তারেক জিয়া (২১)’কে গ্রেফতার করে।

ইতিপূর্বেও শাহীন ডাকাত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিল। তাকে গ্রেফতারের দাবিতে এলাকার সচেতন মহল সম্প্রতি একটি মানববন্ধন করেছিল। তার অপকর্মের ভয়ে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির ০৬ ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ জিম্মি হয়েছিল। তার অপকর্মের বিষয়গুলি বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিকবার প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি দায়েরকৃত একটি নিয়মিত মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতারের নিমিত্তে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করি। গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। অতঃপর গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী শাহীনুর রহমান আন্তঃউপজেলার একজন শীর্ষ ডাকাত। ডাকাতি, মাদক, গরু চোরাকারবারীদের সহযোগীতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত এই শাহীন ডাকাত। সে প্রায়শই রাতের বেলায় রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দলবলসহ সশস্ত্র মহড়া দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতো। গত ১২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে গর্জনিয়ার একজন ইউপি সদস্য (মনিরুল আলম) তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় শাহিন ডাকাত গ্যাং তাকে মারাত্নকভাবে পিটিয়ে দুই পা ভেঙ্গে দেয়। গত কয়েকদিন ধরে এই চক্রটির ডাকাতি ও অপহরণের ভয়ে স্থানীয়রা এলাকায় রাত জেগে পাহারা দিত।

গ্রেফতারকৃত শাহীন ডাকাত এর বিরুদ্ধে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ০৫ টি ডাকাতি, ০৩ টি অস্ত্র, ০১ টি মাদক, ০৪ টি হত্যা চেষ্টার মামলা রয়েছে এবং সে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী।

গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।