ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরশুরামে স্কুল শিক্ষার্থী বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে মৃত্যু নওগাঁয় খাবারের প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আহত ৪, লুট ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও বাড়েনি গণপরিবহনের ভাড়া সুনামগঞ্জের বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক নগরীর আইডিয়াল মোড় সংলগ্ন মহাসড়কে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত খুলনায় নিজ রাইফেলের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা বৈশাখের ঝড় ও বজ্রপাতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা কৃষি জমির টপসয়েল কাটা বাধা দিলেন ইউপি সদস্য রহিম উল্লাহ আমজাদহাটে জনমনে স্বস্তি

ফেনীতে শিশু নাশিদ হত্যার আসামিদের মৃত্যুদন্ড রায় দিলেন আদালত

তিমির চন্দ্র দাস, ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী:
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

তিমির চন্দ্র দাস,
ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী:

ফেনীতে শিশু নাশিদ হত্যা মামলা আসামিদের মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষনা দিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত ফেনী।

২৯ই জানুয়ারী বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত এর বিচারক এ.এন.এম.মোরশেদ খাঁন শিশু নাশিদ হত্যার আসামীদের মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষণা করেন।

১২ই ডিসেম্বর ২০২৪ সালে চাঞ্চল্যকর অপহরণকৃত শিশু নাশিদ (১০) হত্যার পর লাশ ফেনী পুর্ব দেবীপুরের রেললাইনের পাশের কচুরিপানা ঢোবা থেকে স্কুল ব্যাগে পাথর রাখা অবস্থায় পুলিশ শিশু নাশিদের লাশ উদ্ধার করেন।

শিশু নাশিদ ফেনী গ্রামার স্কুলের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র, ৮ই ডিসেম্বর ২০২৪ শিবলু সড়কের কোচিং সেন্টার এ যাওয়ার পথে তুষার ও ওয়াসি মিলে কিডন্যাপ করে, তাকে কিডন্যাপ করে দেবীপুরের রেললাইনের কাছে নিয়ে যায়, প্রথমে রিফাত কে ডেকে নিয়ে আসে।

তুষারের কথায় ওয়াসি দোকান থেকে জুস নিয়ে আসে, জুসের মধ্যে ঘুমের ঔষুধ মিক্স করে নাশিদকে অজ্ঞান করেন দুষ্কৃতিকাররা, নাশিদ অজ্ঞান অবস্থায় অন্য আরেকটি এলাকায় ঝাউ বাগানের একটি ঘরে আটক করে রাখেন।

নাশিদ ঘুম থেকে উঠার পর তাকে দুষ্কৃতিকারীরা সবাই মিলে হাত পা ও গলা চিপে ধরে হত্যা করেন, হত্যার পর নাশিদকে দেবীপুরের রেললাইনের পাশের কচুরিপানা ডোবায় লাশ গুম করেন, পরবর্তীতে পুলিশ হত্যা কারীদের গ্রেফতার করলে আসামিদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক নাশিদ এর লাশ পুলিশ উদ্ধার করে।

প্রায় ১ বছর ২ মাস পর নাশিদ হত্যার এই বিচারের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত এর বিচারক এ.এন.এম.মোরশেদ খাঁন মামলাটি চার্জ গঠন ও ২১ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষর উপর ভিত্তি করে আসামী তুষার, ওয়াসিম, ও রিফাতকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা মোতাবেক মৃত্যুদন্ড, ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ বছর কারাদণ্ড প্রাদান করেন, দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় প্রত্যেক কে ৭ বছর কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৩ মাস কারাদণ্ড রায় প্রদান করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৮ ধারায় প্রত্যেক কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ফেনীতে শিশু নাশিদ হত্যার আসামিদের মৃত্যুদন্ড রায় দিলেন আদালত

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
print news

তিমির চন্দ্র দাস,
ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী:

ফেনীতে শিশু নাশিদ হত্যা মামলা আসামিদের মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষনা দিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত ফেনী।

২৯ই জানুয়ারী বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত এর বিচারক এ.এন.এম.মোরশেদ খাঁন শিশু নাশিদ হত্যার আসামীদের মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষণা করেন।

১২ই ডিসেম্বর ২০২৪ সালে চাঞ্চল্যকর অপহরণকৃত শিশু নাশিদ (১০) হত্যার পর লাশ ফেনী পুর্ব দেবীপুরের রেললাইনের পাশের কচুরিপানা ঢোবা থেকে স্কুল ব্যাগে পাথর রাখা অবস্থায় পুলিশ শিশু নাশিদের লাশ উদ্ধার করেন।

শিশু নাশিদ ফেনী গ্রামার স্কুলের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র, ৮ই ডিসেম্বর ২০২৪ শিবলু সড়কের কোচিং সেন্টার এ যাওয়ার পথে তুষার ও ওয়াসি মিলে কিডন্যাপ করে, তাকে কিডন্যাপ করে দেবীপুরের রেললাইনের কাছে নিয়ে যায়, প্রথমে রিফাত কে ডেকে নিয়ে আসে।

তুষারের কথায় ওয়াসি দোকান থেকে জুস নিয়ে আসে, জুসের মধ্যে ঘুমের ঔষুধ মিক্স করে নাশিদকে অজ্ঞান করেন দুষ্কৃতিকাররা, নাশিদ অজ্ঞান অবস্থায় অন্য আরেকটি এলাকায় ঝাউ বাগানের একটি ঘরে আটক করে রাখেন।

নাশিদ ঘুম থেকে উঠার পর তাকে দুষ্কৃতিকারীরা সবাই মিলে হাত পা ও গলা চিপে ধরে হত্যা করেন, হত্যার পর নাশিদকে দেবীপুরের রেললাইনের পাশের কচুরিপানা ডোবায় লাশ গুম করেন, পরবর্তীতে পুলিশ হত্যা কারীদের গ্রেফতার করলে আসামিদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক নাশিদ এর লাশ পুলিশ উদ্ধার করে।

প্রায় ১ বছর ২ মাস পর নাশিদ হত্যার এই বিচারের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত এর বিচারক এ.এন.এম.মোরশেদ খাঁন মামলাটি চার্জ গঠন ও ২১ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষর উপর ভিত্তি করে আসামী তুষার, ওয়াসিম, ও রিফাতকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা মোতাবেক মৃত্যুদন্ড, ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ বছর কারাদণ্ড প্রাদান করেন, দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় প্রত্যেক কে ৭ বছর কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৩ মাস কারাদণ্ড রায় প্রদান করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৮ ধারায় প্রত্যেক কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।