শেরপুরে ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণের লীলা কীর্তন।
- আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২১৬ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া শেরপুর সান্যালপাড়া শ্রী শ্রী কালাচাঁদ মন্দির অঙ্গনে শ্রী শ্রী গোবিন্দ কাঙ্গাল ভক্তবৃন্দদের আয়োজনে, ৬৪ প্রহর (০৮) দিন ব্যাপী শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণের লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়।
এই নীলা কীর্তন শেরপুর পৌরসভার তথা উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলীদ বৃহৎ ধর্মসভা, প্রতিবছর বাংলার সনের ভাদ্র মাসে নীলা কীর্তনটি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় লোকজন আয়োজন করেন। এই কীর্তনে স্থানীয়রা ছাড়াও বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে হাজার হাজার ধর্ম ভীরু ভক্তবৃন্দের আগমন ঘটে। আগত ভক্তবৃন্দদের মাঝে তিন বেলা খাবার পরিবেশন করা হয় যা কাঙ্গালি ভোজ নামে পরিচিত। এছাড়াও কীর্তন উপভোগ করার জন্য সুন্দর মনোরম পরিবেশ করা হয়। এটাকে শুধু কীর্তন বলে ভুল হবে এটা সনাতন ধর্মাবলীদের একটি মিলনমেলার স্থল। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীর দিন থেকে শুরু করে শেষ অব্দি বিরতিহীন ভাবে এই যজ্ঞাঅনুষ্ঠান চলতে থাকে। বর্তমানে এই যজ্ঞাঅনুষ্ঠান বর্তমান হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মের দিকে আকৃষ্ট করে এবং ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মৃতি বহন করে।
শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণের এই নীলা কীর্তন এর অনুষ্ঠানে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রাত্রী ০৩ ঘটিকার সময় অতিথি হিসেবে পদচরণ করেন, জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা শেরপুর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শেরপুর পৌরসভার বারবার নির্বাচিত সাবেক মেয়র শেরপুর ধুনটের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা আলহাজ্ব জানে আলম খোকা। এ সময় তিনি আগত ভক্তবৃন্দদের উদ্দেশ্যে বলেন, শেরপুর উপজেলার মাটিতে সম্প্রীতি যে বন্ধন রয়েছে তা কখনোই বিলীন হতে দিব না। শুধু আমি না আমার মত অনেকেই আছে যারা এই সম্প্রীতির বন্ধন ভাঙতে দেবে না। তবে এই সম্প্রীতির বন্ধন রোক্ষণ রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন শেরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি স্বাধীন কুমার কুন্ডু,, শেরপুর পৌর বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জসিম মন্ডল সহ আরো অনেকে।
শিশির ভেজা সকালে কীর্তনে আসা সকল ভক্তবৃন্দরা নানা ধরনের সাজসজ্জায় পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে মহাযজ্ঞের পরিসমাপ্তি ঘটে।






















