ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কমলাপুর টিটি পাড়া আন্ডারপাসে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য চাপাতির ভয় দেখিয়ে পথচারীর কাছ থেকে লক্ষ টাকা ছিনতাই সুনামগঞ্জে বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নববধূ নিখোঁজ চাটখিলে বাড়ির চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, কয়েক বছর ধরে দুর্ভোগে একটি পরিবার খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে আগামীকাল দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা রাজাপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে প্রাইভেট কার, দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু সিলেট নগরী থেকে ইয়াবা সহ আটক-১ রূপগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিক নিহত দগ্ধ ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক পানি নিষ্কাশনের কালভার্টের মুখ বন্ধ করে জায়গা ভরাট ভোগান্তিতে কৃষকরা ফটিকছড়িতে ভিডিও ফাঁসের হুমকি দিয়ে নারীকে ব্ল্যাকমেইলে গ্রেফতার-৬

নগরীর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু হত‍্যার রায় ৫ বছর পর প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫ ৬৮৩ বার পড়া হয়েছে

নগরীর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু হত‍্যার রায় ৫ বছর পর প্রকাশ

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

রংপুর নগরীর দক্ষিণ মুলাটোল এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু (৭০) নামের এক বৃদ্ধা নারীকে হত্যার দায়ে আরমান আলী (৩২) নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে আরও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত অভিযুক্ত আরমান আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আরমান আলী নগরীর আনছারী মোড়ের রমজান আলীর ছেলে।
পরে পুলিশি পাহারায় তাঁকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৯ মে রংপুর নগরীর দক্ষিণ মুলাটোল এলাকায় নিজ বাসায় আনজুমান বানুকে (৭০) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আনজুমান বানু ছিলেন ভূমি অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। ঘটনার সময় তিনি বাসায় একাই ছিলেন। পরের দিন নিহতের জামাতা এনায়েত হোসেন মহন কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আরমান আলী এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান বলেন, রায়ে আমরা অসন্তুষ্ট। কেননা আমার মক্কেল আরমান আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও সেটি ছিল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দেওয়া। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব। আশা করছি সেখানে ন্যায় বিচার পাবো।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদি বেলাল রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বৃদ্ধা আনজুমান বানুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সেই সময় সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলাম। আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা ন্যায়বিচারের একটি মাইলফলক এবং আইনের শাসনের প্রতি আস্থার জায়গা আরও মজবুত করবে আশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নগরীর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু হত‍্যার রায় ৫ বছর পর প্রকাশ

আপডেট সময় : ১০:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

রংপুর নগরীর দক্ষিণ মুলাটোল এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু (৭০) নামের এক বৃদ্ধা নারীকে হত্যার দায়ে আরমান আলী (৩২) নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে আরও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত অভিযুক্ত আরমান আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আরমান আলী নগরীর আনছারী মোড়ের রমজান আলীর ছেলে।
পরে পুলিশি পাহারায় তাঁকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৯ মে রংপুর নগরীর দক্ষিণ মুলাটোল এলাকায় নিজ বাসায় আনজুমান বানুকে (৭০) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আনজুমান বানু ছিলেন ভূমি অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। ঘটনার সময় তিনি বাসায় একাই ছিলেন। পরের দিন নিহতের জামাতা এনায়েত হোসেন মহন কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আরমান আলী এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান বলেন, রায়ে আমরা অসন্তুষ্ট। কেননা আমার মক্কেল আরমান আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও সেটি ছিল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দেওয়া। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব। আশা করছি সেখানে ন্যায় বিচার পাবো।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদি বেলাল রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বৃদ্ধা আনজুমান বানুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সেই সময় সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলাম। আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা ন্যায়বিচারের একটি মাইলফলক এবং আইনের শাসনের প্রতি আস্থার জায়গা আরও মজবুত করবে আশা করছি।