প্রায় ৪ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র একটি গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘ ১২ বছর পর অবমুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন
- আপডেট সময় : ০৯:২৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
প্রায় ৪ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র একটি গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘ ১২ বছর পর অবমুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।
প্রায় ৪ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র একটি গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘ ১২ বছর পর অবমুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন। এতে স্থানীয়রা আনন্দিত হলেও সড়কটির সংস্কার নিয়ে রয়েছেন দুঃশ্চিন্তায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ফসলি জমির মাঝ দিয়ে আঁকাবাকা করে টাঙানো হয়েছে লাল নিশানা। দেখে বোঝার উপায় নেই এটি একটি গ্রামীণ সড়ক। দীর্ঘ ১২ বছরে সড়কটি কেটে আবাদি জমিতে পরিনত করেছে একটি প্রভাবশালী মহল।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের ডাংহাট এলাকার সরকারি রেকর্ড ভুক্ত ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের গ্রামীণ একটি সড়ক ক্ষমতার অপব্যবহারে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে কেটে কেটে ফসলি জমিতে পরিনত করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। প্রতিবাদ করতে না পারায় চরম বেকায়দায় পরে হাজারও মানুষ। পরে সড়কটি না থাকায় ফসলি জমির মাঠ দিয়ে চলাচল শুরু করে ভুক্তভোগীরা। পরে গর্ভবতী নারী ও স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অতিকষ্টে যাতায়াত সচল রাখলেও বর্ষা মৌসুমে পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে। এমন পরিস্থিতি সড়কটি অবমুক্ত করায় খুশি ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীরা জানান, ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি আব্দুস সালাম মাষ্টার এবং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোহেল রানার ক্ষমতার দাপটে কেউ মুখ খুলতে পারত না। এমন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ১২ বছরে সড়কটি কেটে ফসলি জমিতে পরিনত করে ফেলেছে তারা।
আলিয়া বানু নামের এক নারী বলেন, রাস্তাটা না থাকার কারণে খুব কষ্ট ছিল। ছেলে মেয়েরা স্কুল কলেজ যাইতে পারতো না। এখন রাস্তা উদ্ধার হইছে খুব খুশি আমরা। সরকার যদি রাস্তাটা মাটি কেটে ভরাই দেয়, আমাদের আর কিছু চাওয়ার নাই।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশাদুল হক জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে জনগণের দুর্ভোগ কমাতে দখল হয়ে যাওয়া সরকারি রেকর্ড ভুক্ত সড়কটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






















