মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে দিল্লি পুলিশি বাধার মুখে অঙ্কিতার বাবা-মা
- আপডেট সময় : ১১:৩৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

উত্তরাখণ্ডে ২০২২ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৯ বছর বয়সী অঙ্কিতা ভাণ্ডারীর বিচার চেয়ে দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছিলেন তার বাবা-মা। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে দিল্লি পুলিশ তাদের আটক করে। তাদের সঙ্গে কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকেও আটক করা হয়, যাদের মধ্যে ছিলেন পবন খেড়া, সুপ্রিয়া শ্রীনতে এবং উদয়ভানু চিব। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
অঙ্কিতার বাবা-মা জানিয়েছেন, মেয়ের বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। অঙ্কিতার মা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবস্থান ধর্মঘট করতে না দিলে তারা বাড়িতেই অনশন শুরু করবেন। এদিকে, এই আটকের সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে কংগ্রেস অভিযোগ করেছে যে, ভিআইপি দুষ্মন্ত গৌতমকে বাঁচাতে সরকার সব সীমা অতিক্রম করেছে।
২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উত্তরাখণ্ডের হৃষীকেশের একটি রিসোর্টে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত অঙ্কিতা নিখোঁজ হন। ছয়দিন পর খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, ওই রিসোর্টে অঙ্কিতাকে যৌন কাজে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং ভিআইপির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজি না হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়। রিসোর্টের ম্যানেজার পুলকিত আর্য, যিনি সাবেক বিজেপি নেতা বিনোদ আর্যের ছেলে, বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
অঙ্কিতার পরিবারের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিজেপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও তফসিলি জাতি মোর্চার সাবেক প্রেসিডেন্ট দুষ্মন্ত গৌতমের যোগসূত্র রয়েছে। সম্প্রতি তাকে সিকিমের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিবারের দাবি, সিবিআই তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত এই নিয়োগ স্থগিত রাখা হোক। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সারাদেশে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অঙ্কিতার বাবা। এদিকে, বুধবার সন্ধ্যায় অঙ্কিতার বাবা-মায়ের অবস্থানে যোগ দিয়ে সংহতি জানিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।



























