পরিচালক কামাল হোসেন বাবরের বিরুদ্ধে অধরা খানের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১২:৪৬:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

পরিচালক কামাল হোসেন বাবরের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণ ও যথাযথ যোগাযোগের অভাবের অভিযোগ তুলে ‘ভায়োলেন্স’ সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী অধরা খান। গত আগস্টের শেষ দিকে সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলেও, অধরা দাবি করেছেন তিনি অনেক আগেই এই প্রজেক্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় এতদিন তিনি বিষয়টি নিয়ে নীরব ছিলেন।
রবিবার (১১ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে অভিনেত্রী তার সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি লেখেন, “আপনাদের অনেকেই জানতে চেয়েছেন, কেন আমি ‘ভায়োলেন্স’ সিনেমা থেকে সরে দাঁড়িয়েছি! পরিচালকের অপেশাদার আচরণ ও যথাযথ যোগাযোগের অভাবে আমি অনেক আগেই সিনেমাটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে জানানো হলেও তাদের পক্ষ হতে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না আসায়, আমার ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সম্মানিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করছি।”
অধরা জানান, এই ঘটনার কারণে তাকে বড় ধরনের আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি এতদিন নীরব ছিলাম, কারণ আমার বক্তব্যের কারণে সিনেমাটির চলমান শুটিং কিংবা এর সঙ্গে যুক্ত সহশিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক, তা চাইনি। তবে এই অভিজ্ঞতার কারণে আমাকে বড় ধরনের আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। ‘ভায়োলেন্স’ এর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে হলিউডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ গ্রহণ করতে পারিনি।”
চুক্তিগত গোপনীয়তার কারণে আন্তর্জাতিক প্রজেক্টগুলোর নাম প্রকাশ করতে না পারলেও অধরা জানান, এই সিনেমার কারণে অন্যান্য কাজের শিডিউল মেলাতে না পারায় তিনি কাস্টিং ডিরেক্টর ও এজেন্সির কাছ থেকে সতর্কবার্তা পেয়েছেন। এছাড়া শুটিংয়ের মাত্র একদিন আগে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করাকেও তিনি অত্যন্ত হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেন। বাংলা সিনেমার প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি এই প্রজেক্টে যুক্ত হয়েছিলেন।
পরিশেষে অভিনেত্রী এটিকে নিজের ক্যারিয়ারের একটি বড় শিক্ষা হিসেবে উল্লেখ করে লেখেন, “এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য একটি বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে। যথাযথ পেশাদারিত্ব, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্মানের বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে বিবেচনা না করে এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়াকে আমি আমার ক্যারিয়ারের একটি বড় ‘ভুল’ হিসেবেও দেখছি। পারস্পরিক সম্মান ও পেশাদারিত্ব কখনোই একতরফা হওয়া উচিত নয়। আশা করি, আমার বক্তব্যকে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ব্যাখ্যা হিসেবেই দেখবেন।”



























