ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যবসায় প্রতারণা ও অসততায় যেভাবে হালাল উপার্জন হারামে রূপ নেয় আবারও মোশাররফ করিমের সঙ্গে পর্দায় নীলাঞ্জনা নীলা আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস: বাল্যবিয়ে রোধে বিশেষ গুরুত্ব ২৫ কোটির বাজেটে ৩৩০ কোটি আয় করে রেকর্ড গড়ল ‘বেথলেহেম কুদুম্বা ইউনিট’ ওমান উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ অচল করার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে নিজের বাল্যবিবাহ রুখে দিল তানিয়া উৎপাদন খরচ ও দরপতনের চাপে ঈশ্বরদীতে শিম চাষ ৩৬ শতাংশ কমেছে ওষুধের দাম সাধারণের নাগালে রাখতে উৎপাদন ব্যয় কমানোর তাগিদ ইউজিসি চেয়ারম্যানের শিক্ষার মানোন্নয়নে ওবিই কারিকুলামের সঠিক বাস্তবায়ন জরুরি: বাউবি উপাচার্য পুরস্কার উৎসর্গ করে রাফীকে মঞ্চে ডাকলেন তমা মির্জা

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক: বন্দর বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



তিন বছর বিরতির পর নয়াদিল্লিতে আবার শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ কর্মদলের বৈঠক। দুই দিনের এই ১৬তম বৈঠকের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ভারতের বন্দর-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করেছে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে আমদানি-রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ, পণ্যের মানদণ্ডের সমন্বয় এবং বাণিজ্য সহজীকরণসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই বৈঠক শুক্রবারও চলমান থাকবে। বাংলাদেশের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এফটিএ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তার। প্রতিনিধি দলে বাণিজ্য, রেলপথ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

প্রথম দিনের আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু ছিল বন্দর-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার। এর পাশাপাশি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য চলাচল স্বাভাবিক করা, আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমানো এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ করার ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া পণ্যের মানদণ্ডের সমন্বয়, এলসিএসের মাধ্যমে বাণিজ্য সহজীকরণ, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং সাফটা’র উৎপত্তির নিয়মসহ বিভিন্ন কারিগরি ইস্যু নিয়েও দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে।

অন্যদিকে ভারতীয় পক্ষও তুলার সুতার ওপর বাংলাদেশের আরোপিত বন্দর-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে আলোচনা করেছে। পাশাপাশি এসিএমপি, পণ্যের মানদণ্ড, রেলওয়ে এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য পরিবহনসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় স্থান পেয়েছে। বৈঠকে দুই পক্ষই নিয়মিত গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্যসংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

এর আগে ৩ আগস্ট বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যবিষয়ক কারিগরি আলোচনার প্রস্তাব দিলে ১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭ ও ৮ অক্টোবর বৈঠকের বিষয়ে সম্মতি জানায়। পরবর্তীতে প্রতিনিধি দলের যাতায়াতের সুবিধার্থে সূচি একদিন পিছিয়ে ৮ ও ৯ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য, দুই দেশের বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ কর্মদলের সর্বশেষ বৈঠকটি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক: বন্দর বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৪৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

তিন বছর বিরতির পর নয়াদিল্লিতে আবার শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ কর্মদলের বৈঠক। দুই দিনের এই ১৬তম বৈঠকের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ভারতের বন্দর-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করেছে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে আমদানি-রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ, পণ্যের মানদণ্ডের সমন্বয় এবং বাণিজ্য সহজীকরণসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই বৈঠক শুক্রবারও চলমান থাকবে। বাংলাদেশের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এফটিএ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তার। প্রতিনিধি দলে বাণিজ্য, রেলপথ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

প্রথম দিনের আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু ছিল বন্দর-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার। এর পাশাপাশি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য চলাচল স্বাভাবিক করা, আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমানো এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ করার ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া পণ্যের মানদণ্ডের সমন্বয়, এলসিএসের মাধ্যমে বাণিজ্য সহজীকরণ, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং সাফটা’র উৎপত্তির নিয়মসহ বিভিন্ন কারিগরি ইস্যু নিয়েও দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে।

অন্যদিকে ভারতীয় পক্ষও তুলার সুতার ওপর বাংলাদেশের আরোপিত বন্দর-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে আলোচনা করেছে। পাশাপাশি এসিএমপি, পণ্যের মানদণ্ড, রেলওয়ে এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য পরিবহনসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় স্থান পেয়েছে। বৈঠকে দুই পক্ষই নিয়মিত গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্যসংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

এর আগে ৩ আগস্ট বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যবিষয়ক কারিগরি আলোচনার প্রস্তাব দিলে ১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭ ও ৮ অক্টোবর বৈঠকের বিষয়ে সম্মতি জানায়। পরবর্তীতে প্রতিনিধি দলের যাতায়াতের সুবিধার্থে সূচি একদিন পিছিয়ে ৮ ও ৯ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য, দুই দেশের বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ কর্মদলের সর্বশেষ বৈঠকটি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin