ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি, সুদের হার ও নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক চাপ মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে দিল্লি পুলিশি বাধার মুখে অঙ্কিতার বাবা-মা লামায় নিখোঁজ তিন স্কুলছাত্রী ৫ দিন পর চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার রাজস্ব ঘাটতিতে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ বাড়ছে রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু মন্দিরে হামলার ষড়যন্ত্র, ১৯ বছর বয়সি তরুণ গ্রেপ্তার ২০৫০ সালের মধ্যে ১৯ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন সাবেক গোয়েন্দা প্রধান রোনেন বার হরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজ ডুবি, বাড়ছে বাণিজ্যিক নৌপথে হামলার তীব্রতা রেজিস্ট্রেশন কার্ড আনতে গিয়ে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ শিক্ষার্থী

জিয়াউলের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত: প্রসিকিউটর তামিম

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

প্রসিকিউটর তামিম জানান, এই মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তাদের সাক্ষ্যের মাধ্যমেই জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনীত প্রতিটি অভিযোগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তৎকালীন সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনাবাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসান কীভাবে একজন ‘কিলার’ হয়ে উঠেছিলেন এবং র‍্যাবের কর্মকর্তারা কীভাবে ধীরে ধীরে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছিলেন, সেই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে।

বুধবার মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের জবানবন্দি গ্রহণ শুরু হয়। প্রসিকিউটর তামিম জানান, তদন্তকালে কীভাবে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে, কার কার জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে, কোথায় কোথায় যাওয়া হয়েছে এবং কী ধরনের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে—তদন্ত কর্মকর্তা তার জবানবন্দিতে এসব বিষয় তুলে ধরছেন।

তবে এদিন জবানবন্দি শেষ না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল এর পরবর্তী অংশ গ্রহণের জন্য আগামী রবিবার (৪ অক্টোবর) দিন ধার্য করেছেন। প্রসিকিউটর তামিম জানান, তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষ হলে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হবে। এরপর আসামিপক্ষ চাইলে তাদের সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে পারবেন এবং সবশেষে মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

জিয়াউলের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত: প্রসিকিউটর তামিম

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

প্রসিকিউটর তামিম জানান, এই মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তাদের সাক্ষ্যের মাধ্যমেই জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনীত প্রতিটি অভিযোগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তৎকালীন সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনাবাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসান কীভাবে একজন ‘কিলার’ হয়ে উঠেছিলেন এবং র‍্যাবের কর্মকর্তারা কীভাবে ধীরে ধীরে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছিলেন, সেই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে।

বুধবার মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের জবানবন্দি গ্রহণ শুরু হয়। প্রসিকিউটর তামিম জানান, তদন্তকালে কীভাবে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে, কার কার জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে, কোথায় কোথায় যাওয়া হয়েছে এবং কী ধরনের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে—তদন্ত কর্মকর্তা তার জবানবন্দিতে এসব বিষয় তুলে ধরছেন।

তবে এদিন জবানবন্দি শেষ না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল এর পরবর্তী অংশ গ্রহণের জন্য আগামী রবিবার (৪ অক্টোবর) দিন ধার্য করেছেন। প্রসিকিউটর তামিম জানান, তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষ হলে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হবে। এরপর আসামিপক্ষ চাইলে তাদের সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে পারবেন এবং সবশেষে মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin