ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ মন্তব্য করা ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন, ব্লক রেইডে গ্রেপ্তার ৩ নেতা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গত শুক্রবার থেকে রোববার বিকেল পর্যন্ত রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশে ব্যাপক নাশকতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে রাজধানীর ১৫টি স্থানে ২২টি ককটেল বিস্ফোরণ এবং ১০টি বাস ও একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে ব্লক রেইড শুরু করেছে। নাশকতার অভিযোগে ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে এই তাণ্ডব শুরু হয়। ওইদিন দুপুর ২টায় মালিবাগ ফরচুন শপিং মল ও সোহাগ কাউন্টারের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এরপর সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহাখালী ফ্লাইওভার ও আগারগাঁও বেতার ভবনের সামনে তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে। সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটক ও চৌরাস্তার ট্রাফিক বক্সের সামনে, যেখানে পর পর চারটি ককটেল বিস্ফোরণে ইবাদুর রহমান নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে মাজার, মগবাজার চৌরাস্তা জামে মসজিদ, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, সায়েন্স ল্যাব ও রামপুরা বিটিভি ভবনের সামনে আরও ছয়টি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া শুক্রবার রাতেই কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক পরিবহন, কলেজগেট ও চিটাগাং রোড হাইওয়েতে তিনটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়া হয়।

শনিবার দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মিরপুর-১ নম্বরে অভিজাত পরিবহন এবং পল্লবী-১১ নম্বরে শিকড় পরিবহনের দুটি চলন্ত বাসে যাত্রীবেশে উঠে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। একই সময়ে মধ্য বাড্ডা ইউলুপের নিচে আলিফ পরিবহনের একটি স্টাফ বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে জব্দ করা একটি পিকআপে এবং রাতে প্রগতি সরণি ও মাতুয়াইল এলাকায় আরও দুটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ ও রাজবাড়ীতে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি বাসেও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। শনিবার সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী মোড়ে সামাদ সুপার মার্কেটের সামনে চারটি ককটেল বিস্ফোরণে বিল্লাল নামে এক রিকশাচালক আহত হন। শনিবার গভীর রাতে শাহবাগে তিন নেতার মাজার ও কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফরমে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। রোববারও নাশকতা অব্যাহত ছিল; দুপুর সোয়া ১টায় হাইকোর্টের সামনে, দেড়টায় মৎস্য ভবন মোড়ে এবং বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর প্রবেশমুখ ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ২১০টি চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। ফ্লাইওভারের ওপর থেকেও নজরদারি করা হচ্ছে। পল্টন, গুলিস্তান, মহাখালী, মিরপুর ও যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার শতাধিক হোটেল, মেস ও বাসাবাড়িতে রাতভর ব্লক রেইড চালিয়ে সন্দেহভাজনদের আটক করা হয়েছে। কিছু বাসা থেকে অবিস্ফোরিত ককটেল, পেট্রোল বোমা ও সরকারবিরোধী লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪৮ নম্বর ওয়ান্দের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে শনিবার ভোরে ৪টি ককটেল ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া আজিমপুরে বাসে আগুন দেওয়ার সময় এক যুবলীগ নেতাকে হাতেনাতে এবং ধানমণ্ডিতে নাশকতায় জড়িত থাকার সন্দেহে আরেক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, বিদেশে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশেই এই নাশকতা চালানো হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ নেতা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বার্তার পর দলীয় গ্রুপে আতঙ্ক তৈরির নির্দেশনা আসে, যার মূল টার্গেট ছিল থানা ও গণপরিবহন। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, এই নাশকতার পেছনে অর্থায়ন, বোমা তৈরি ও মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন—এই তিন স্তর কাজ করছে। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত এই দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় না আনলে জননিরাপত্তা বড় হুমকির মুখে পড়বে।

এদিকে যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম এক জরুরি নির্দেশনায় পরিবহনগুলোকে রাস্তার পাশে বা নির্জন স্থানে পার্কিং না করে বাধ্যতামূলকভাবে নিজস্ব ডিপো, গ্যারেজ বা টার্মিনালে পাহারায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের তথাকথিত লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই অপতৎপরতা চালানো হয়েছে। তবে জনগণ ও সরকার এতে মোটেও শঙ্কিত নয়। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বাকিদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন, ব্লক রেইডে গ্রেপ্তার ৩ নেতা

আপডেট সময় : ০২:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত শুক্রবার থেকে রোববার বিকেল পর্যন্ত রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশে ব্যাপক নাশকতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে রাজধানীর ১৫টি স্থানে ২২টি ককটেল বিস্ফোরণ এবং ১০টি বাস ও একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে ব্লক রেইড শুরু করেছে। নাশকতার অভিযোগে ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে এই তাণ্ডব শুরু হয়। ওইদিন দুপুর ২টায় মালিবাগ ফরচুন শপিং মল ও সোহাগ কাউন্টারের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এরপর সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহাখালী ফ্লাইওভার ও আগারগাঁও বেতার ভবনের সামনে তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে। সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটক ও চৌরাস্তার ট্রাফিক বক্সের সামনে, যেখানে পর পর চারটি ককটেল বিস্ফোরণে ইবাদুর রহমান নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে মাজার, মগবাজার চৌরাস্তা জামে মসজিদ, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, সায়েন্স ল্যাব ও রামপুরা বিটিভি ভবনের সামনে আরও ছয়টি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া শুক্রবার রাতেই কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক পরিবহন, কলেজগেট ও চিটাগাং রোড হাইওয়েতে তিনটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়া হয়।

শনিবার দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মিরপুর-১ নম্বরে অভিজাত পরিবহন এবং পল্লবী-১১ নম্বরে শিকড় পরিবহনের দুটি চলন্ত বাসে যাত্রীবেশে উঠে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। একই সময়ে মধ্য বাড্ডা ইউলুপের নিচে আলিফ পরিবহনের একটি স্টাফ বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে জব্দ করা একটি পিকআপে এবং রাতে প্রগতি সরণি ও মাতুয়াইল এলাকায় আরও দুটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ ও রাজবাড়ীতে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি বাসেও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। শনিবার সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী মোড়ে সামাদ সুপার মার্কেটের সামনে চারটি ককটেল বিস্ফোরণে বিল্লাল নামে এক রিকশাচালক আহত হন। শনিবার গভীর রাতে শাহবাগে তিন নেতার মাজার ও কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফরমে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। রোববারও নাশকতা অব্যাহত ছিল; দুপুর সোয়া ১টায় হাইকোর্টের সামনে, দেড়টায় মৎস্য ভবন মোড়ে এবং বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর প্রবেশমুখ ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ২১০টি চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। ফ্লাইওভারের ওপর থেকেও নজরদারি করা হচ্ছে। পল্টন, গুলিস্তান, মহাখালী, মিরপুর ও যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার শতাধিক হোটেল, মেস ও বাসাবাড়িতে রাতভর ব্লক রেইড চালিয়ে সন্দেহভাজনদের আটক করা হয়েছে। কিছু বাসা থেকে অবিস্ফোরিত ককটেল, পেট্রোল বোমা ও সরকারবিরোধী লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪৮ নম্বর ওয়ান্দের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে শনিবার ভোরে ৪টি ককটেল ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া আজিমপুরে বাসে আগুন দেওয়ার সময় এক যুবলীগ নেতাকে হাতেনাতে এবং ধানমণ্ডিতে নাশকতায় জড়িত থাকার সন্দেহে আরেক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, বিদেশে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশেই এই নাশকতা চালানো হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ নেতা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বার্তার পর দলীয় গ্রুপে আতঙ্ক তৈরির নির্দেশনা আসে, যার মূল টার্গেট ছিল থানা ও গণপরিবহন। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, এই নাশকতার পেছনে অর্থায়ন, বোমা তৈরি ও মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন—এই তিন স্তর কাজ করছে। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত এই দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় না আনলে জননিরাপত্তা বড় হুমকির মুখে পড়বে।

এদিকে যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম এক জরুরি নির্দেশনায় পরিবহনগুলোকে রাস্তার পাশে বা নির্জন স্থানে পার্কিং না করে বাধ্যতামূলকভাবে নিজস্ব ডিপো, গ্যারেজ বা টার্মিনালে পাহারায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের তথাকথিত লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই অপতৎপরতা চালানো হয়েছে। তবে জনগণ ও সরকার এতে মোটেও শঙ্কিত নয়। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বাকিদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin