ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ মন্তব্য করা ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে দোটানায় নির্বাচন কমিশন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে দোটানায় পড়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মধ্য নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপ আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও, বর্তমানে কমিশন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অবস্থায় নেই। গতকাল নির্বাচন ভবনে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মতামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বৈঠক সূত্র জানায়, এ বছর নির্বাচন শুরু করা নিয়ে কমিশনের ভেতরেই সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পরীক্ষা থাকায় নির্বাচন আয়োজন জটিল হয়ে পড়েছে। শিক্ষা সচিব বৈঠকে জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি। এছাড়া ভোটগ্রহণের জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে পরীক্ষার কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এসব বিবেচনায় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কমিশনকে সতর্ক করেছে।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, আগামী বছরের জুন মাসের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে কমিশনের। তিনি বলেন, নভেম্বর-ডিসেম্বর জুড়ে পরীক্ষা, ফেব্রুয়ারিতে রোজা এবং এরপর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার কারণে সময় বের করা কঠিন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনী প্রশিক্ষণের জন্য একজন শিক্ষককে অন্তত এক সপ্তাহ সময় দিতে হয়, যা পরীক্ষার প্রস্তুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এ বছর ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি তাদের নেই। ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তুত হতে কতদিন সময় লাগবে, তা জানাতে সরকার পক্ষ একমাস সময় চেয়েছে। এর আগে সোমবার কমিশনার সানাউল্লাহ ১২ই নভেম্বর থেকে প্রথম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছিলেন এবং মোট সাত ধাপে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট করার প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোটের মধ্যদিয়ে এবারের ইউপি নির্বাচন শুরু হবে এবং মোট ৬ ধাপে বাকি নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পরে জানিয়েছিলেন যে এ বিষয়ে সরকার বা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো চূড়ান্ত তথ্য নেই।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইজিপি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বাহিনীর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কমিশন এখন অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের বাজেট ও সময়সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে দোটানায় নির্বাচন কমিশন

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে দোটানায় পড়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মধ্য নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপ আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও, বর্তমানে কমিশন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অবস্থায় নেই। গতকাল নির্বাচন ভবনে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মতামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বৈঠক সূত্র জানায়, এ বছর নির্বাচন শুরু করা নিয়ে কমিশনের ভেতরেই সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পরীক্ষা থাকায় নির্বাচন আয়োজন জটিল হয়ে পড়েছে। শিক্ষা সচিব বৈঠকে জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি। এছাড়া ভোটগ্রহণের জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে পরীক্ষার কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এসব বিবেচনায় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কমিশনকে সতর্ক করেছে।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, আগামী বছরের জুন মাসের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে কমিশনের। তিনি বলেন, নভেম্বর-ডিসেম্বর জুড়ে পরীক্ষা, ফেব্রুয়ারিতে রোজা এবং এরপর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার কারণে সময় বের করা কঠিন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনী প্রশিক্ষণের জন্য একজন শিক্ষককে অন্তত এক সপ্তাহ সময় দিতে হয়, যা পরীক্ষার প্রস্তুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এ বছর ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি তাদের নেই। ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তুত হতে কতদিন সময় লাগবে, তা জানাতে সরকার পক্ষ একমাস সময় চেয়েছে। এর আগে সোমবার কমিশনার সানাউল্লাহ ১২ই নভেম্বর থেকে প্রথম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছিলেন এবং মোট সাত ধাপে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট করার প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোটের মধ্যদিয়ে এবারের ইউপি নির্বাচন শুরু হবে এবং মোট ৬ ধাপে বাকি নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পরে জানিয়েছিলেন যে এ বিষয়ে সরকার বা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো চূড়ান্ত তথ্য নেই।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইজিপি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বাহিনীর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কমিশন এখন অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের বাজেট ও সময়সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin