ইসরায়েলের কাছে রেকর্ড পরিমাণ ধ্বংসাত্মক বোমা বিক্রির পরিকল্পনা ট্রাম্পের
- আপডেট সময় : ০১:২৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলের কাছে ২৮০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের একটি বিশাল অস্ত্র প্যাকেজ বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বড় অস্ত্র সরবরাহ চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় মোট ৪০ হাজারটি এক টন ওজনের শক্তিশালী বোমা ইসরায়েলের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন করদাতাদের অর্থায়নে তৈরি এই প্যাকেজে পশ্চিমা দেশগুলোর অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক কিছু যুদ্ধাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার এমকে-৮৪ বোমা, ২০ হাজার বিএলইউ-১১৭ বোমা এবং ২০ হাজার আই-২০০০ পেনিট্রেটর ওয়ারহেড রয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।
এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিদেশে অস্ত্র বিক্রির সব প্রস্তাবই যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। তবে বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন কোনো নির্দিষ্ট চুক্তি নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। একই কথা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র; তিনি জানান, কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত না করা পর্যন্ত কোনো প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রি নিয়ে দপ্তর থেকে নীতিগত মন্তব্য করার নিয়ম নেই।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সামরিক অস্ত্রভাণ্ডারে গোলাবারুদের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলের জন্য এই বিশাল অস্ত্র প্যাকেজের খবর সামনে এল। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে। এছাড়া চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে দেশটি গোলাবারুদের পেছনে ২২৩০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের কাছে ৭৪০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল, যার মধ্যেও এমকে-৮৪ বোমা অন্তর্ভুক্ত ছিল। উল্লেখ্য, গাজায় বেসামরিক প্রাণহানি নিয়ে উদ্বেগের কারণে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমার একটি চালান আটকে দিয়েছিল, যা ২০২৫ সালের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর সরবরাহের অনুমোদন পায়।



























