ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

হামজা চৌধুরীর জনপ্রিয়তায় রেকর্ড জার্সি বিক্রি বাংলাদেশ দলের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কোনো তারকা খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা মাপার অন্যতম বড় সূচক হলো তার জার্সি বিক্রির পরিমাণ। আর বাংলাদেশে বর্তমানে এই জনপ্রিয়তার কেন্দ্রে রয়েছেন হামজা চৌধুরী। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলা এই তারকা বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামার পর থেকেই দেশের ফুটবলে এক নতুন উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। এই প্রভাব সরাসরি পড়েছে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রির পরিসংখ্যানে। বর্তমানে দেশের ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে হামজার নাম ও নম্বর সংবলিত জার্সি।

বাফুফের কিট স্পন্সর প্রতিষ্ঠান 'দৌড়'-এর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে প্রায় ৫ হাজার হামজা চৌধুরীর জার্সি বিক্রি হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাফুফের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর শুরুতে জার্সি বিক্রিতে খুব একটা সাড়া না মিললেও হামজার আগমনে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। দৌড়ের দেওয়া তথ্যমতে, গত দেড় বছরে তারা মোট ৩৫ হাজার জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করেছে, যার ২০ শতাংশেরও বেশি ছিল নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর সংবলিত। এই তালিকায় হামজা সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ১ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের অফিশিয়াল জার্সিতে হামজার নাম ও নম্বর যুক্ত করে নিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার সমর্থক। বিক্রির তালিকায় তার পরেই অবস্থান করছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোম।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদ আলম চৌধুরী জানান, হামজার আগমনে দেশের ফুটবলে যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তাতে জার্সির চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এই চাহিদার মধ্যেই দৌড় সম্প্রতি নতুন ডিজাইনের জাতীয় দলের জার্সি উন্মোচন করেছে, যার জন্য ইতিমধ্যে এক হাজারের বেশি অর্ডার পাওয়া গেছে। আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে এই চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের লক্ষ্য হলো এক বছরে এক লাখ জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করা।

নতুন এই জার্সির নকশা তৈরিতে সমর্থকদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঠানো ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন থেকে ৩৪টি উপাদান নিয়ে চূড়ান্ত নকশা করা হয়েছে, যার মূল ভাবনায় রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলাকে। বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি এই জার্সি আট মিনিটের মধ্যে ঘাম শুকিয়ে ফেলতে সক্ষম। খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি জার্সির দাম ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং সমর্থকদের সংস্করণের মূল্য ৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

হামজা চৌধুরীর জনপ্রিয়তায় রেকর্ড জার্সি বিক্রি বাংলাদেশ দলের

আপডেট সময় : ০২:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কোনো তারকা খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা মাপার অন্যতম বড় সূচক হলো তার জার্সি বিক্রির পরিমাণ। আর বাংলাদেশে বর্তমানে এই জনপ্রিয়তার কেন্দ্রে রয়েছেন হামজা চৌধুরী। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলা এই তারকা বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামার পর থেকেই দেশের ফুটবলে এক নতুন উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। এই প্রভাব সরাসরি পড়েছে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রির পরিসংখ্যানে। বর্তমানে দেশের ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে হামজার নাম ও নম্বর সংবলিত জার্সি।

বাফুফের কিট স্পন্সর প্রতিষ্ঠান 'দৌড়'-এর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে প্রায় ৫ হাজার হামজা চৌধুরীর জার্সি বিক্রি হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাফুফের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর শুরুতে জার্সি বিক্রিতে খুব একটা সাড়া না মিললেও হামজার আগমনে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। দৌড়ের দেওয়া তথ্যমতে, গত দেড় বছরে তারা মোট ৩৫ হাজার জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করেছে, যার ২০ শতাংশেরও বেশি ছিল নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর সংবলিত। এই তালিকায় হামজা সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ১ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের অফিশিয়াল জার্সিতে হামজার নাম ও নম্বর যুক্ত করে নিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার সমর্থক। বিক্রির তালিকায় তার পরেই অবস্থান করছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোম।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদ আলম চৌধুরী জানান, হামজার আগমনে দেশের ফুটবলে যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তাতে জার্সির চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এই চাহিদার মধ্যেই দৌড় সম্প্রতি নতুন ডিজাইনের জাতীয় দলের জার্সি উন্মোচন করেছে, যার জন্য ইতিমধ্যে এক হাজারের বেশি অর্ডার পাওয়া গেছে। আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে এই চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের লক্ষ্য হলো এক বছরে এক লাখ জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করা।

নতুন এই জার্সির নকশা তৈরিতে সমর্থকদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঠানো ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন থেকে ৩৪টি উপাদান নিয়ে চূড়ান্ত নকশা করা হয়েছে, যার মূল ভাবনায় রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলাকে। বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি এই জার্সি আট মিনিটের মধ্যে ঘাম শুকিয়ে ফেলতে সক্ষম। খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি জার্সির দাম ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং সমর্থকদের সংস্করণের মূল্য ৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh