ভৈরবে ৪০ শতাংশ পৌর কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সভা
- আপডেট সময় : ০৩:০৪:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পৌর কর ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে এনসিপি। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন দুর্জয় মোড় নূরানী মসজিদের সামনে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।
উপজেলা এনসিপির সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল হক জয়সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির নেতা এন কে সোহেল ও গণ অধিকার পরিষদের নেতা ইমতিয়াজ আহমেদ কাজলসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সুবিধার অভাব এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নাগরিকরা এমনিতেই সংকটে আছেন। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে ৪০ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধিকে তারা ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বক্তারা আরও বলেন, বর্তমানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই এবং প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সরকারি কর্মকর্তারা সেবা প্রদানে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া এই করের ভার তারা মেনে নেবেন না।
বর্ধিত হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশীদ ‘উপজেলা প্রশাসন ও সাংবাদিক সমাজ’ নামের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তার ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রতি পাঁচ বছর পরপর হোল্ডিং ট্যাক্স পুনরায় অ্যাসেসমেন্ট করার নির্দেশনা রয়েছে এবং চলতি বছরে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ায় এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ট্যাক্স না বাড়লে প্রকল্পগুলোর জন্য বরাদ্দ আসে না। বর্তমানে ৮০ কোটি টাকার বাৎসরিক বাজেটের বিপরীতে ট্যাক্সের পরিমাণ ৫ কোটি টাকারও কম, যার ওপর ভিত্তি করেই বাকি বরাদ্দের সম্ভাবনা নির্ভর করছে।
নাগরিকদের করণীয় বিষয়ে প্রশাসক জানান, নোটিসের বিপরীতে আপত্তি জানানোর সুযোগ ও পদ্ধতি রয়েছে। আপত্তি শুনানির মাধ্যমে বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং প্রক্রিয়া অনুযায়ী এগোলে সমস্যার সমাধান সম্ভব। তাই আপত্তি ফরম ও শুনানি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ৪১আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ৫৩
তিনি বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম, হোল্ডিং ট্যাক্সের বিষয়ে আপনারা সকলে অবগত আছেন (কনসার্নড)। ইতিপূর্বে বাজেট ঘোষণার দিন এ বিষয়ে কিছুটা আলোচনা করা হয়েছিল। প্রতি পাঁচ বছর পরপর হোল্ডিং ট্যাক্স পুনরায় অ্যাসেসমেন্ট (রি-অ্যাসেসমেন্ট) করার একটি নির্দেশনা আছে, যা চলতি বছরে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ায় বাস্তবায়ন করতে হচ্ছে। ট্যাক্স না



























