পদত্যাগ করেও ফেনেরবাচের কোচ থাকছেন ইসমাইল কারতাল
- আপডেট সময় : ১০:৩৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

ইস্তাম্বুলে এএস রোমার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর ফেনেরবাচে কোচ ইসমাইল কারতাল আকস্মিকভাবে তার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে থাকা ইংলিশ ডিফেন্ডার আর্চি ব্রাউন এই খবরে বিস্মিত হন, কারণ তিনি বিষয়টি সম্পর্কে আগে কিছুই জানতেন না। ম্যাচটিতে সমতাসূচক গোলটি করেছিলেন ব্রাউন নিজেই, যা ছিল রোমা গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে দারুণ এক চিপ।
সংবাদ সম্মেলনে কারতাল তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, ক্লাবের জন্য নতুন পথ উন্মুক্ত করতেই এই যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি তার খেলোয়াড় ও ক্লাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আর কখনো না ফেরার কথা জানান। চলতি বছরের জুন মাসে চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করা ৬৫ বছর বয়সী এই কোচ ১৮ বছর পর ক্লাবটিকে চ্যাম্পিয়নস লিগে ফিরিয়েছিলেন। বর্তমানে তুর্কি সুপার লিগে দলটি দুই জয় ও দুই হারে টেবিলের ৯ নম্বরে রয়েছে।
তবে কারতালের এই পদত্যাগ মেনে নিতে নারাজ ফেনেরবাচে সভাপতি আজিজ ইলদিরিম। ক্লাবের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইসমাইল কারতাল এখনো দায়িত্বে আছেন এবং যতদিন তিনি নিজে ক্লাবে থাকবেন, কারতালই প্রধান কোচ হিসেবে বহাল থাকবেন। ইলদিরিম আরও জানান, সংবাদ সম্মেলনের পর তিনি কারতালের সঙ্গে কথা বলেছেন। জানা গেছে, তীব্র মানসিক চাপ এবং ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারি থেকে ছোড়া বোতলের আঘাতে আহত হওয়ার ঘটনা তাকে এই সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।
ক্লাব সভাপতি সমর্থক ও সংবাদমাধ্যমের আচরণের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ক্রমাগত সমালোচনার মাধ্যমে যে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে তা কাম্য নয়। তিনি দুই পক্ষকেই ক্লাবের ভাবমূর্তি রক্ষায় কারতালের প্রতি আরও সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান। বোতল ছোড়ার ঘটনায় জড়িত দর্শককে শনাক্ত করে স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে ক্লাবটি। ইলদিরিম বলেন, আমরা একটি পরিবার এবং ইসমাইল কারতাল আমাদের কোচ, তাকে সমর্থন জানানো উচিত।
এর আগে সহকারী কোচ হিসেবে চার বছর কাটানোর পর ২০১৪ সালে ফেনেরবাচের প্রধান কোচ হিসেবে নিজের প্রথম মেয়াদে তুর্কি সুপার কাপ জেতেন কারতাল। ২০২২ ও ২০২৩ সালেও তিনি ক্লাবটির কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। খেলোয়াড় হিসেবেও ক্লাবটির হয়ে দুটি লিগ শিরোপাসহ মোট ছয়টি ট্রফি জিতেছিলেন কারতাল।



























