ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপিকেও শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্স নিয়ে শঙ্কা নোয়াখালীতে খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ভাইরাল তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নন-কটন পণ্যের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ কারাবাস ও বিরতি কাটিয়ে অভিনয়ে ফিরলেন অভিনেতা জাহের আলভী পটিয়ায় দুই ইউনিয়নের রশি টানাটানিতে ৩০ পরিবারের চরম দুর্ভোগ আটঘরিয়ায় দেড় লাখ তালের বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসায় হামলার প্রতিবাদে রংপুরে বিক্ষোভ ইস্তাম্বুলে ইয়ামালের ম্যাজিকে গ্যালাতাসারাইকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ

‘গালি দিলেন না দোয়া দিলেন কিছুই বুঝলাম না’: সংসদে রুমিনের বক্তব্য নিয়ে শফিকুর রহমান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতীয় সংসদে তীব্র হট্টগোলের কারণে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য শুনতে বা বুঝতে পারেননি বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। রুমিন ফারহানা যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন সংসদে চরম হট্টগোল শুরু হলে দাঁড়িয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে প্রত্যেক সদস্যের বক্তব্য শোনার সুযোগ নিশ্চিত করা যেমন সবার দায়িত্ব, তেমনি নিজের মত প্রকাশের অধিকারও একজন সংসদ সদস্যের রয়েছে। কোনো সদস্যের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা তাকে কথা বলতে বাধা দেওয়া সংসদীয় রীতির পরিপন্থী।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কোনো সংসদ সদস্যের বক্তব্যে যদি অসংসদীয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু থাকে, তবে স্পিকারের আসন থেকে রুলিং দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এমনকি প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও সেই বক্তব্যের জবাব দিতে পারেন। কিন্তু কোনো সদস্যের বক্তব্য পুরোপুরি হট্টগোলে ঢেকে দেওয়া বা তাকে কথা বলার সুযোগ না দেওয়া কোনোভাবেই উচিত নয়।

হট্টগোলের তীব্রতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “উনি কী বললেন, আমরা তো একেবারেই বুঝতে পারলাম না। উনি গালি দিলেন না দোয়া দিলেন, কিছুই বুঝলাম না।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, একজন সংসদ সদস্যের বক্তব্য সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শোনা এবং তা রেকর্ডে থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু হট্টগোলের কারণে যদি সেই বক্তব্য কেউ শুনতেই না পান, তবে তিনি আদৌ সংসদ সদস্য হিসেবে তার বক্তব্য দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করতে পারলেন কি না, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

শফিকুর রহমান জানান, আগের দিনও সংসদে একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। সংসদীয় কার্যক্রমের জন্য এ ধরনের ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে এর প্রতিকার কী এবং বক্তব্য কীভাবে রেকর্ড হবে, তা স্পষ্ট করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও কার্যক্রমের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্পিকারের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

‘গালি দিলেন না দোয়া দিলেন কিছুই বুঝলাম না’: সংসদে রুমিনের বক্তব্য নিয়ে শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদে তীব্র হট্টগোলের কারণে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য শুনতে বা বুঝতে পারেননি বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। রুমিন ফারহানা যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন সংসদে চরম হট্টগোল শুরু হলে দাঁড়িয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে প্রত্যেক সদস্যের বক্তব্য শোনার সুযোগ নিশ্চিত করা যেমন সবার দায়িত্ব, তেমনি নিজের মত প্রকাশের অধিকারও একজন সংসদ সদস্যের রয়েছে। কোনো সদস্যের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা তাকে কথা বলতে বাধা দেওয়া সংসদীয় রীতির পরিপন্থী।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কোনো সংসদ সদস্যের বক্তব্যে যদি অসংসদীয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু থাকে, তবে স্পিকারের আসন থেকে রুলিং দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এমনকি প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও সেই বক্তব্যের জবাব দিতে পারেন। কিন্তু কোনো সদস্যের বক্তব্য পুরোপুরি হট্টগোলে ঢেকে দেওয়া বা তাকে কথা বলার সুযোগ না দেওয়া কোনোভাবেই উচিত নয়।

হট্টগোলের তীব্রতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “উনি কী বললেন, আমরা তো একেবারেই বুঝতে পারলাম না। উনি গালি দিলেন না দোয়া দিলেন, কিছুই বুঝলাম না।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, একজন সংসদ সদস্যের বক্তব্য সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শোনা এবং তা রেকর্ডে থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু হট্টগোলের কারণে যদি সেই বক্তব্য কেউ শুনতেই না পান, তবে তিনি আদৌ সংসদ সদস্য হিসেবে তার বক্তব্য দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করতে পারলেন কি না, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

শফিকুর রহমান জানান, আগের দিনও সংসদে একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। সংসদীয় কার্যক্রমের জন্য এ ধরনের ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে এর প্রতিকার কী এবং বক্তব্য কীভাবে রেকর্ড হবে, তা স্পষ্ট করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও কার্যক্রমের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্পিকারের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh