ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করে নিপীড়িত হয়েছেন রুহুল আমিন গাজী: রিজভী তুরস্কের শানলিউরফায় ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত ইসলামাবাদে পিটিআইয়ের মিছিল ঘিরে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও কড়াকড়ি ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা: নিহত ৪, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

৯/১১ জাদুঘরে কেবলই শোকের আবহ, আড়ালে প্রকৃত ইতিহাস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নিউইয়র্কের ৯/১১ মেমোরিয়াল অ্যান্ড মিউজিয়ামে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়েছে। মাটির প্রায় ৭০ ফুট নিচে রাখা হয়েছে পুড়ে যাওয়া ফায়ার ট্রাক, বিকৃত ইস্পাতের বিম, দমকলকর্মীদের হেলমেট, নিহতদের ঘড়ি এবং ছিনতাই হওয়া বিমানের যাত্রীদের শেষ বার্তা। দর্শনার্থীরা বিভিন্ন কোণ থেকে টুইন টাওয়ারে বিমান আঘাত হানার দৃশ্য এবং হামলার শিকার ব্যক্তিদের শেষ কথাও শুনতে পারেন।

হামলার ২৫তম বার্ষিকীর আগে জাদুঘরটি ঘুরে দেখেছেন মিডল আইয়ের সাংবাদিক আজাদ ইসা। জাদুঘরটি ঘুরে দেখার পর তার প্রশ্ন, ৯/১১-এর ইতিহাস কতটা সম্পূর্ণভাবে এখানে তুলে ধরা হয়েছে? প্রায় তিন ঘণ্টা জাদুঘরে কাটিয়েও তিনি কাঙ্ক্ষিত কোনো নতুন বা বিস্ময়কর তথ্য পাননি। বরং বারবার একই ভয়াবহ দৃশ্য দেখানোর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সেই দিনের আতঙ্কের মধ্যে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

২০১৪ সালে চালু হওয়া জাদুঘরটির প্রদর্শনী এলাকা প্রায় এক লাখ ১০ হাজার বর্গফুট। এখানে ৮৩ হাজারের বেশি নিদর্শন রয়েছে। আল-কায়েদা, ওসামা বিন লাদেন, ১৯৯৩ সালের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হামলা এবং ২০০১ সালের হামলার গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন রাখা হয়েছে। তবে লেখকের মতে, হামলার পেছনের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব পেয়েছে।

বিশেষ করে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এবং পরবর্তী সময়ে আল-কায়েদার উত্থানের সঙ্গে সেই যুদ্ধের সম্পর্ক খুব সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখকের অভিযোগ, এতে ৯/১১-এর ঘটনাকে প্রধানত ধর্মীয় উগ্রবাদের ফল হিসেবে দেখানো হয়েছে এবং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আড়ালে থেকে গেছে। ইতিহাস ও বর্তমান সময় সম্পর্কে অত্যন্ত অসম্পূর্ণ এবং প্রশ্নবিদ্ধ একটি ধারণা নিয়েই এখান থেকে ফিরতে হবে দর্শণার্থীদের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

৯/১১ জাদুঘরে কেবলই শোকের আবহ, আড়ালে প্রকৃত ইতিহাস

আপডেট সময় : ১২:০০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিউইয়র্কের ৯/১১ মেমোরিয়াল অ্যান্ড মিউজিয়ামে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়েছে। মাটির প্রায় ৭০ ফুট নিচে রাখা হয়েছে পুড়ে যাওয়া ফায়ার ট্রাক, বিকৃত ইস্পাতের বিম, দমকলকর্মীদের হেলমেট, নিহতদের ঘড়ি এবং ছিনতাই হওয়া বিমানের যাত্রীদের শেষ বার্তা। দর্শনার্থীরা বিভিন্ন কোণ থেকে টুইন টাওয়ারে বিমান আঘাত হানার দৃশ্য এবং হামলার শিকার ব্যক্তিদের শেষ কথাও শুনতে পারেন।

হামলার ২৫তম বার্ষিকীর আগে জাদুঘরটি ঘুরে দেখেছেন মিডল আইয়ের সাংবাদিক আজাদ ইসা। জাদুঘরটি ঘুরে দেখার পর তার প্রশ্ন, ৯/১১-এর ইতিহাস কতটা সম্পূর্ণভাবে এখানে তুলে ধরা হয়েছে? প্রায় তিন ঘণ্টা জাদুঘরে কাটিয়েও তিনি কাঙ্ক্ষিত কোনো নতুন বা বিস্ময়কর তথ্য পাননি। বরং বারবার একই ভয়াবহ দৃশ্য দেখানোর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সেই দিনের আতঙ্কের মধ্যে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

২০১৪ সালে চালু হওয়া জাদুঘরটির প্রদর্শনী এলাকা প্রায় এক লাখ ১০ হাজার বর্গফুট। এখানে ৮৩ হাজারের বেশি নিদর্শন রয়েছে। আল-কায়েদা, ওসামা বিন লাদেন, ১৯৯৩ সালের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হামলা এবং ২০০১ সালের হামলার গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন রাখা হয়েছে। তবে লেখকের মতে, হামলার পেছনের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব পেয়েছে।

বিশেষ করে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এবং পরবর্তী সময়ে আল-কায়েদার উত্থানের সঙ্গে সেই যুদ্ধের সম্পর্ক খুব সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখকের অভিযোগ, এতে ৯/১১-এর ঘটনাকে প্রধানত ধর্মীয় উগ্রবাদের ফল হিসেবে দেখানো হয়েছে এবং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আড়ালে থেকে গেছে। ইতিহাস ও বর্তমান সময় সম্পর্কে অত্যন্ত অসম্পূর্ণ এবং প্রশ্নবিদ্ধ একটি ধারণা নিয়েই এখান থেকে ফিরতে হবে দর্শণার্থীদের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh