ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের

গণপূর্তে ফিরছে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা, কঠোর অবস্থানে প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও নির্মাণ খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত অধিদপ্তরে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান। তাঁর গতিশীল ও সময়োপযোগী নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ের কাজের মানোন্নয়ন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর ও আপসহীন অবস্থান অধিদপ্তরের প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে তৈরি করেছে নতুন উদ্দীপনা ও আস্থার পরিবেশ। মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীদের মতে, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর দৃঢ় প্রশাসনিক দক্ষতা, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই অধিদপ্তরের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা বেড়েছে। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং দাপ্তরিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতেও তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উন্নয়নমূলক কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছেন। বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন কিংবা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করার অভিযোগে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ও সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। এসব পদক্ষেপের ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। প্রধান প্রকৌশলীর এমন দৃঢ় ও সৎ নেতৃত্বে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সর্বস্তরের প্রকৌশলী ও কর্মীদের মধ্যে তাঁর প্রতি আস্থা ও সমর্থন তৈরি হয়েছে। প্রকৌশলীদের মতে, খালেকুজ্জামান শুধু একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নন; তিনি মাঠপর্যায়ের সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেন। অতীতে বিভিন্ন সময়ে স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করলেও তাঁর প্রশাসনিক অবস্থান ও কাজের স্বচ্ছতার কারণে সেসব প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

প্রধান প্রকৌশলীর প্রশংসায় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম বলেন, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান দাপ্তরিক নিয়মকানুন, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) এবং সুশাসনের বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তিনি যেভাবে সাহসিকতার সঙ্গে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করছেন এবং অনিয়মে জড়িত ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ডিবার ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, তা অধিদপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাঁর কঠোর অবস্থানের কারণে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীদের মধ্যে একটি সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশে কাজের আগ্রহ বাড়ছে।

একইভাবে ইতিবাচক মন্তব্য করে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রধান প্রকৌশলীর বিচক্ষণ ও গতিশীল সিদ্ধান্তের ফলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাজের মান ও গতি বহুগুণ বেড়েছে। বিভিন্ন জটিল প্রকল্পের ক্ষেত্রে তিনি সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী ও মূল্যায়ন কমিটির দাখিল করা সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন ও সুপারিশ গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করে স্বচ্ছতার সঙ্গে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাঁর এই নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ কার্যপদ্ধতি শুধু প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকেই সুদৃঢ় করেনি, বরং অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, কর্মস্পৃহা ও উদ্দীপনাও বাড়িয়েছে।

এছাড়া প্রধান প্রকৌশলীর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সংস্থাপন) ফিরোজ আলম বলেন, খালেকুজ্জামানের মতো একজন সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা নেতৃত্বে থাকায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হয়েছে। ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা কোনো মহলের অপপ্রচারে তিনি কখনো নিজের নীতি ও অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি; বরং সবসময় রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর আপসহীন সততা ও কর্মনিষ্ঠার কারণে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও আস্থা ও দায়িত্ববোধ তৈরি হয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি উন্নয়নকাজের গুণগত মান বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমি সবসময় দাপ্তরিক বিধিবিধান, সরকারি ক্রয় বিধিমালা ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করি। অনিয়মের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস না করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করাই আমার লক্ষ্য।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

গণপূর্তে ফিরছে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা, কঠোর অবস্থানে প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান

আপডেট সময় : ০২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও নির্মাণ খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত অধিদপ্তরে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান। তাঁর গতিশীল ও সময়োপযোগী নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ের কাজের মানোন্নয়ন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর ও আপসহীন অবস্থান অধিদপ্তরের প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে তৈরি করেছে নতুন উদ্দীপনা ও আস্থার পরিবেশ। মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীদের মতে, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর দৃঢ় প্রশাসনিক দক্ষতা, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই অধিদপ্তরের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা বেড়েছে। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং দাপ্তরিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতেও তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উন্নয়নমূলক কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছেন। বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন কিংবা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করার অভিযোগে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ও সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। এসব পদক্ষেপের ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। প্রধান প্রকৌশলীর এমন দৃঢ় ও সৎ নেতৃত্বে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সর্বস্তরের প্রকৌশলী ও কর্মীদের মধ্যে তাঁর প্রতি আস্থা ও সমর্থন তৈরি হয়েছে। প্রকৌশলীদের মতে, খালেকুজ্জামান শুধু একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নন; তিনি মাঠপর্যায়ের সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেন। অতীতে বিভিন্ন সময়ে স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করলেও তাঁর প্রশাসনিক অবস্থান ও কাজের স্বচ্ছতার কারণে সেসব প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

প্রধান প্রকৌশলীর প্রশংসায় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম বলেন, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান দাপ্তরিক নিয়মকানুন, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) এবং সুশাসনের বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তিনি যেভাবে সাহসিকতার সঙ্গে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করছেন এবং অনিয়মে জড়িত ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ডিবার ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, তা অধিদপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাঁর কঠোর অবস্থানের কারণে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীদের মধ্যে একটি সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশে কাজের আগ্রহ বাড়ছে।

একইভাবে ইতিবাচক মন্তব্য করে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রধান প্রকৌশলীর বিচক্ষণ ও গতিশীল সিদ্ধান্তের ফলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাজের মান ও গতি বহুগুণ বেড়েছে। বিভিন্ন জটিল প্রকল্পের ক্ষেত্রে তিনি সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী ও মূল্যায়ন কমিটির দাখিল করা সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন ও সুপারিশ গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করে স্বচ্ছতার সঙ্গে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাঁর এই নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ কার্যপদ্ধতি শুধু প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকেই সুদৃঢ় করেনি, বরং অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, কর্মস্পৃহা ও উদ্দীপনাও বাড়িয়েছে।

এছাড়া প্রধান প্রকৌশলীর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সংস্থাপন) ফিরোজ আলম বলেন, খালেকুজ্জামানের মতো একজন সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা নেতৃত্বে থাকায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হয়েছে। ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা কোনো মহলের অপপ্রচারে তিনি কখনো নিজের নীতি ও অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি; বরং সবসময় রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর আপসহীন সততা ও কর্মনিষ্ঠার কারণে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও আস্থা ও দায়িত্ববোধ তৈরি হয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি উন্নয়নকাজের গুণগত মান বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমি সবসময় দাপ্তরিক বিধিবিধান, সরকারি ক্রয় বিধিমালা ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করি। অনিয়মের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস না করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করাই আমার লক্ষ্য।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh