ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি

আজ অমর নায়ক সালমান শাহর ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম সালমান শাহ। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের ফ্যাশন ও স্বতন্ত্র স্টাইলের মাধ্যমে তিনি কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। অকালপ্রয়াণের ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও তার জনপ্রিয়তা আজও অটুট। আজ রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, এই জনপ্রিয় নায়কের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৬ সালের এই দিনে মাত্র ২৫ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন।

সালমান শাহর জন্ম ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী এবং মা নীলা চৌধুরী। সিলেট শহরের শেখঘাটে ছিল তাদের দাদার বাড়ি এবং দারিয়াপাড়ায় নানার বাড়ি। তার নানা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এ অভিনয় করেছিলেন, যার অনুপ্রেরণাতেই সালমানের অভিনয়ে আসা। শৈশবের একটি বড় সময় তিনি সিলেটের দারিয়াপাড়ার নানার বাড়িতে কাটিয়েছেন, যা বর্তমানে ‘সালমান শাহ হাউজ’ হিসেবে পরিচিত। তার মামা কুমকুমের ভাষ্যমতে, দুরন্ত সময়টা তিনি সেখানেই কাটিয়েছিলেন।

অভিনয় জীবনে আসার আগে থেকেই তিনি সংগীতের প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং ১৯৮৬ সালে ছায়ানট থেকে পল্লীগীতিতে পাস করেন। ১৯৯২ সালের ১২ আগস্ট তিনি সামিরা হককে বিয়ে করেন। মঈনুল আহসান সাবেরের লেখা ধারাবাহিক ‘পাথর সময়’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর সোহানুর রহমান সোহানের ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। মৌসুমীর সঙ্গে জুটি বেঁধে করা এই সিনেমাটি তাকে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এছাড়া মৌসুমীর সঙ্গে তিনি ‘স্নেহ’ ও ‘অন্তরে অন্তরে’ সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন।

পরবর্তীতে শাবনূরের সঙ্গে তার জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে বিবেচিত হয়। শাবনূর ছাড়াও তিনি শাবনাজ, শাহনাজ, লিমা, শিল্পী, শ্যামা, সোনিয়া, বৃষ্টি, সাবরিনা ও কাঞ্চির সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন। মৃত্যুর ২৯ বছর পরও তার সিনেমা, গান ও ফ্যাশন নতুন প্রজন্মের কাছে সমান আগ্রহের বিষয়। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, ধূমকেতুর মতো এসে বাংলা চলচ্চিত্রকে জয় করেছিলেন এই নায়ক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তার সিনেমা দেখে ও গান শুনে তাকে স্মরণ করে। দর্শকের ভালোবাসা থেকে তিনি আজও অমর।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ অমর নায়ক সালমান শাহর ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় : ০১:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম সালমান শাহ। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের ফ্যাশন ও স্বতন্ত্র স্টাইলের মাধ্যমে তিনি কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। অকালপ্রয়াণের ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও তার জনপ্রিয়তা আজও অটুট। আজ রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, এই জনপ্রিয় নায়কের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৬ সালের এই দিনে মাত্র ২৫ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন।

সালমান শাহর জন্ম ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী এবং মা নীলা চৌধুরী। সিলেট শহরের শেখঘাটে ছিল তাদের দাদার বাড়ি এবং দারিয়াপাড়ায় নানার বাড়ি। তার নানা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এ অভিনয় করেছিলেন, যার অনুপ্রেরণাতেই সালমানের অভিনয়ে আসা। শৈশবের একটি বড় সময় তিনি সিলেটের দারিয়াপাড়ার নানার বাড়িতে কাটিয়েছেন, যা বর্তমানে ‘সালমান শাহ হাউজ’ হিসেবে পরিচিত। তার মামা কুমকুমের ভাষ্যমতে, দুরন্ত সময়টা তিনি সেখানেই কাটিয়েছিলেন।

অভিনয় জীবনে আসার আগে থেকেই তিনি সংগীতের প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং ১৯৮৬ সালে ছায়ানট থেকে পল্লীগীতিতে পাস করেন। ১৯৯২ সালের ১২ আগস্ট তিনি সামিরা হককে বিয়ে করেন। মঈনুল আহসান সাবেরের লেখা ধারাবাহিক ‘পাথর সময়’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর সোহানুর রহমান সোহানের ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। মৌসুমীর সঙ্গে জুটি বেঁধে করা এই সিনেমাটি তাকে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এছাড়া মৌসুমীর সঙ্গে তিনি ‘স্নেহ’ ও ‘অন্তরে অন্তরে’ সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন।

পরবর্তীতে শাবনূরের সঙ্গে তার জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে বিবেচিত হয়। শাবনূর ছাড়াও তিনি শাবনাজ, শাহনাজ, লিমা, শিল্পী, শ্যামা, সোনিয়া, বৃষ্টি, সাবরিনা ও কাঞ্চির সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন। মৃত্যুর ২৯ বছর পরও তার সিনেমা, গান ও ফ্যাশন নতুন প্রজন্মের কাছে সমান আগ্রহের বিষয়। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, ধূমকেতুর মতো এসে বাংলা চলচ্চিত্রকে জয় করেছিলেন এই নায়ক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তার সিনেমা দেখে ও গান শুনে তাকে স্মরণ করে। দর্শকের ভালোবাসা থেকে তিনি আজও অমর।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din