ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩ ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাগড়াছড়ি জেলায় লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি এখন হতাশায়। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে। তখন কলেজটি ছিলো , বেসরকারি। বতর্মানে কলেজটি সরকারি ঘোষিত । কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জমির মালিককে শর্তগুলো মেনে প্রতি্শ্রুতি দেয় ২০১৭ সালে। কলেজের জায়গাটি দানকারীর নাম – সুচ ধন চাকমা, বাবার নাম – নবীনসেন চাকমা, মায়ের নাম – দস্তাপতি চাকমা, নিজের খতিয়ান ভুক্ত জায়গা ১ একর ৩০ শতক কলেজে গত ২০১৭ সালে, ক্ষতিপূরণ ছাড়া লিখিত দুটি শর্ত সাপেক্ষে দান করে দেয় ।

তখন উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব টাটু মনি চাকমা , উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার। আরো উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ শর্তগুলো মেনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাক্ষর করলেও এখনোও জমির মালিক লিখিত দাবিগুলো পায় নি । দাবিগুলো ছিলো (১) একটি প্লট দেওয়া (২) একজনকে চাকুরী দেওয়া।রাস্তার পাশে প্লটটি না দিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল্ড দেওয়া হয়েছে। জমির মালিক মনে করেন, সভাপতি টাটু মনি চাকমা অসুস্থতায় মারা যাওয়ার কারণে আমার দাবিগুলো দিতে নারাজ ৷ ১ একর ৩০ শতক জায়গাটি বাধে অধ্যক্ষ বিভিন্ন কৌশলে আরো বাড়তি জমি জোরজবর দুষ্টি করে কেড়ে নিচ্ছে। জমির মালিক বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি চুক্তির স্বাক্ষর ৬ বছর অতিবাহিত হলেও সেই দাবিগুলো এখনোও দেয়া হয় নি। জমির মালিক আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য দান করে দিয়েছি। কোনো টাকা পয়সা নিই নি। আমি ক্যান্সার রোগী। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছি না।এখন আমি অর্থনৈতিকভাবে খুব খারাপ অবস্থায় আছি।
আগে জমিটি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। এখন আর সেই সম্বল টুকু নেই। জমির মালিক আরো বলেন, আমার আরো সামান্য জায়গা আছে কলেজে পাশে, এখন কলেজের অধ্যক্ষ ভয়ভীতি দেখিয়ে সেই জায়গা টুকুও জোর করে নিচ্ছে, মালিকটি আমাদের জানিয়েছে । মালিকের অর্থনৈতিকের অবস্থা ভালো না থাকার কারণে আইনী লড়াই লড়তে পারছেনা

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩

খাগড়াছড়ি জেলায় লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি এখন হতাশায়। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে। তখন কলেজটি ছিলো , বেসরকারি। বতর্মানে কলেজটি সরকারি ঘোষিত । কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জমির মালিককে শর্তগুলো মেনে প্রতি্শ্রুতি দেয় ২০১৭ সালে। কলেজের জায়গাটি দানকারীর নাম – সুচ ধন চাকমা, বাবার নাম – নবীনসেন চাকমা, মায়ের নাম – দস্তাপতি চাকমা, নিজের খতিয়ান ভুক্ত জায়গা ১ একর ৩০ শতক কলেজে গত ২০১৭ সালে, ক্ষতিপূরণ ছাড়া লিখিত দুটি শর্ত সাপেক্ষে দান করে দেয় ।

তখন উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব টাটু মনি চাকমা , উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার। আরো উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ শর্তগুলো মেনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাক্ষর করলেও এখনোও জমির মালিক লিখিত দাবিগুলো পায় নি । দাবিগুলো ছিলো (১) একটি প্লট দেওয়া (২) একজনকে চাকুরী দেওয়া।রাস্তার পাশে প্লটটি না দিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল্ড দেওয়া হয়েছে। জমির মালিক মনে করেন, সভাপতি টাটু মনি চাকমা অসুস্থতায় মারা যাওয়ার কারণে আমার দাবিগুলো দিতে নারাজ ৷ ১ একর ৩০ শতক জায়গাটি বাধে অধ্যক্ষ বিভিন্ন কৌশলে আরো বাড়তি জমি জোরজবর দুষ্টি করে কেড়ে নিচ্ছে। জমির মালিক বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি চুক্তির স্বাক্ষর ৬ বছর অতিবাহিত হলেও সেই দাবিগুলো এখনোও দেয়া হয় নি। জমির মালিক আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য দান করে দিয়েছি। কোনো টাকা পয়সা নিই নি। আমি ক্যান্সার রোগী। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছি না।এখন আমি অর্থনৈতিকভাবে খুব খারাপ অবস্থায় আছি।
আগে জমিটি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। এখন আর সেই সম্বল টুকু নেই। জমির মালিক আরো বলেন, আমার আরো সামান্য জায়গা আছে কলেজে পাশে, এখন কলেজের অধ্যক্ষ ভয়ভীতি দেখিয়ে সেই জায়গা টুকুও জোর করে নিচ্ছে, মালিকটি আমাদের জানিয়েছে । মালিকের অর্থনৈতিকের অবস্থা ভালো না থাকার কারণে আইনী লড়াই লড়তে পারছেনা