ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফেনীতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন, সহকারী লোকমাস্টার আহত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের রানওয়ে ঢুকে পড়লেন এক যুবক লালমনিরহাটে র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, গ্রেফতার ৩ মাদকের ডিলার হানিফ, মাদকের আতুর ঘরে পরিণত মুছাপুর ইউনিয়ন, ডিলার গ্রেফতারে সহায়তা করায় যুবকদের হুমকি, আতঙ্কে জনপদ চিত্রনায়ক মাসুদ শেখ উত্তরায় একটি বার থেকে গ্রেফতার আমজাদহাটে তুচ্ছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাপ ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেন প্রতিবেশী দায়িত্ব, দক্ষতা ও দূরদর্শিতায় অনন্য—প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রোমন। শাহজাদপুরে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে হাত-পা বেধে ধর্ষণ দিনাজপুরে ইটের প্রাচীর ভাঙচুর,থানায় বৃদ্ধার লিখিত অভিযোগ ৭ খুনের বিচার দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন, ক্ষোভে ফুঁসছে জনতা

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩ ২৬১ বার পড়া হয়েছে

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

খাগড়াছড়ি জেলায় লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি এখন হতাশায়। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে। তখন কলেজটি ছিলো , বেসরকারি। বতর্মানে কলেজটি সরকারি ঘোষিত । কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জমির মালিককে শর্তগুলো মেনে প্রতি্শ্রুতি দেয় ২০১৭ সালে। কলেজের জায়গাটি দানকারীর নাম – সুচ ধন চাকমা, বাবার নাম – নবীনসেন চাকমা, মায়ের নাম – দস্তাপতি চাকমা, নিজের খতিয়ান ভুক্ত জায়গা ১ একর ৩০ শতক কলেজে গত ২০১৭ সালে, ক্ষতিপূরণ ছাড়া লিখিত দুটি শর্ত সাপেক্ষে দান করে দেয় ।
20230121 174031
তখন উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব টাটু মনি চাকমা , উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার। আরো উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ শর্তগুলো মেনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাক্ষর করলেও এখনোও জমির মালিক লিখিত দাবিগুলো পায় নি । দাবিগুলো ছিলো (১) একটি প্লট দেওয়া (২) একজনকে চাকুরী দেওয়া।রাস্তার পাশে প্লটটি না দিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল্ড দেওয়া হয়েছে। জমির মালিক মনে করেন, সভাপতি টাটু মনি চাকমা অসুস্থতায় মারা যাওয়ার কারণে আমার দাবিগুলো দিতে নারাজ ৷ ১ একর ৩০ শতক জায়গাটি বাধে অধ্যক্ষ বিভিন্ন কৌশলে আরো বাড়তি জমি জোরজবর দুষ্টি করে কেড়ে নিচ্ছে। জমির মালিক বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি চুক্তির স্বাক্ষর ৬ বছর অতিবাহিত হলেও সেই দাবিগুলো এখনোও দেয়া হয় নি। জমির মালিক আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য দান করে দিয়েছি। কোনো টাকা পয়সা নিই নি। আমি ক্যান্সার রোগী। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছি না।এখন আমি অর্থনৈতিকভাবে খুব খারাপ অবস্থায় আছি।
আগে জমিটি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। এখন আর সেই সম্বল টুকু নেই। জমির মালিক আরো বলেন, আমার আরো সামান্য জায়গা আছে কলেজে পাশে, এখন কলেজের অধ্যক্ষ ভয়ভীতি দেখিয়ে সেই জায়গা টুকুও জোর করে নিচ্ছে, মালিকটি আমাদের জানিয়েছে । মালিকের অর্থনৈতিকের অবস্থা ভালো না থাকার কারণে আইনী লড়াই লড়তে পারছেনা

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩
print news

খাগড়াছড়ি জেলায় লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি এখন হতাশায়। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে। তখন কলেজটি ছিলো , বেসরকারি। বতর্মানে কলেজটি সরকারি ঘোষিত । কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জমির মালিককে শর্তগুলো মেনে প্রতি্শ্রুতি দেয় ২০১৭ সালে। কলেজের জায়গাটি দানকারীর নাম – সুচ ধন চাকমা, বাবার নাম – নবীনসেন চাকমা, মায়ের নাম – দস্তাপতি চাকমা, নিজের খতিয়ান ভুক্ত জায়গা ১ একর ৩০ শতক কলেজে গত ২০১৭ সালে, ক্ষতিপূরণ ছাড়া লিখিত দুটি শর্ত সাপেক্ষে দান করে দেয় ।
20230121 174031
তখন উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব টাটু মনি চাকমা , উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার। আরো উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ শর্তগুলো মেনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাক্ষর করলেও এখনোও জমির মালিক লিখিত দাবিগুলো পায় নি । দাবিগুলো ছিলো (১) একটি প্লট দেওয়া (২) একজনকে চাকুরী দেওয়া।রাস্তার পাশে প্লটটি না দিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল্ড দেওয়া হয়েছে। জমির মালিক মনে করেন, সভাপতি টাটু মনি চাকমা অসুস্থতায় মারা যাওয়ার কারণে আমার দাবিগুলো দিতে নারাজ ৷ ১ একর ৩০ শতক জায়গাটি বাধে অধ্যক্ষ বিভিন্ন কৌশলে আরো বাড়তি জমি জোরজবর দুষ্টি করে কেড়ে নিচ্ছে। জমির মালিক বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি চুক্তির স্বাক্ষর ৬ বছর অতিবাহিত হলেও সেই দাবিগুলো এখনোও দেয়া হয় নি। জমির মালিক আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য দান করে দিয়েছি। কোনো টাকা পয়সা নিই নি। আমি ক্যান্সার রোগী। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছি না।এখন আমি অর্থনৈতিকভাবে খুব খারাপ অবস্থায় আছি।
আগে জমিটি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। এখন আর সেই সম্বল টুকু নেই। জমির মালিক আরো বলেন, আমার আরো সামান্য জায়গা আছে কলেজে পাশে, এখন কলেজের অধ্যক্ষ ভয়ভীতি দেখিয়ে সেই জায়গা টুকুও জোর করে নিচ্ছে, মালিকটি আমাদের জানিয়েছে । মালিকের অর্থনৈতিকের অবস্থা ভালো না থাকার কারণে আইনী লড়াই লড়তে পারছেনা