ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: একই পরিবারের ৬ জনসহ নিহত ১০ একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বাতিলের দাবিতে এনসিপির তিন দফা শারদীয় দুর্গাপূজায় বান্দরবানে বিজিবির বিশেষ নিরাপত্তা ও নজরদারি উখিয়ার রিসোর্টে ভয়াবহ আগুনে শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু, একই পরিবারের ৮ মিষ্টির শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার টাকা ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৫ সাংবাদিক লুৎফুর জামান ফকির হত্যায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ফেসবুকে মৃত্যুর পর প্রোফাইল: স্মারক না ডিলিট, সিদ্ধান্ত আপনার

রংপুরে চার খুনের মামলায় ধৃতদের ডোপ টেস্টে মাদক মেলেনি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। গতকাল রোববার রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর থেকে তাঁদের মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং পরে তা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। আজ সোমবার দুপুরে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ এই পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে।

রংপুর মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী আজ বেলা পৌনে তিনটার দিকে মুঠোফোনে জানান, পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাঁদের শরীরে মাদকের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, ঘটনার আট দিন পর আসামিদের মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এত দীর্ঘ সময় পর মূত্রের পরীক্ষায় মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত করা কঠিন। যদি ঘটনার দু-তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষাটি করা সম্ভব হতো, তবে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা থাকত।

সনাতন চক্রবর্তী আরও জানান, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে ডোপ টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। চুল বা রক্তের নমুনা পরীক্ষা করার সুযোগ সেখানে ছিল না। কারাবন্দী আসামিদের বাইরে এনে ডোপ টেস্ট করার সময় মব বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা থাকায় কারাগারের ভেতরেই টেকনোলজিস্টের উপস্থিতিতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, চারজনকে হত্যার আগে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মাদক সেবন করেছিলেন। এমনকি আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতেও তাঁরা হত্যার আগে আট থেকে নয়টি ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেছিলেন। ডোপ টেস্টের এই ফলাফল পুলিশের আগের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। ঘটনার পর গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। আসামিরা বর্তমানে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে চার খুনের মামলায় ধৃতদের ডোপ টেস্টে মাদক মেলেনি

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। গতকাল রোববার রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর থেকে তাঁদের মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং পরে তা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। আজ সোমবার দুপুরে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ এই পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে।

রংপুর মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী আজ বেলা পৌনে তিনটার দিকে মুঠোফোনে জানান, পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাঁদের শরীরে মাদকের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, ঘটনার আট দিন পর আসামিদের মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এত দীর্ঘ সময় পর মূত্রের পরীক্ষায় মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত করা কঠিন। যদি ঘটনার দু-তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষাটি করা সম্ভব হতো, তবে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা থাকত।

সনাতন চক্রবর্তী আরও জানান, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে ডোপ টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। চুল বা রক্তের নমুনা পরীক্ষা করার সুযোগ সেখানে ছিল না। কারাবন্দী আসামিদের বাইরে এনে ডোপ টেস্ট করার সময় মব বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা থাকায় কারাগারের ভেতরেই টেকনোলজিস্টের উপস্থিতিতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, চারজনকে হত্যার আগে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মাদক সেবন করেছিলেন। এমনকি আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতেও তাঁরা হত্যার আগে আট থেকে নয়টি ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেছিলেন। ডোপ টেস্টের এই ফলাফল পুলিশের আগের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। ঘটনার পর গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। আসামিরা বর্তমানে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo