ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউক্রেন যুদ্ধে স্টারশিল্ডের গতি সীমিতকরণ নিয়ে বিতর্ক সালমান খানকে ফের হত্যার হুমকি, অডিও বার্তায় চাঞ্চল্য নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়ায় ‘মা’ থিমে সেজেছে দুর্গাপূজা মণ্ডপ ধীরে ধীরে মৃত্যু বরণ না করে জীবনকে উপভোগ করার আহ্বান সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার দাবিতে নাটোরে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ওসমানী উদ্যানে ৯০ ফুট উঁচু জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের অসহযোগিতার অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বেড়েছে ডলারের দাম, সোমবারের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ছেন ইশরাক হোসেন শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বাঁশখালীর এসআই সুমন কবির ক্লোজড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক ক্ষুদ্র ডেইরি খামারির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন কবির মৃধাকে ক্লোজড করা হয়েছে। শুক্রবার তাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্লোজড হওয়ার পর অভিযুক্ত এসআই সুমন কবির মৃধা ইতিমধ্যে বাঁশখালী ছেড়ে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে যোগদানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। একটি চুরির মামলার তদন্তকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে এই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

তদন্তাধীন চুরির ঘটনাটি ঘটেছিল গত ৭ জুলাই দিবাগত রাতে বাঁশখালীর চন্দ্রপুর গ্রামের বরপুরা এলাকায় নুরুল আলমের মালিকানাধীন ‘জামশেদ এক্সপ্রেস ডেইরি অ্যান্ড এগ্রো ফার্মে’। এ ঘটনায় খামারি নুরুল আলম বাদী হয়ে গত ২৬ জুলাই বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুমন কবির মৃধাকে।

মামলার বাদী নুরুল আলমের অভিযোগ, চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার বিনিময়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুমন কবির মৃধা তাঁর কাছে ঘুষ দাবি করেন। একপর্যায়ে তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে বাধ্য হন বলেও অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে এসআই সুমন কবির মৃধাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তদন্ত বা অনুসন্ধান করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বাঁশখালীর এসআই সুমন কবির ক্লোজড

আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক ক্ষুদ্র ডেইরি খামারির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন কবির মৃধাকে ক্লোজড করা হয়েছে। শুক্রবার তাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্লোজড হওয়ার পর অভিযুক্ত এসআই সুমন কবির মৃধা ইতিমধ্যে বাঁশখালী ছেড়ে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে যোগদানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। একটি চুরির মামলার তদন্তকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে এই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

তদন্তাধীন চুরির ঘটনাটি ঘটেছিল গত ৭ জুলাই দিবাগত রাতে বাঁশখালীর চন্দ্রপুর গ্রামের বরপুরা এলাকায় নুরুল আলমের মালিকানাধীন ‘জামশেদ এক্সপ্রেস ডেইরি অ্যান্ড এগ্রো ফার্মে’। এ ঘটনায় খামারি নুরুল আলম বাদী হয়ে গত ২৬ জুলাই বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুমন কবির মৃধাকে।

মামলার বাদী নুরুল আলমের অভিযোগ, চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার বিনিময়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুমন কবির মৃধা তাঁর কাছে ঘুষ দাবি করেন। একপর্যায়ে তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে বাধ্য হন বলেও অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে এসআই সুমন কবির মৃধাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তদন্ত বা অনুসন্ধান করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh