ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিংগাইরে মদ্যপ অবস্থায় মারামারি, চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু দেশজুড়ে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে খুন, ৭ মাসে ২০৭৬ হত্যাকাণ্ড ২৯ আগস্ট থেকে চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা আষাঢ়িয়ারচর ব্রিজে ফাটল: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট রূপপুর প্রকল্পে লিফট থেকে পড়ে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, গ্রেপ্তার ৫ নারায়ণগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও পানিতে ডুবে ৩ জনের মৃত্যু রূপগঞ্জে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে কৃষিজমি রক্ষার দাবি ইউএস ওপেনে ওয়াইল্ড কার্ড পেলেন সেরেনা-ভেনাস, চার বছর পর ফিরছে উইলিয়ামস জুটি টালিউড অভিনেত্রী মধুমিতার সঙ্গে বড়পর্দায় ফিরছেন বাপ্পারাজ

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বাঁশখালীর এসআই সুমন কবির ক্লোজড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক ক্ষুদ্র ডেইরি খামারির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন কবির মৃধাকে ক্লোজড করা হয়েছে। শুক্রবার তাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্লোজড হওয়ার পর অভিযুক্ত এসআই সুমন কবির মৃধা ইতিমধ্যে বাঁশখালী ছেড়ে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে যোগদানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। একটি চুরির মামলার তদন্তকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে এই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

তদন্তাধীন চুরির ঘটনাটি ঘটেছিল গত ৭ জুলাই দিবাগত রাতে বাঁশখালীর চন্দ্রপুর গ্রামের বরপুরা এলাকায় নুরুল আলমের মালিকানাধীন ‘জামশেদ এক্সপ্রেস ডেইরি অ্যান্ড এগ্রো ফার্মে’। এ ঘটনায় খামারি নুরুল আলম বাদী হয়ে গত ২৬ জুলাই বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুমন কবির মৃধাকে।

মামলার বাদী নুরুল আলমের অভিযোগ, চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার বিনিময়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুমন কবির মৃধা তাঁর কাছে ঘুষ দাবি করেন। একপর্যায়ে তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে বাধ্য হন বলেও অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে এসআই সুমন কবির মৃধাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তদন্ত বা অনুসন্ধান করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বাঁশখালীর এসআই সুমন কবির ক্লোজড

আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক ক্ষুদ্র ডেইরি খামারির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন কবির মৃধাকে ক্লোজড করা হয়েছে। শুক্রবার তাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্লোজড হওয়ার পর অভিযুক্ত এসআই সুমন কবির মৃধা ইতিমধ্যে বাঁশখালী ছেড়ে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে যোগদানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। একটি চুরির মামলার তদন্তকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে এই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

তদন্তাধীন চুরির ঘটনাটি ঘটেছিল গত ৭ জুলাই দিবাগত রাতে বাঁশখালীর চন্দ্রপুর গ্রামের বরপুরা এলাকায় নুরুল আলমের মালিকানাধীন ‘জামশেদ এক্সপ্রেস ডেইরি অ্যান্ড এগ্রো ফার্মে’। এ ঘটনায় খামারি নুরুল আলম বাদী হয়ে গত ২৬ জুলাই বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুমন কবির মৃধাকে।

মামলার বাদী নুরুল আলমের অভিযোগ, চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার বিনিময়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুমন কবির মৃধা তাঁর কাছে ঘুষ দাবি করেন। একপর্যায়ে তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে বাধ্য হন বলেও অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে এসআই সুমন কবির মৃধাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তদন্ত বা অনুসন্ধান করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh