সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ
- আপডেট সময় : ০৯:৫০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, সরকারে যারা আছেন, তাদের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আগের সরকারের দোষ দেখিয়ে বর্তমান সরকার কোনোভাবেই নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না।
দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, বর্তমানে দেশে একের পর এক হত্যাকাণ্ড, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটছে। অপরাধীরা বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে সাহস পেয়ে একের পর এক অন্যায় করে যাচ্ছে। এ অবস্থায় অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংকট এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমূল্য ও ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতার কথাও তুলে ধরেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। তিনি এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তারা চান সরকার সফল হোক, তবে দেশের স্থিতিশীলতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অন্ন-বস্ত্র ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জাতীয় পার্টির আয়োজিত আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে কার্যকর ও অর্থবহ করতে হলে শুধু সরকার নয়, বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দলকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি জনগণের কথা বলার সুযোগ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রুহুল আমিন হাওলাদার আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ, তবে তা যেন রাজনৈতিক সংঘাত বা বিভাজনে পরিণত না হয়। দেশের স্বার্থকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও সংলাপের পরিবেশ তৈরি করা খুবই জরুরি।
অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সরফুদ্দিন আহমেদ শিপু, সেকান্দার আলী সেরনিয়াবাত, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য এবং যুগ্ম সম্পাদকসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন গুলশান আজাদ মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আহসান উল্লাহ।



























