ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রথম দিনেই শত কোটি আয় ছাড়াল যশের ‘টক্সিক’ কিংবদন্তি হলিউড অভিনেতা টিম কারি আর নেই, ৮০ বছর বয়সে প্রয়াণ ২০১৪-২০২৫: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ওপর সাত ধরনের নিপীড়নের তথ্য প্রকাশ টানা দ্বিতীয় জয়ে লা লিগার শীর্ষে বার্সেলোনা স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের সিংহাসন ফিরে পেলেন পোলার্ড নভেম্বরে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চৌগাছায় সার বাজারে প্রশাসনের মনিটরিং, ১০ হাজার টাকা জরিমানা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ, বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদ ও ওয়াকআউট কক্সবাজারে হোটেল বারে সংঘর্ষে ভাঙা গ্লাসের আঘাতে যুবক নিহত পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫৩ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে মঈন খানের আহ্বান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, সরকারি নীতি এবং ছয় মাসের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে বলে বৈঠকে উঠে আসে।

পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এসব খাতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে বিদেশি বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার অবকাঠামো, পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগকে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে। এই লক্ষ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির প্রশংসা করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বিশেষ করে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ব্যাগ বিতরণ এবং স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। এসব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে এবং ঝরে পড়ার হার কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে আলোচনায় উঠে আসে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের অগ্রাধিকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া পানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়েও উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎসহ পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে সহযোগিতার বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ দেখিয়েছে।

মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো খাতে সহযোগিতা বাড়লে তা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকার বর্তমানে স্থানীয় সরকার খাতের অবকাঠামো ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে মঈন খানের আহ্বান

আপডেট সময় : ০২:২৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, সরকারি নীতি এবং ছয় মাসের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে বলে বৈঠকে উঠে আসে।

পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এসব খাতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে বিদেশি বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার অবকাঠামো, পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগকে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে। এই লক্ষ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির প্রশংসা করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বিশেষ করে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ব্যাগ বিতরণ এবং স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। এসব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে এবং ঝরে পড়ার হার কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে আলোচনায় উঠে আসে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের অগ্রাধিকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া পানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়েও উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎসহ পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে সহযোগিতার বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ দেখিয়েছে।

মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো খাতে সহযোগিতা বাড়লে তা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকার বর্তমানে স্থানীয় সরকার খাতের অবকাঠামো ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin