ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউফলে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ কাজীপুরের যমুনার চরাঞ্চলে যাতায়াত সংকট, নৌকাই একমাত্র ভরসা সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ২০২৭ সালের সভাপতি হচ্ছে পাকিস্তান অস্তিত্বের সংকটে সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক বারুহাস ইমামবাড়ি ও তিন গম্বুজ মসজিদ গুলশানে অবৈধ মদের কারবার, ২৪৪ লিটার মদ ও বিয়ারসহ আটক ১ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী যৌথ অভিযানে আটক ৫১৯ মাদারীপুরের শিবচরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বিএনপি নেতা নিহত রাজধানীর ছয় রুটে একক কোম্পানির বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান নিহত

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জের প্রস্তাব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারত থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন একটি চার্জ আরোপের প্রস্তাব করেছে দেশটি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানিতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি দাবি করা হয়েছে, যা যুক্ত করা হলে আমদানির সামগ্রিক খরচ বৃদ্ধি পাবে। এই চার্জ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় অর্থ বিভাগের মতামত চেয়েছে। এ বিষয়ে গত ১৮ আগস্ট বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুতের ব্যাপারে নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি (এসএনএ) চুক্তি করা জরুরি। এই চুক্তি সময়মতো না হলে এনভিভিএনের মাধ্যমে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের গ্রিড অপারেশন ও লেনদেন নিষ্পত্তির খরচ মেটাতে এই এসএনএ চার্জ ব্যবস্থা চালু করেছে। নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ভারত একই হারে এই চার্জ আদায় করছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ ও পিডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিইআরসি শুরুতে প্রতি ইউনিটে ০.০১ ভারতীয় রুপি চার্জের প্রস্তাব দিয়েছিল, তবে পিডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে তা কমিয়ে ০.০০৫ রুপি নির্ধারণ করা হয়। কর্মকর্তাদের মতে, এটি বিদ্যুতের দাম নয়, বরং গ্রিড পরিচালনা, মিটারিং এবং সরবরাহ হিসাব মেলানোর খরচ। এই চুক্তির ফলে লেনদেন প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে আলাদা করে বিল পরিশোধের প্রয়োজন পড়বে না।

বর্তমানে বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমে ভারত থেকে মোট ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াটের জন্য এসএনএ চুক্তি করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আমদানিকৃত ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ক্ষেত্রে এই চার্জের বিষয়টি মূল বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাই এগুলোর জন্য আলাদা এসএনএ চুক্তির প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে পিডিবি।

এর মধ্যে এনভিভিএনের মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে এনটিপিসির কেন্দ্র থেকে ২৫০ মেগাওয়াট, দামোদর ভ্যালি করপোরেশন (ডিভিসি) থেকে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি করপোরেশন থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে।

এ ছাড়া পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে বেসরকারি খাত থেকে সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়ার একটি কেন্দ্র থেকে ২০০ মেগাওয়াট এবং সেম্বকর্প থেকে সরাসরি আরও ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জের প্রস্তাব

আপডেট সময় : ১০:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

ভারত থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন একটি চার্জ আরোপের প্রস্তাব করেছে দেশটি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানিতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি দাবি করা হয়েছে, যা যুক্ত করা হলে আমদানির সামগ্রিক খরচ বৃদ্ধি পাবে। এই চার্জ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় অর্থ বিভাগের মতামত চেয়েছে। এ বিষয়ে গত ১৮ আগস্ট বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুতের ব্যাপারে নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি (এসএনএ) চুক্তি করা জরুরি। এই চুক্তি সময়মতো না হলে এনভিভিএনের মাধ্যমে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের গ্রিড অপারেশন ও লেনদেন নিষ্পত্তির খরচ মেটাতে এই এসএনএ চার্জ ব্যবস্থা চালু করেছে। নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ভারত একই হারে এই চার্জ আদায় করছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ ও পিডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিইআরসি শুরুতে প্রতি ইউনিটে ০.০১ ভারতীয় রুপি চার্জের প্রস্তাব দিয়েছিল, তবে পিডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে তা কমিয়ে ০.০০৫ রুপি নির্ধারণ করা হয়। কর্মকর্তাদের মতে, এটি বিদ্যুতের দাম নয়, বরং গ্রিড পরিচালনা, মিটারিং এবং সরবরাহ হিসাব মেলানোর খরচ। এই চুক্তির ফলে লেনদেন প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে আলাদা করে বিল পরিশোধের প্রয়োজন পড়বে না।

বর্তমানে বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমে ভারত থেকে মোট ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াটের জন্য এসএনএ চুক্তি করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আমদানিকৃত ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ক্ষেত্রে এই চার্জের বিষয়টি মূল বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাই এগুলোর জন্য আলাদা এসএনএ চুক্তির প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে পিডিবি।

এর মধ্যে এনভিভিএনের মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে এনটিপিসির কেন্দ্র থেকে ২৫০ মেগাওয়াট, দামোদর ভ্যালি করপোরেশন (ডিভিসি) থেকে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি করপোরেশন থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে।

এ ছাড়া পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে বেসরকারি খাত থেকে সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়ার একটি কেন্দ্র থেকে ২০০ মেগাওয়াট এবং সেম্বকর্প থেকে সরাসরি আরও ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo