ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ঢামেকে গৃহকর্মীর লাশ ফেলে পালানো ৩ জন গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অজ্ঞাত হিসেবে ফেলে যাওয়া সেই কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। ১৫ বছর বয়সী মিম আক্তার নারায়ণগঞ্জের একটি বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে মিমকে নির্যাতন করা হয়েছিল। এই ঘটনায় মিমের লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যাওয়ার দায়ে গৃহকর্তা, তার স্ত্রী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭), মো. ফয়সাল আহমেদ (৩৫) এবং রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯)।

শাহবাগ থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর ডেমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ঢাকা মহানগর পুলিশও এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অপরাধ আড়াল করতে মিমের লাশ ঢামেক হাসপাতালের সামনে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে গিয়েছিল। এরপর গ্রেপ্তার এড়াতে তারা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসা ছেড়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অন্যত্র আত্মগোপন করে। প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ডেমরায় এই অভিযান চালানো হয়।

মিমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সে কুমিল্লার বাঙ্গরা বাজার থানার আন্দিকুট গ্রামের মৃত ফজলু মিয়া ও শিপন বেগমের মেয়ে। তিন বোনের মধ্যে মিম ছিল সবার ছোট। বাবার মৃত্যুর পর অভাবের সংসারে হাল ধরতে দুই বোনের বিয়ের পর তাকে নারায়ণগঞ্জে কাজের জন্য পাঠানো হয়। মিমের সৎ ভাই আমির হোসেন জানান, প্রায় এক বছর আগে এক দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের ওই ব্যবসায়ীর বাসায় মিম গৃহকর্মীর কাজ শুরু করে।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ওই বাসায় মিমকে নিয়মিত মারধর ও নির্যাতন করা হতো। মিম সুযোগ পেলেই মোবাইল ফোনে মায়ের কাছে নির্যাতনের কথা জানাত। গৃহকর্তা ফয়সাল আহমেদের কাছে বিষয়টি জানালে উল্টো মিমের মাকে বকাঝকা ও হুমকি দেওয়া হতো বলে দাবি পরিবারের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢামেকে গৃহকর্মীর লাশ ফেলে পালানো ৩ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৫:০৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অজ্ঞাত হিসেবে ফেলে যাওয়া সেই কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। ১৫ বছর বয়সী মিম আক্তার নারায়ণগঞ্জের একটি বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে মিমকে নির্যাতন করা হয়েছিল। এই ঘটনায় মিমের লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যাওয়ার দায়ে গৃহকর্তা, তার স্ত্রী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭), মো. ফয়সাল আহমেদ (৩৫) এবং রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯)।

শাহবাগ থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর ডেমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ঢাকা মহানগর পুলিশও এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অপরাধ আড়াল করতে মিমের লাশ ঢামেক হাসপাতালের সামনে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে গিয়েছিল। এরপর গ্রেপ্তার এড়াতে তারা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসা ছেড়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অন্যত্র আত্মগোপন করে। প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ডেমরায় এই অভিযান চালানো হয়।

মিমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সে কুমিল্লার বাঙ্গরা বাজার থানার আন্দিকুট গ্রামের মৃত ফজলু মিয়া ও শিপন বেগমের মেয়ে। তিন বোনের মধ্যে মিম ছিল সবার ছোট। বাবার মৃত্যুর পর অভাবের সংসারে হাল ধরতে দুই বোনের বিয়ের পর তাকে নারায়ণগঞ্জে কাজের জন্য পাঠানো হয়। মিমের সৎ ভাই আমির হোসেন জানান, প্রায় এক বছর আগে এক দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের ওই ব্যবসায়ীর বাসায় মিম গৃহকর্মীর কাজ শুরু করে।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ওই বাসায় মিমকে নিয়মিত মারধর ও নির্যাতন করা হতো। মিম সুযোগ পেলেই মোবাইল ফোনে মায়ের কাছে নির্যাতনের কথা জানাত। গৃহকর্তা ফয়সাল আহমেদের কাছে বিষয়টি জানালে উল্টো মিমের মাকে বকাঝকা ও হুমকি দেওয়া হতো বলে দাবি পরিবারের।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh