ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামী ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ ওয়েবসাইট ও টেলিগ্রামে মাদক বিক্রি, ভাটারায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার প্যারিসে সহিংসতা ও অস্থিরতা: ২০২৭ নির্বাচন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরিত হচ্ছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ঢাকায় পা রাখল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শুরু হচ্ছে টেস্ট সিরিজের লড়াই গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর আদায়ের নির্দেশ স্থগিত চাকরির বেতন ও বাসা ভাড়া নির্ধারণে মানুষের হয়ে লড়বে এআই বেতাগীতে অপরাধীদের কোনো ছাড় নয়: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ৯৯ বছর বয়সে বিমানের ডানায় দাঁড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন হেলগা

ইরাক থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ ২৩ বছর পর ইরাক থেকে নিজেদের সব সামরিক সদস্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মার্কিন বাহিনী সম্পূর্ণভাবে ইরাক ছাড়বে, যার মাধ্যমে দেশটিতে দীর্ঘদিনের বিদেশি সেনা উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটতে যাচ্ছে। বুধবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির কার্যালয় থেকে দেওয়া এক সরকারি বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকে আইএস বিরোধী বৈশ্বিক জোটের অভিযানের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। নির্ধারিত ও চূড়ান্ত সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব বিদেশি সেনা ইরাক ত্যাগ করবে। ফলে ১ অক্টোবর হতে যাচ্ছে দেশটির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন, কারণ সেদিন থেকে ইরাকের মাটিতে কোনো বিদেশি সেনা থাকবে না।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি ওয়াশিংটন সফরের সময় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) commander জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদি। সেই বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতেই মার্কিন সেনাদের ইরাক ছাড়ার এই চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এখন থেকে দুই দেশ পরস্পরের সার্বভৌমত্ব ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থকে সম্মান জানিয়ে অর্থনীতি ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক জোরদার করার দিকে মনোনিবেশ করবে।

২০০৩ সালের ১৯ মার্চ সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইরাকে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী। অভিযানের ৯ মাসের মাথায় সাদ্দাম হোসেন গ্রেপ্তার হন এবং তিন বছর ধরে চলা বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়।

চুক্তি অনুযায়ী সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর পরই মার্কিন বাহিনীর ইরাক ছাড়ার কথা ছিল। তবে সাদ্দামের পতনের পর ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) উত্থান ঘটলে তাদের দমনে অভিযান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন।

এ বিষয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক এবং জোট অংশীদাররা আইএসকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। বর্তমানে ইরাকে যেসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠী রয়েছে, তাদের দমন করতে ইরাকি সেনাবাহিনী যথেষ্ট সক্ষম। তবে বর্তমানে ইরাকে কতজন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি ওই কর্মকর্তা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরাক থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ ২৩ বছর পর ইরাক থেকে নিজেদের সব সামরিক সদস্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মার্কিন বাহিনী সম্পূর্ণভাবে ইরাক ছাড়বে, যার মাধ্যমে দেশটিতে দীর্ঘদিনের বিদেশি সেনা উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটতে যাচ্ছে। বুধবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির কার্যালয় থেকে দেওয়া এক সরকারি বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকে আইএস বিরোধী বৈশ্বিক জোটের অভিযানের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। নির্ধারিত ও চূড়ান্ত সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব বিদেশি সেনা ইরাক ত্যাগ করবে। ফলে ১ অক্টোবর হতে যাচ্ছে দেশটির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন, কারণ সেদিন থেকে ইরাকের মাটিতে কোনো বিদেশি সেনা থাকবে না।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি ওয়াশিংটন সফরের সময় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) commander জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদি। সেই বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতেই মার্কিন সেনাদের ইরাক ছাড়ার এই চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এখন থেকে দুই দেশ পরস্পরের সার্বভৌমত্ব ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থকে সম্মান জানিয়ে অর্থনীতি ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক জোরদার করার দিকে মনোনিবেশ করবে।

২০০৩ সালের ১৯ মার্চ সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইরাকে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী। অভিযানের ৯ মাসের মাথায় সাদ্দাম হোসেন গ্রেপ্তার হন এবং তিন বছর ধরে চলা বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়।

চুক্তি অনুযায়ী সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর পরই মার্কিন বাহিনীর ইরাক ছাড়ার কথা ছিল। তবে সাদ্দামের পতনের পর ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) উত্থান ঘটলে তাদের দমনে অভিযান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন।

এ বিষয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক এবং জোট অংশীদাররা আইএসকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। বর্তমানে ইরাকে যেসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠী রয়েছে, তাদের দমন করতে ইরাকি সেনাবাহিনী যথেষ্ট সক্ষম। তবে বর্তমানে ইরাকে কতজন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি ওই কর্মকর্তা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin