গাইবান্ধায় যুবদলের হামলায় আহত জামায়াত কর্মীর মৃত্যু, বিচারের দাবি
- আপডেট সময় : ০৫:৩৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সাঘাটায় স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় যুবদলের হামলায় আহত জামায়াত কর্মী মো. সালাউদ্দিন (২৭) মারা গেছেন। ঘটনার ৪৮ দিন পর শনিবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সালাউদ্দিন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নির্বাহী সদস্য মাওলানা শামসুল ইসলাম দুদুর ছোট ছেলে ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন সাঘাটা উপজেলা যুবদলের হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর তিনি প্রায় দুই মাস ধরে ঢাকা ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মরহুমের জানাজা শনিবার বাদ মাগরিব সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা আমির মো. আব্দুল করিম এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওারেছ এমপি, অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান এমপি, মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু এমপি, জেলা ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান এবং জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও গাইবান্ধা পৌর মেয়র প্রার্থী মো. ফয়সাল কবির রানাসহ জেলা জামায়াতের নেতারা। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে নেতারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তারা সালাউদ্দিনকে নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে উল্লেখ করে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং মহান আল্লাহর কাছে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করার প্রার্থনা করেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচন ও চাপের মুখে কমিটি দেওয়াকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করতে গিয়ে বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. মোকলেছুর রহমান মুকুল, পলাশ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফের সরাসরি হামলায় বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. সাইফুল্লাহ বারী (২৪) নিহত হয়েছিলেন।




























