ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফরাসি ডাগআউটে জিদান, প্রথম ম্যাচের টিকিট শেষ ২৪ ঘণ্টার কম সময়ে হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা: বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বাড়ার বড় শঙ্কা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন কেন হলো: নেপথ্যের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ বেনজীরকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে: শামা ওবায়েদ ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা ভাসানচর থেকে পালানোর চেষ্টাকালে ৯ রোহিঙ্গা আটক প্রেমিকা দিবসে রহস্যময় উপহার পেয়ে যা বললেন পরীমণি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,০৯৫টি মামলা ঢাবিতে স্নাতক ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর, পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর জুলাই বিপ্লব ফরাসি বিপ্লবের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়: রিজভী

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দিনের পরিকল্পনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও সামরিক অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দিতে প্রায় দুই সপ্তাহব্যাপী ব্যাপক বিমান হামলার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এই পরিকল্পনাটি প্রণয়ন করেছেন। বর্তমানে ফ্লোরিডার ট্যাম্পায় অবস্থিত সেন্টকম সদর দপ্তর থেকে তিনি পুরো যুদ্ধ পরিস্থিতি তদারকি করছেন এবং এই বড় ধরনের সামরিক অভিযানের রূপরেখা প্রস্তুত করেছেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ থেকে ১৪ দিন ধরে ধারাবাহিক বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধূলিসাৎ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যাডমিরাল কুপারের প্রস্তাবিত এই কৌশলের মূল কথা হলো “গো বিগ” বা বড় আকারের হামলা। তার যুক্তি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দ্রুত ধ্বংস করা গেলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন কমে আসবে, কারণ তখন ইরানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা অনেকাংশেই হ্রাস পাবে।

তবে এই পরিকল্পনার খবর এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে এবং মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সতর্ক করেছেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সব সক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা সম্ভব নয়।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ হাজার ৩৩০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যা বর্তমানে কমে ৭৫৯টিতে নেমে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বড় ধরনের নতুন যুদ্ধ শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও দুর্বল হতে পারে এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে চীন-সংক্রান্ত সংকট মোকাবিলার সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দিনের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
print news

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও সামরিক অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দিতে প্রায় দুই সপ্তাহব্যাপী ব্যাপক বিমান হামলার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এই পরিকল্পনাটি প্রণয়ন করেছেন। বর্তমানে ফ্লোরিডার ট্যাম্পায় অবস্থিত সেন্টকম সদর দপ্তর থেকে তিনি পুরো যুদ্ধ পরিস্থিতি তদারকি করছেন এবং এই বড় ধরনের সামরিক অভিযানের রূপরেখা প্রস্তুত করেছেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ থেকে ১৪ দিন ধরে ধারাবাহিক বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধূলিসাৎ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যাডমিরাল কুপারের প্রস্তাবিত এই কৌশলের মূল কথা হলো “গো বিগ” বা বড় আকারের হামলা। তার যুক্তি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দ্রুত ধ্বংস করা গেলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন কমে আসবে, কারণ তখন ইরানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা অনেকাংশেই হ্রাস পাবে।

তবে এই পরিকল্পনার খবর এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে এবং মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সতর্ক করেছেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সব সক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা সম্ভব নয়।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ হাজার ৩৩০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যা বর্তমানে কমে ৭৫৯টিতে নেমে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বড় ধরনের নতুন যুদ্ধ শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও দুর্বল হতে পারে এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে চীন-সংক্রান্ত সংকট মোকাবিলার সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin