শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, আটক ৩

- আপডেট সময় : ০৯:২৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার একটি গ্রামে ২৫ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে ওই গৃহবধূর স্বামীকে বেঁধে রেখে দুই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ মঙ্গলবার ভোররাতে ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তাকে হাসপাতালের নারী সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নড়িয়া থানা সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কয়েক ব্যক্তির সাথে ওই গৃহবধূর স্বামীর মাদক বিক্রির বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে সোমবার রাতে ওই ব্যক্তিরা গৃহবধূর স্বামীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। তাকে নড়িয়া উপজেলার আচুড়া এলাকার একটি নির্জন স্থানে গাছের সাথে বেঁধে রাখা হয়। এরপর ওই ব্যক্তিরা গৃহবধূর স্বামীকে দিয়ে তার স্ত্রীকে ফোন করিয়ে সেখানে ডেকে আনেন। ভুক্তভোগী নারী জানান, সেখানে পৌঁছানোর পর তার স্বামীকে গাছের সাথে বাঁধা অবস্থায় দেখেন। পরে তাকে আরেকটি গাছের আড়ালে নিয়ে মুখ চেপে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। তিনি বাঁচার জন্য কাকুতি-মিনতি করলেও তারা কোনো কথা শোনেননি।
চিৎকার শুনে স্থানীয়রা সেখানে ছুটে যান এবং ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে। নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া জানান, ভুক্তভোগী নারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার সকালে রাব্বি (২৮), হযরত আলী খন্দকার (৪২) ও ইমন খন্দকার (২৬) নামের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই নারীর স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মিতু আক্তার জানান, ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।




























