ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামাবাদে পিটিআইয়ের মিছিল ঘিরে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও কড়াকড়ি ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা: নিহত ৪, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করবে সরকার মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রতি ডেপুটি স্পিকারের আহ্বান আবু ইয়াকুব ইউসুফ আল-কুমি: ইবন আরাবির বর্ণনায় এক সুফি সাধক সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা ২০২৬ জারি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে সরকার 'বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬' জারি করেছে। রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে এই নীতিমালা ঘোষণা করা হয়, যা সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

নতুন এই নীতিমালার অন্যতম প্রধান দিক হলো প্রশাসনিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। এখন থেকে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বদলি বা পদায়নের ক্ষমতা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। এর আগে এই ক্ষমতা পুরোপুরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতেই কেন্দ্রীভূত ছিল। তবে সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের বিষয়টি আগের মতোই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নিম্ন ও মধ্য পর্যায়ের বদলির ক্ষমতা মাউশিতে হস্তান্তরের ফলে আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়বে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বদলি বা পদায়নের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দিতে হবে। তবে জনস্বার্থে সরকার যেকোনো সময় যেকোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে যেকোনো কর্মস্থলে বদলি বা পদায়ন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। আবেদন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পারিবারিক সমস্যা, পেশাগত প্রয়োজন, দূরারোগ্য অসুস্থতা এবং নিজ জেলা থেকে কর্মস্থলের দূরত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া অসম্পূর্ণ তথ্য কিংবা পার্সোনাল ডাটা শিট (পিডিএস) হালনাগাদ না থাকলে আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

কর্মস্থলে স্থায়িত্বের বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে, নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকরা চাকরিতে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও বর্তমান কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। তবে গুরুতর শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক সমস্যার ক্ষেত্রে এই সময়সীমা শিথিলযোগ্য, যা সরকার যৌক্তিকতা সাপেক্ষে বিবেচনা করবে। এছাড়া স্বামী-স্ত্রী উভয়ে চাকরিজীবী হলে একজনের কর্মস্থল বা নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্যজনের বদলির আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। পিআরএল-এ যাওয়ার এক বছর আগে সুবিধাজনক স্থানে বদলির আবেদন করলে শূন্য পদ সাপেক্ষে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হবে।

নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের পর বদলি বা পদায়নের আদেশ জারি করা হবে। এছাড়া উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারি কলেজের শূন্য পদগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে নতুন এই নীতিমালায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা ২০২৬ জারি

আপডেট সময় : ১০:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে সরকার 'বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬' জারি করেছে। রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে এই নীতিমালা ঘোষণা করা হয়, যা সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

নতুন এই নীতিমালার অন্যতম প্রধান দিক হলো প্রশাসনিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। এখন থেকে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বদলি বা পদায়নের ক্ষমতা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। এর আগে এই ক্ষমতা পুরোপুরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতেই কেন্দ্রীভূত ছিল। তবে সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের বিষয়টি আগের মতোই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নিম্ন ও মধ্য পর্যায়ের বদলির ক্ষমতা মাউশিতে হস্তান্তরের ফলে আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়বে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বদলি বা পদায়নের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দিতে হবে। তবে জনস্বার্থে সরকার যেকোনো সময় যেকোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে যেকোনো কর্মস্থলে বদলি বা পদায়ন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। আবেদন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পারিবারিক সমস্যা, পেশাগত প্রয়োজন, দূরারোগ্য অসুস্থতা এবং নিজ জেলা থেকে কর্মস্থলের দূরত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া অসম্পূর্ণ তথ্য কিংবা পার্সোনাল ডাটা শিট (পিডিএস) হালনাগাদ না থাকলে আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

কর্মস্থলে স্থায়িত্বের বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে, নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকরা চাকরিতে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও বর্তমান কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। তবে গুরুতর শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক সমস্যার ক্ষেত্রে এই সময়সীমা শিথিলযোগ্য, যা সরকার যৌক্তিকতা সাপেক্ষে বিবেচনা করবে। এছাড়া স্বামী-স্ত্রী উভয়ে চাকরিজীবী হলে একজনের কর্মস্থল বা নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্যজনের বদলির আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। পিআরএল-এ যাওয়ার এক বছর আগে সুবিধাজনক স্থানে বদলির আবেদন করলে শূন্য পদ সাপেক্ষে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হবে।

নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের পর বদলি বা পদায়নের আদেশ জারি করা হবে। এছাড়া উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারি কলেজের শূন্য পদগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে নতুন এই নীতিমালায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor