সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন
- আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি এই বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন, যা পরবর্তীতে কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে বর্তমানে ১২ জন সদস্য রয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে বিরোধী দলের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে এটিকে ১৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রূপান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। কমিটিতে সরকারি দল বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটির বিএনপি দলীয় সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ (কক্সবাজার-১), চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি (বরগুনা-২), আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান (ঝিনাইদহ-১), জয়নুল আবেদীন (বরিশাল-৩), প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৫), প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন (নাটোর-১), মাহমুদুল হক রুবেল (শেরপুর-৩) এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮-এর সদস্য শাকিলা ফারজানা। এছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালীব রহমান (ভোলা-১), গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক (পটুয়াখালী-৩) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. অলি উল্লাহ (বরগুনা-১)।
বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তবে সেই রায় কার্যকর করার জন্য আগে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন। এছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো বিষয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন হলে তা এই বিশেষ কমিটিতে আলোচনার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
বিরোধী দলের ‘দুই শপথ’ প্রসঙ্গের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সংসদ বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচিত হয়েছে এবং এর অধিবেশনও সেই সংবিধান মেনেই আহ্বান করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কোনো সাংবিধানিক বা আইনগত ভিত্তি নেই এবং তারা কোনো দ্বিতীয় শপথ গ্রহণ করেননি।



























