ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একই দিনে অপুর জন্মদিন ও শাকিবের ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড জয় তিন দিন পর নাটোর থেকে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার ইন্দোরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত বুন্দেসলিগার ইতিহাসে দ্রুততম গোল হজমের লজ্জা পেল বায়ার্ন নিজ এলাকায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সংসদ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পরিচালক কামাল হোসেন বাবরের বিরুদ্ধে অধরা খানের অভিযোগ ১০ জনের লিভারপুলকে হারিয়ে শেষ ৩০ মিনিটে সিটির জয় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, চাঁদপুরে ভূমি অফিসের কর্মচারী বরখাস্ত রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাতক্ষীরায় দেড় লক্ষাধিক দিয়াশলাই কাঠিতে তৈরি দুর্গা প্রতিমা

সাতক্ষীরার কোরবানিকৃত পশুর চামড়ার ক্রেতা নেই, মাটিতে পুতে ফেলছেন অনেকে

যখন সময় ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




যখন সময় ডেস্ক রিপোর্ট:

সাতক্ষীরা জেলা শ্যামনগর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আযহায় কোরবানিকৃত পশুর চামড়া বিক্রি না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা, কোন ভাবেই বিক্রি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলছেন।

শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এমন চিত্র দেখা গিয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন থেকে আসা চামড়া ২৯ মে শুক্রবার সকাল ১০ টা পর্যন্ত উপকূলীয় নীলডুমুর বাজারের পাশে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঈদের দিন সকাল থেকে শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এতিমখানা মাদ্রাসা সার লোকজন, কিন্তু দিনভর ঘুরেও আশানুরূপ ক্রেতা না পাওয়ায় অধিকাংশ চামড়া অবিক্রিত থেকে যায়।

ছাগল, খাসি, গরুর চামড়ার কোনো ক্রেতা না থাকায় অনেকেই তা ফেলে দেন কিংবা মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার চামড়ার বাজার আরও আনেক খারাপ, আড়তদাররা কম দামে চামড়া কিনতে চাইলেও পরিবহন খরচ ও লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা লোকসানের আশঙ্কায় চামড়া কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না, ফলে সাধারণ মানুষ চরম হতাশায় পড়েছেন।

বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট জামে মসজিদের ইমাম ও বাগে জান্নাত হাফিজিয়া মাদ্রাসার খতিব হাফেজ রেজাউল করিম বলেন, সারাদিন ও সারারাত অপেক্ষা করেও কেউ চামড়া নিতে আসেনি, পরে দুর্গন্ধ ছড়ানোর ভয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হচ্ছে, গাবুরা চাঁদনীমূখা মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ আবু ও একই অভিযোগ করেন।

স্থানীয় মাদরাসা ও এতিমখানা কর্তৃপক্ষ জানান, প্রতি বছর কোরবানির চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে শিক্ষার্থীদের খরচের ১টি অংশ চালানো হয়, কিন্তু এবার চামড়ার দাম না থাকায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

এদিকে সরকার কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করলেও মাঠ পর্যায়ে তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত আড়ত না থাকায় চামড়ার বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

সাতক্ষীরার কোরবানিকৃত পশুর চামড়ার ক্রেতা নেই, মাটিতে পুতে ফেলছেন অনেকে

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

যখন সময় ডেস্ক রিপোর্ট:

সাতক্ষীরা জেলা শ্যামনগর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আযহায় কোরবানিকৃত পশুর চামড়া বিক্রি না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা, কোন ভাবেই বিক্রি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলছেন।

শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এমন চিত্র দেখা গিয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন থেকে আসা চামড়া ২৯ মে শুক্রবার সকাল ১০ টা পর্যন্ত উপকূলীয় নীলডুমুর বাজারের পাশে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঈদের দিন সকাল থেকে শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এতিমখানা মাদ্রাসা সার লোকজন, কিন্তু দিনভর ঘুরেও আশানুরূপ ক্রেতা না পাওয়ায় অধিকাংশ চামড়া অবিক্রিত থেকে যায়।

ছাগল, খাসি, গরুর চামড়ার কোনো ক্রেতা না থাকায় অনেকেই তা ফেলে দেন কিংবা মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার চামড়ার বাজার আরও আনেক খারাপ, আড়তদাররা কম দামে চামড়া কিনতে চাইলেও পরিবহন খরচ ও লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা লোকসানের আশঙ্কায় চামড়া কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না, ফলে সাধারণ মানুষ চরম হতাশায় পড়েছেন।

বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট জামে মসজিদের ইমাম ও বাগে জান্নাত হাফিজিয়া মাদ্রাসার খতিব হাফেজ রেজাউল করিম বলেন, সারাদিন ও সারারাত অপেক্ষা করেও কেউ চামড়া নিতে আসেনি, পরে দুর্গন্ধ ছড়ানোর ভয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হচ্ছে, গাবুরা চাঁদনীমূখা মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ আবু ও একই অভিযোগ করেন।

স্থানীয় মাদরাসা ও এতিমখানা কর্তৃপক্ষ জানান, প্রতি বছর কোরবানির চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে শিক্ষার্থীদের খরচের ১টি অংশ চালানো হয়, কিন্তু এবার চামড়ার দাম না থাকায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

এদিকে সরকার কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করলেও মাঠ পর্যায়ে তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত আড়ত না থাকায় চামড়ার বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।