ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারা দেশের ন্যায় দিনাজপুরেও শিশু শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংস ভাবে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনাজপুরে গাছের ডাল চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই এক নারী নিহত ফুলগাজী আমজাদ হাট ধর্ষন মামলায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রেফতার-১ সাজেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজিবির মানবিক সহায়তা ও শিক্ষা উপহরন বিতরণ ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা যুবকের মৃত্যুদন্ড সোনাগাজীতে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সেমিনার ঈদে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্দেশনা গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশের  ২য় পর্ব: ধর্ষণের পেছনে দায়ী কে? সমাজ, নৈতিক অবক্ষয় নাকি বিচারহীনতা? রামিসা হত্যার বিচার ৭ দিনের মধ্যে শেষ হতে পারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার মার্কেট দুর্নীতির আখড়া

ইউনিট প্রতি টাকা বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

বাংলাদেশের এবার জ্বালানি তেলের পর বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার, দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগ পরিপ্রেক্ষিতে পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড “পিডিবি”, প্রস্তাব আমলে নিয়ে কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন “বিইআরসি”।

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে, সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় নির্বাহী আদেশে, পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ৮ শতাংশ বাড়ে দাম, প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে এখন ৮ টাকা ৯৫ পয়সা, আর পাইকারি বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ৭ টাকা ৪ পয়সা।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের কমিটির পরামর্শে বিদ্যুৎ বিভাগ ৪ মে সোমবার দাম বৃদ্ধির এই প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের “বিইআরসি” কাছে পাঠিয়েছে, তবে রীতি অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি গুলো কমিশনের কাছে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়ে থাকে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, নিয়ম অনুসারে প্রস্তাব পেলে তা আইন অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ “পিডিবি” বিতরণ কোম্পানি গুলো প্রস্তাব পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে, কোম্পানিগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুসারেই এটি তৈরি করছে, চলতি সপ্তাহেই সেগুলো বিইআরসিতে পাঠানো হতে পারে, এরপর বিইআরসি গণশুনানি করে দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেবে, জুনের শুরুতেই নতুন দর কার্যকর হতে পারে।

জ্বালানি আমদানি ব্যয়ে ঊর্ধ্বগতি, উৎপাদন খরচ ও বিক্রয় মূল্যের বড় ব্যবধান এবং ভর্তুকির বাড়তি চাপ সামাল দিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ, এর আগে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১টি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে সরকার, ওই কমিটির পরামর্শেই বিদ্যুৎ বিভাগ প্রস্তাব দিয়েছে।
পিডিবি চেয়ারম্যান রেজাউল করিমও বলেছেন, তারা প্রস্তাব চূড়ান্ত করার কাজ করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত মূল্যবৃদ্ধি ভর্তুকির চাপ কিছুটা কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে এর ফলে শিল্প উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার খরচেও নতুন চাপ তৈরির শঙ্কা রয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১.৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে, খুচরা পর্যায়ে ব্যবহার ভিত্তিক স্তর অনুযায়ী ভিন্ন হারে মূল্য সমন্বয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে লাইফ লাইন বা স্বল্প ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ৭০ ইউনিট পর্যন্ত আপাতত এই বাড়তি চাপের বাইরে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য গড়ে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়।

বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় খরচ গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা দামের তুলনায় প্রায় ৫ টাকা ৫০ পয়সা বেশি, এই ঘাটতির কারণে ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পিডিবির সম্ভাব্য ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫৬ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে আরও প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ভর্তুকির প্রয়োজন হতে পারে, সরকার ইতোমধ্যে এ খাতে ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দ দিয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত এলএনজি, কয়লা ও তেলের বড় অংশ আমদানি করতে হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে এসব জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে, এছাড়া অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি উৎপাদনে না থাকলেও চুক্তি অনুযায়ী ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

গত আওয়ামী লীগ সরকার বিশেষ ক্ষমতা আইন করে দরপত্র ছাড়া একের পর ১ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে, এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে গিয়ে ব্যাপক চাপে পড়ে সরকার, যদিও জ্বালানির অভাবে সক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় না, ২০২২ সালের শেষ দিকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ক্ষমতা কমিশনের কাছ থেকে সরকারের হাতে নেয় তারা।

দেড় দশকে পাইকারিতে ১২ বার ও গ্রাহক পর্যায়ে ১৪ বার দাম বাড়ায় আওয়ামী লীগ সরকার এরপর অন্তর্বর্তী সরকার এসে দাম না বাড়িয়ে খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়, দাম বাড়ানোর ক্ষমতা বিইআরসির হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিছু খাতে খরচ কমলেও সেটি তেমন কাজে আসেনি, গত অর্থবছরে সর্বোচ্চ ভর্তুকি দিতে হয়েছে, যা ৫৮ হাজার কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ইউনিট প্রতি টাকা বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

বাংলাদেশের এবার জ্বালানি তেলের পর বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার, দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগ পরিপ্রেক্ষিতে পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড “পিডিবি”, প্রস্তাব আমলে নিয়ে কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন “বিইআরসি”।

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে, সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় নির্বাহী আদেশে, পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ৮ শতাংশ বাড়ে দাম, প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে এখন ৮ টাকা ৯৫ পয়সা, আর পাইকারি বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ৭ টাকা ৪ পয়সা।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের কমিটির পরামর্শে বিদ্যুৎ বিভাগ ৪ মে সোমবার দাম বৃদ্ধির এই প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের “বিইআরসি” কাছে পাঠিয়েছে, তবে রীতি অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি গুলো কমিশনের কাছে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়ে থাকে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, নিয়ম অনুসারে প্রস্তাব পেলে তা আইন অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ “পিডিবি” বিতরণ কোম্পানি গুলো প্রস্তাব পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে, কোম্পানিগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুসারেই এটি তৈরি করছে, চলতি সপ্তাহেই সেগুলো বিইআরসিতে পাঠানো হতে পারে, এরপর বিইআরসি গণশুনানি করে দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেবে, জুনের শুরুতেই নতুন দর কার্যকর হতে পারে।

জ্বালানি আমদানি ব্যয়ে ঊর্ধ্বগতি, উৎপাদন খরচ ও বিক্রয় মূল্যের বড় ব্যবধান এবং ভর্তুকির বাড়তি চাপ সামাল দিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ, এর আগে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১টি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে সরকার, ওই কমিটির পরামর্শেই বিদ্যুৎ বিভাগ প্রস্তাব দিয়েছে।
পিডিবি চেয়ারম্যান রেজাউল করিমও বলেছেন, তারা প্রস্তাব চূড়ান্ত করার কাজ করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত মূল্যবৃদ্ধি ভর্তুকির চাপ কিছুটা কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে এর ফলে শিল্প উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার খরচেও নতুন চাপ তৈরির শঙ্কা রয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১.৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে, খুচরা পর্যায়ে ব্যবহার ভিত্তিক স্তর অনুযায়ী ভিন্ন হারে মূল্য সমন্বয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে লাইফ লাইন বা স্বল্প ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ৭০ ইউনিট পর্যন্ত আপাতত এই বাড়তি চাপের বাইরে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য গড়ে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়।

বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় খরচ গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা দামের তুলনায় প্রায় ৫ টাকা ৫০ পয়সা বেশি, এই ঘাটতির কারণে ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পিডিবির সম্ভাব্য ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫৬ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে আরও প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ভর্তুকির প্রয়োজন হতে পারে, সরকার ইতোমধ্যে এ খাতে ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দ দিয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত এলএনজি, কয়লা ও তেলের বড় অংশ আমদানি করতে হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে এসব জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে, এছাড়া অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি উৎপাদনে না থাকলেও চুক্তি অনুযায়ী ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

গত আওয়ামী লীগ সরকার বিশেষ ক্ষমতা আইন করে দরপত্র ছাড়া একের পর ১ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে, এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে গিয়ে ব্যাপক চাপে পড়ে সরকার, যদিও জ্বালানির অভাবে সক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় না, ২০২২ সালের শেষ দিকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ক্ষমতা কমিশনের কাছ থেকে সরকারের হাতে নেয় তারা।

দেড় দশকে পাইকারিতে ১২ বার ও গ্রাহক পর্যায়ে ১৪ বার দাম বাড়ায় আওয়ামী লীগ সরকার এরপর অন্তর্বর্তী সরকার এসে দাম না বাড়িয়ে খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়, দাম বাড়ানোর ক্ষমতা বিইআরসির হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিছু খাতে খরচ কমলেও সেটি তেমন কাজে আসেনি, গত অর্থবছরে সর্বোচ্চ ভর্তুকি দিতে হয়েছে, যা ৫৮ হাজার কোটি টাকা।