ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফুলগাজী আমজাদ হাট ধর্ষন মামলায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রেফতার-১ সাজেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজিবির মানবিক সহায়তা ও শিক্ষা উপহরন বিতরণ ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা যুবকের মৃত্যুদন্ড সোনাগাজীতে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সেমিনার ঈদে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্দেশনা গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশের  ২য় পর্ব: ধর্ষণের পেছনে দায়ী কে? সমাজ, নৈতিক অবক্ষয় নাকি বিচারহীনতা? রামিসা হত্যার বিচার ৭ দিনের মধ্যে শেষ হতে পারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার মার্কেট দুর্নীতির আখড়া সাতক্ষীরার ১ তরুণীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে অজ্ঞান পার্টির ২ সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা রামিসা হত্যাকাণ্ডের আসামি সোহেলের যত অপকর্ম প্রকাশ্যে এলো

ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার মার্কেট দুর্নীতির আখড়া

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানী ঢাকা গুলিস্তান ট্রেড সেন্টার মার্কেট ঘিরে চলছে দুর্নীতির উৎসব, অনুমোদিত নকশা নীতিমালা অমান্য করে মার্কেটের উত্তর-দক্ষিণ ছাদজুড়ে ১৭০টি এর বেশি অবৈধ দোকান ও গুদাম ঘর তৈরি করেছে প্রভাবশালীরা দোকান মালিক সমিতির ।

এসব অবৈধ স্থাপনা থেকে ভাড়া ও জামানতের নামে বছরে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, শুধু তাই নয়, প্রভাবশালীদের রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে মার্কেটের ব্যবসায়িক পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে, তাদের ছাদের বাণিজ্য রোধে দৃশ্যমান, এতে উদ্যোগ নেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের, এ নিয়ে ক্ষুব্ধ মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিন গিয়ে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গিয়েছে, যদিও মার্কেট সমিতির প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, অনুমোদিত নকশার বাইরে ছাদে কোনো দোকান-গুদাম নির্মাণ করা হয়নি।

আরো জানা যায় যে, মার্কেটের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনে দুদকের সহকারী পরিচালক আরিফ আহম্মদ গণমাধ্যমদের বলেন, মোজাম্মেল হক মজুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় সত্য, বিষয়টি নিয়ে আমাদের অনুসন্ধান চলছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার উত্তর-দক্ষিণ মার্কেটের ছাদে অস্থায়ী দোকান-গুদাম নির্মাণ করে মার্কেট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মাণ করা হয় ১৭০টি এর বেশি দোকান-গুদামঘর, এসব ঘর নির্মাণে নেতৃত্ব দেন ঢাকা ট্রেড সেন্টার “উত্তর” মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজু, সাধারণ সম্পাদক বাসেত মাস্টার, দক্ষিণের সভাপতি মীর আল মামুন ও সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন রানা।

শুধু ছাদে ঘর নির্মাণই নয়, মার্কেটের ভিতরে অবৈধ দোকান নির্মাণ ও ভাড়া সহ নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে মোট অংকের টাকা, আর এসব কাজে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোজাম্মেল হক মজু এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার উত্তরের সভাপতি মোজাম্মেল হক মজু গণমাধ্যমকে বলেন, ছাদের ওপরে অবৈধ কোনো গোডাউন বা দোকান তৈরি করা হয়নি, ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার মার্কেটের সিকিউরিটি গার্ডদের “নিরাপত্তাকর্মী” সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করে টিন দিয়ে কিছু ঘর তৈরি করা হয়েছে।

অন্যদিকে নিরাপত্তা কর্মীরা জানিয়েছেন, ছাদে যেসব ঘর তৈরি করা হয়েছে সেগুলো মূলত গোডাউন ও দোকান, সেখান থেকে তারা ২টি রুম ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন, তাদের দাবি, দোকান-গুদাম তৈরির পরিকল্পনায় এসব ঘর তৈরি করা হয়েছে, তাদের বিশ্রাম ও ঘুমের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ২টি রুম, দায়িত্ব পালন শেষে সেখানেই বিশ্রাম, ঘুম, খাওয়া, গোসল সহ প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করেন তারা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় যে, ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার উত্তর-দক্ষিণ মার্কেটের ছাদে অবৈধ ভাবে নির্মিত স্থাপনা গুলো দোকান ও গোডাউন হিসাবে ব্যবহার করতে ভাড়া নিয়েছে মার্কেটের বেশ কিছু ব্যবসায়ী, ভাড়ার এসব গোডাউনে জুতা, জামা, প্যান্ট, কম্বল সহ দোকানের প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী রাখছেন তারা, তাদের এসব ঘর ভাড়া নিতে জামানত হিসাবে দিতে হয়েছে, ১ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত, এছাড়া মাসিক ভাড়া হিসাবে দিতে হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বেজমেন্ট সহ ৬ তলা পর্যন্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের বরাদ্দকৃত স্থায়ী ও অস্থায়ী দোকানের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার, অথচ মার্কেটের ছোট-বড় সব মিলিয়ে দোকান সংখ্যা প্রায় ৩ হাজারের ও বেশি, এর মধ্যে ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার দক্ষিণে ৯৫১টি স্থায়ী ২১০ অস্থায়ী সহ মোট ১১৬১টি দোকান, আর উত্তরে ৯৭১টি স্থায়ী ও ২৩৭টি অস্থায়ী সহ মোট ১১০৮টি দোকান, এছাড়া মার্কেটের অতিরিক্ত দোকান সংখ্যা প্রায় ৭০০টি।

অনুমোদনের বাইরে এসব অতিরিক্ত দোকান নিয়ন্ত্রণ করে মার্কেট কমিটির নেতারা, তারা সিটি করপোরেশনকে ফাঁকি দিয়ে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মার্কেট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, তাদের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা, যদিও মার্কেটের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করেন তারা, তাদের এসব অভিযান অল্প কিছু বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ, বিশেষ করে মার্কেটের ছাদে অবৈধ দোকান-গুদামঘর নির্মাণ হলেও তার বিরুদ্ধে এখনো অভিযান করা হয়নি বলে দাবি সাধারণ ব্যবসায়ীদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কেট কমিটির দায়িত্বশীল ১ নেতা গণমাধ্যমকে বলেন, ছাদে অবৈধ দোকান তৈরির ঘটনা সত্য, নিরাপত্তা কর্মীদের বিশ্রমের জন্য ঘর তৈরির নাম করে সেখানে অনেক গুলো অবৈধ ঘর তৈরি করা হয়েছে, পরে সেখান থেকে ২টি রুম দেওয়া হয় নিরাপত্তা কর্মীদের।

ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার “উত্তর” মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক বাসেত মাস্টার গণমাধ্যমকে বলেন, সিকিউরিটিদের সুবিধার জন্য ছাদের ওপর ঘর তৈরি করা হয়েছে, বক্তব্য নেওয়ার জন্য মার্কেট এর দক্ষিণ অংশের সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন রানার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার মার্কেট দুর্নীতির আখড়া

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানী ঢাকা গুলিস্তান ট্রেড সেন্টার মার্কেট ঘিরে চলছে দুর্নীতির উৎসব, অনুমোদিত নকশা নীতিমালা অমান্য করে মার্কেটের উত্তর-দক্ষিণ ছাদজুড়ে ১৭০টি এর বেশি অবৈধ দোকান ও গুদাম ঘর তৈরি করেছে প্রভাবশালীরা দোকান মালিক সমিতির ।

এসব অবৈধ স্থাপনা থেকে ভাড়া ও জামানতের নামে বছরে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, শুধু তাই নয়, প্রভাবশালীদের রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে মার্কেটের ব্যবসায়িক পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে, তাদের ছাদের বাণিজ্য রোধে দৃশ্যমান, এতে উদ্যোগ নেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের, এ নিয়ে ক্ষুব্ধ মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিন গিয়ে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গিয়েছে, যদিও মার্কেট সমিতির প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, অনুমোদিত নকশার বাইরে ছাদে কোনো দোকান-গুদাম নির্মাণ করা হয়নি।

আরো জানা যায় যে, মার্কেটের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনে দুদকের সহকারী পরিচালক আরিফ আহম্মদ গণমাধ্যমদের বলেন, মোজাম্মেল হক মজুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় সত্য, বিষয়টি নিয়ে আমাদের অনুসন্ধান চলছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার উত্তর-দক্ষিণ মার্কেটের ছাদে অস্থায়ী দোকান-গুদাম নির্মাণ করে মার্কেট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মাণ করা হয় ১৭০টি এর বেশি দোকান-গুদামঘর, এসব ঘর নির্মাণে নেতৃত্ব দেন ঢাকা ট্রেড সেন্টার “উত্তর” মার্কেট মালিক সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজু, সাধারণ সম্পাদক বাসেত মাস্টার, দক্ষিণের সভাপতি মীর আল মামুন ও সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন রানা।

শুধু ছাদে ঘর নির্মাণই নয়, মার্কেটের ভিতরে অবৈধ দোকান নির্মাণ ও ভাড়া সহ নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে মোট অংকের টাকা, আর এসব কাজে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোজাম্মেল হক মজু এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার উত্তরের সভাপতি মোজাম্মেল হক মজু গণমাধ্যমকে বলেন, ছাদের ওপরে অবৈধ কোনো গোডাউন বা দোকান তৈরি করা হয়নি, ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার মার্কেটের সিকিউরিটি গার্ডদের “নিরাপত্তাকর্মী” সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করে টিন দিয়ে কিছু ঘর তৈরি করা হয়েছে।

অন্যদিকে নিরাপত্তা কর্মীরা জানিয়েছেন, ছাদে যেসব ঘর তৈরি করা হয়েছে সেগুলো মূলত গোডাউন ও দোকান, সেখান থেকে তারা ২টি রুম ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন, তাদের দাবি, দোকান-গুদাম তৈরির পরিকল্পনায় এসব ঘর তৈরি করা হয়েছে, তাদের বিশ্রাম ও ঘুমের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ২টি রুম, দায়িত্ব পালন শেষে সেখানেই বিশ্রাম, ঘুম, খাওয়া, গোসল সহ প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করেন তারা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় যে, ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার উত্তর-দক্ষিণ মার্কেটের ছাদে অবৈধ ভাবে নির্মিত স্থাপনা গুলো দোকান ও গোডাউন হিসাবে ব্যবহার করতে ভাড়া নিয়েছে মার্কেটের বেশ কিছু ব্যবসায়ী, ভাড়ার এসব গোডাউনে জুতা, জামা, প্যান্ট, কম্বল সহ দোকানের প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী রাখছেন তারা, তাদের এসব ঘর ভাড়া নিতে জামানত হিসাবে দিতে হয়েছে, ১ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত, এছাড়া মাসিক ভাড়া হিসাবে দিতে হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বেজমেন্ট সহ ৬ তলা পর্যন্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের বরাদ্দকৃত স্থায়ী ও অস্থায়ী দোকানের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার, অথচ মার্কেটের ছোট-বড় সব মিলিয়ে দোকান সংখ্যা প্রায় ৩ হাজারের ও বেশি, এর মধ্যে ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার দক্ষিণে ৯৫১টি স্থায়ী ২১০ অস্থায়ী সহ মোট ১১৬১টি দোকান, আর উত্তরে ৯৭১টি স্থায়ী ও ২৩৭টি অস্থায়ী সহ মোট ১১০৮টি দোকান, এছাড়া মার্কেটের অতিরিক্ত দোকান সংখ্যা প্রায় ৭০০টি।

অনুমোদনের বাইরে এসব অতিরিক্ত দোকান নিয়ন্ত্রণ করে মার্কেট কমিটির নেতারা, তারা সিটি করপোরেশনকে ফাঁকি দিয়ে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মার্কেট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, তাদের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা, যদিও মার্কেটের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করেন তারা, তাদের এসব অভিযান অল্প কিছু বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ, বিশেষ করে মার্কেটের ছাদে অবৈধ দোকান-গুদামঘর নির্মাণ হলেও তার বিরুদ্ধে এখনো অভিযান করা হয়নি বলে দাবি সাধারণ ব্যবসায়ীদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কেট কমিটির দায়িত্বশীল ১ নেতা গণমাধ্যমকে বলেন, ছাদে অবৈধ দোকান তৈরির ঘটনা সত্য, নিরাপত্তা কর্মীদের বিশ্রমের জন্য ঘর তৈরির নাম করে সেখানে অনেক গুলো অবৈধ ঘর তৈরি করা হয়েছে, পরে সেখান থেকে ২টি রুম দেওয়া হয় নিরাপত্তা কর্মীদের।

ঢাকা গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার “উত্তর” মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক বাসেত মাস্টার গণমাধ্যমকে বলেন, সিকিউরিটিদের সুবিধার জন্য ছাদের ওপর ঘর তৈরি করা হয়েছে, বক্তব্য নেওয়ার জন্য মার্কেট এর দক্ষিণ অংশের সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন রানার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।