ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁয় ৩ বছরের শিশু সহ একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা মৌলভীবাজার বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ওয়াইফাই সার্ভিস কর্মীর মৃত্যু অবশেষে ফুলবাড়ী ও পার্বতীপুরে তৈরি হচ্ছে সংসদ সদস্যর অফিস রংপুরে ডিসি’র সাথে যুবদল-সেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সৌজন্য সাক্ষাত প্রান বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর বিভিন্ন জাতের ধান-গাছ পরিদর্শন রংপুর সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার রোধে সতর্ক বিজিবি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ২৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি ২৯ পরীক্ষার্থী প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ রূপগঞ্জে জমি বিরোধে বিধবার দোকানে ভাঙচুর, ৭টিতে তালা দেওয়ার অভিযোগ অনলাইন জুয়ায় টাকা হারিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

গুলিস্তানে নতুন টাকার বাজারে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান, পালালেন ব্যবসায়ীরা, ঈদ সামনে রেখে কমিশন বাণিজ্যে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় নতুন টাকার অবৈধ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়েছে, অভিযানের খবর পেয়ে মুহূর্তেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান সেখানে অবস্থান নেওয়া নতুন টাকা বিক্রেতারা, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নতুন টাকার অবৈধ বেচাকেনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে গুলিস্তান এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে নতুন টাকার ছোট ছোট বাজার, সেখানে ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট বান্ডিল আকারে বিক্রি করা হচ্ছিল।

ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যাংকে নতুন টাকা চাইতে গেলে প্রায়ই নেই বলে জানিয়ে দেন কর্মকর্তারা, কিন্তু একই নতুন টাকা রাস্তায় পাওয়া যাচ্ছে বাড়তি কমিশনের বিনিময়ে, অভিযোগ রয়েছে, প্রতি বান্ডিলে প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত কমিশন নেওয়া হচ্ছে, এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্নআয়ের ক্রেতারা,

স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতা জানান, ঈদ উপলক্ষে সালামি বা উপহার দেওয়ার জন্য অনেকে নতুন টাকা সংগ্রহ করতে চান, কিন্তু ব্যাংকে সহজে নতুন টাকা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে অনেকেই রাস্তার এই অবৈধ বাজার থেকে বাড়তি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

এ বিষয়ে একাধিক পথচারী প্রশ্ন তুলে বলেন, ব্যাংকে যখন নতুন টাকা নেই বলা হচ্ছে, তখন বিপুল পরিমাণ নতুন নোট এসব ব্যবসায়ীর কাছে কীভাবে আসে এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, নতুন টাকার অবৈধ বেচাকেনা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে, পাশাপাশি এই টাকার উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত কোনো সিন্ডিকেট রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে নতুন টাকার চাহিদা বাড়ার সুযোগে প্রতি বছরই এমন অবৈধ বাণিজ্য সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান চালানো হলে এ ধরনের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

গুলিস্তানে নতুন টাকার বাজারে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান, পালালেন ব্যবসায়ীরা, ঈদ সামনে রেখে কমিশন বাণিজ্যে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ০২:০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় নতুন টাকার অবৈধ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়েছে, অভিযানের খবর পেয়ে মুহূর্তেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান সেখানে অবস্থান নেওয়া নতুন টাকা বিক্রেতারা, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নতুন টাকার অবৈধ বেচাকেনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে গুলিস্তান এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে নতুন টাকার ছোট ছোট বাজার, সেখানে ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট বান্ডিল আকারে বিক্রি করা হচ্ছিল।

ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যাংকে নতুন টাকা চাইতে গেলে প্রায়ই নেই বলে জানিয়ে দেন কর্মকর্তারা, কিন্তু একই নতুন টাকা রাস্তায় পাওয়া যাচ্ছে বাড়তি কমিশনের বিনিময়ে, অভিযোগ রয়েছে, প্রতি বান্ডিলে প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত কমিশন নেওয়া হচ্ছে, এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্নআয়ের ক্রেতারা,

স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতা জানান, ঈদ উপলক্ষে সালামি বা উপহার দেওয়ার জন্য অনেকে নতুন টাকা সংগ্রহ করতে চান, কিন্তু ব্যাংকে সহজে নতুন টাকা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে অনেকেই রাস্তার এই অবৈধ বাজার থেকে বাড়তি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

এ বিষয়ে একাধিক পথচারী প্রশ্ন তুলে বলেন, ব্যাংকে যখন নতুন টাকা নেই বলা হচ্ছে, তখন বিপুল পরিমাণ নতুন নোট এসব ব্যবসায়ীর কাছে কীভাবে আসে এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, নতুন টাকার অবৈধ বেচাকেনা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে, পাশাপাশি এই টাকার উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত কোনো সিন্ডিকেট রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে নতুন টাকার চাহিদা বাড়ার সুযোগে প্রতি বছরই এমন অবৈধ বাণিজ্য সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান চালানো হলে এ ধরনের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।